somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অনেক গবেষণা করেই ভারতে এসেছি’, হুঙ্কার সূুনীলদের তারকা কোচের (সংগৃহিত)

২৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



লুকা মদ্রিচদের প্রাক্তন এবং ভারতের সদ্য নিযুক্ত কোচ স্টিমাচ। আগেই যাঁর কোচ হওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। বুধবার শুধু সরকারিভাবে নামটা ঘোষিত হল। ওই তারপরই ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে তাঁর ধারণা এবং হোমওয়ার্ক প্রসঙ্গে দু-চার কথা মিডিয়ার সঙ্গে। ক্রোয়েশিয়ায় তিনি কিংবদন্তি। এবং, এত হাই-প্রোফাইল কোচ ভারতে আগে আসেননি। পারবেন ভারতীয় ফুটবলের হাল ফেরাতে? স্টিমাচ জানেন এটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। সেজন্যই বললেন, “কঠিন চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। আর আমার যেটুকু ধারণা হয়েছে, তাতে বলতে পারি ফুটবলের দুনিয়ায় ভারত এক ঘুমন্ত দৈত্য। জেগে ওঠার অপেক্ষায়। এবং আমি আশাবাদী।”

অবশ্যই এর জন্য হোমওয়ার্কও করেছেন। বললেন, “এএফসি টুর্নামেন্টে ভারতের সবক’টা ম্যাচ দেখেছি এরিনা স্পোর্টস টিভি চ্যানেলে। আর ভারতের কোচের পদে আবেদন করার পর সিরিয়াসলি আইএসএল এবং আই লিগ নিয়ে গবেষণা করেছি। কী ধারণা হয়েছে সেপ্রসঙ্গে বলতে পারি, খেলা নিয়ে ওদের (ফুটবলারদের) মনোভাব খুব ইতিবাচক। যেটা ভাল। আর কয়েকজন কম বয়সী ছেলেকে দেখলাম, যাদের ভবিষ্যতে বড় তারকা হয়ে ওঠার ক্ষমতা আছে।”

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সাফল্য পেতে হলে ইউথ বা যুব ফুটবলে জোর দেওয়ার বরাবরের পক্ষপাতী স্টিমাচ। ভারতীয় ফেডারেশন এই যুব ফুটবলেই ইদানীং বাড়তি জোর দিয়েছে। যা স্টিমাচের খুব মনপসন্দ। নিজে যুগোশ্লাভিয়ার অনূর্ধ্ব ২০ দলের হয়ে ফিফা যুব বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ১৯৮৭-তে। ফলে মনে করেন যুব ফুটবলে জোর দিলে তবেই একটা দেশের সিনিয়র স্তরের ফুটবলে উন্নতি সম্ভব। বললেন, “এআইএফএফ ছোটদের ফুটবল দলের জন্য যা যা উদ্যোগ নিয়েছে সেটা আমার খুবই ইতিবাচক মনে হয়েছে। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখব আশা করি।”
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:২৫
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন কাওসার চৌধুরী ও তার গল্পগুচ্ছ 'পুতুলনাচ' (বই রিভিউ)

লিখেছেন আকতার আর হোসাইন, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:১৫



লেখকের প্রথম বই--- বায়স্কোপ: যে বইয়ে কাওসার চৌধুরী এঁকেছেন জীবনের বায়স্কোপ

আর সবার মতন একজন লেখকেরও রয়েছে স্বাধীনতা। যার যে বিষয়ে ইচ্ছে সে সেই বিষয়েই লিখবে। জোড় করে কোন লেখকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

যীশুর রহস্যময় বাল্যকালঃ মিশর অবস্থান কাল বার বছর পর্যন্ত

লিখেছেন শের শায়রী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৩০



যীশুর জীবনের অন্যতম রহস্যময় ঘটনা হিসাবে যা আমার কাছে মনে হয় তা হল যীশুর বাল্যকাল। ইতিহাস প্রসিদ্ধ ধর্মপ্রচারকদের মাঝে যীশুর জীবনির একটা অংশ নিয়ে আজো কোন কুল কিনারা পাওয়া যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাড়ী ভাড়া বিষয়ক সাহায্য পোস্ট - সাময়িক, হেল্প/অ্যাডভাইজ নিয়েই ফুটে যাবো মতান্তরে ডিলিটাবো

লিখেছেন বিষন্ন পথিক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৭

ফেসবুক নাই, তাই এখানে পোস্টাইতে হৈল, দয়া করে দাত শক্ত করে 'এটা ফেসবুক না' বৈলেন্না, খুব জরুরী সহায়তা প্রয়োজন।

মোদ্দা কথা...
আমার মায়ের নামে ঢাকায় একটা ফ্লাট আছে (রিং রোডের দিকে), ১৬০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫


জীবনানন্দ দাস লিখেছেন- সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...। বনলতা সেন কবিতার অসাধারণ এই লাইনসহ শেষ প্যারাটা খুবই রোমান্টিক। বাংলা শিল্প-সাহিত্যের রোমান্টিসিজমে সন্ধ্যার আলাদা একটা যায়গাই রয়ে গেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪৪



"বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!", এই কথাটি আমাকে বলেছিলেন আমাদের গ্রামের একজন নতুন বধু; ইহা আমার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছিলো।

আমি তখন অষ্টম শ্রেণীত, গ্রাম্য এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×