somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বুবলা
হুগলীর হুনুমান

আত্মবিশ্বাস

১৭ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তানবীর (জিরো গ্রাভিটি) এর সৌজন্যে

জীবনে আমরা সবচেয়ে বেশি ভয় পাই অন্যের মুখোমুখি হতে। অন্যের চিন্তা করে নিজের অনেক চিন্তা ও ভালোলাগাকে বিসর্জন দেই। আবার কখনো চরম খারাপ লাগাকে মেনে নিই। জীবনে আমরা থমকে যাই যখন চিন্তা করিভালো কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে কিংবা চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ি মুখ দেখাব কি করে! বাইরের সবাই আঙুল তুলে দেখাবে। অন্যের মন্তব্য নিয়ে যে কোনো বয়সের মানুষকেই কঠিন পীড়ায় ভুগতে দেখা যায়।
‘অন্যেরা আমার সম্পর্কে কি ভাবছে’-এই ভয়কে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে।
ধরা যাক,
এক ভদ্রলোক ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং সরকারি উচ্চপদে চাকরিরত ছিলেন। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই তার সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেল যখন তিনি কিছু ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বসেন। এরপর তিনি ব্যবসার চেষ্টা করেন, তাতে সফল হতে না পেরে আবারও বিভিন্ন বেসরকারি চাকরিতে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হতে পারেননি। ফলশ্রুতিতে তিনি পরিবারের সকলের হাসি-ঠাট্টার পাত্রে পরিণত হন। তাকে নিয়ে কথা উঠলে তা চলতেই থাকত। যেন শেষ হতেই চাইত না। ভদ্রলোকের স্ত্রীর অবস্থা তখন আরো করুণ। পারিবারিক কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ দূরে থাক, তারা সব সময় পালিয়ে আত্মরক্ষা করতেন। কিছু কিছু আত্মীয় সব সময় জিজ্ঞাসা করত এখন তাহলে তুমি কি করছ? এভাবে তারা ভদ্রলোকের জীবনকে নরকে পরিণত করলেন। এক পর্যায়ে তিনি তার সব আত্মবিশ্বাসই হারিয়ে ফেললেন। তার মনে হতে লাগল প্রত্যেকটা কাজেই তিনি ভুল করে ফেলছেন। একটা সাধারণ ম্যাচবাক্স কেনার সময়ও অন্যের পরামর্শ কামনা করতেন তিনি।এই ভদ্রলোকের মতো অনেকেই আমরা সমাজের এই বদ্ধ খাঁচার মধ্যে বাস করি।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইচ্ছা করেই নিজের চাওয়া-পাওয়া-ভালোলাগাকে বিসর্জন দেই।
বাস্তবে আমরা সব সময় অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠার চিন্তায় কসরত করে চলছি। এটাই আমাদের অন্যের মতো করে তোলে, সাধারণ করে তোলে আর মিশে যেতে বাধ্য করে জনস্রোতের মধ্যে। অন্যরা কি আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে, নাকি আমি অন্যদের থেকে আলাদা কিছু করে ফেললাম এই চিন্তা সর্বদা আমাদের গ্রাস করে। যাদের আত্মবিশ্বাস কম তারাই এভাবে চিন্তা করে। দুর্ভাগ্যবশত যত আমরা সামাজিক নিয়মের বেড়াজালে নিজের সত্তাকে বন্দি করে ফেলি, সমাজও ততটাই কৃপণতা দেখায় আমাদের কিছু দেয়ার ক্ষেত্রে।
নিজের ধ্বংস বা নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত চক্র থেকে বের হওয়া যায় না।

আরেকটি কাহিনী খেয়াল করুন
২০ বছর বয়সী একটি মেয়ে যার জীবনে নাচ শেখার খুব শখ ছিল। কিন্তু স্বভাবে অন্তর্মুখী হওয়ার লজ্জায় সে নাচের স্কুলে ভর্তি হয়নি। অবশেষে সে নিজেকে বোঝাতে সক্ষম হলো এবং সাহস করে ভর্তি হলো নাচের স্কুলে। প্রথম দিনে সে তালই ঠিকমতো ধরতে পারলো না। অথচ একাকী আয়নার সামনে নাচতে তার কোনো অসুবিধাই হয়নি। সবার সামনে সে নাচতে পারেনি, কারণ তার অবচেতন মনে সে দর্শকদের কথা চিন্তা করছিল। সে কিভাবে নাচবে এই চিন্তা তাকে ভাবিয়ে তোলেনি বরং নাচলে অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাববে সেই চিন্তাই গ্রাস করেছিল।

ওহ্ কি সুন্দর তুমি, তুমি কত ভালো এসব কথা আমরা সর্বদা শুনতে পছন্দ করি। একটু ভালোবাসা, একটু শুভদৃষ্টি একটু প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমরা কতই না ব্যাকুল। বাস্তবতা হলো যখন তুমি অন্যের কাছে কিছু চাইবে তুমি স্বস্তিতে থাকতে পারবে না।

এই অস্বস্তি নিজেকে কখন সুন্দর, সকলের প্রিয় বিত্তশালী দেখতে পারব সেই চিন্তার কারণে। এ কারণে অন্যেরা কি পছন্দ করবে সেই অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করতে থাকি। যখনই অন্যকে খুশি করতে নিজের সত্তাকে হারিয়ে ফেলি তখনই আমাদের স্বাভাবিকতা থাকে না, মন হয়ে ওঠে অশান্ত। দুর্ভাগ্য হচ্ছে আমরা প্রায় সবাই নিজের অজান্তে মনের মধ্যে এরূপ ধারণা নিয়ে জীবন যাপন করি।

অন্যের মতামতকে ভয় করার এই চিরায়ত অভ্যাস প্রতিটি মানুষকেই সিদ্ধান্তহীনতায় ঠেলে দিবে, যা মানুষকে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের মধ্যে ঠেলে দেয়। এটা পরবর্তী জীবনে স্বাস্থ্য ও সুখকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। এটা আমাদেরকে বন্দি করে ফেলে একটি বৃত্তের মধ্যে, যে বৃত্তের মধ্যে সমাজ বা অন্যরা আমাদের দেখতে পছন্দ করে। ফলে আমাদের সত্যিকার সামর্থ্য সারাজীবনই রয়ে যায় শৃঙ্খলিত।

তাহলে আমরা কি পাছে লোকে কিছু বলে এই ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেব? আমাদের নিজেদের সত্তাকে বিলীন করে দেব সমালোচকদের ভয়ে। অবশ্যই না। অন্যের সমালোচনার ভয়ে নিজের ভালোবাসাকে নিশ্চয়ই বিসর্জন দেয়া চলে না।
যদি সমালোচনাকে জীবনে উন্নতির পথে বাধা হিসাবে চিন্তা করি তাহলে উচিত হবে কিভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার একটা উপায় বের করা।
প্রথমে চিন্তা করতে হবে কি কি কারণে আমরা অন্যের মতামতকে এত গুরুত্ব দিচ্ছি। এই প্রশ্নের একটা উত্তর হলো গুরুত্ব না দিলে তাদের সমালোচনা সহ্য করতে হতে পারে। এ কারণে নিজের মনে এক ধরনের প্রতিরোধের শক্তি দরকার। এই প্রতিরোধ গড়ে না তুললে সারাজীবন এই ভয় থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না। যদি নিজের শক্তিকে অনুভব করতে পারেন, সম্মান করতে পারেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনি আপনার পরিবর্তনও অনুভব করতে শুরু করবেন।
তাই সাহসের সঙ্গে দুঃসময়কে মোকাবিলা করুন।
অন্যকে অনুকরণ না করে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন। প্রকৃতিগতভাবে প্রত্যেকেরই রয়েছে অনেক ভালো গুণাবলি। অন্যের মতো হলে হাততালি পাওয়া যাবে দূর করুন এই ভাবনা। নিজের ভিতরের শক্তিকে বিশ্বাসে পরিণত করুন আর নিজের মতো করে কাজ করুন দেখবেন সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবেই।
নিজের ভুলগুলোকে গ্রহণ করুন, ধীরে ধীরে সেগুলো থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। থেমে না থেকে পুনরায় আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ শুরু করুন। অন্যে কি চিন্তা করবে সেই ধারণাকে দূরে সরিয়ে দিন। সকল ভয় থেকে নিজেকে মুক্ত করুন, দেখবেন আপনি কত সুখী।
প্রথমেই অন্যের প্রশংসার চিন্তা করবেন না। নিজেই নিজের একটা পরিমাপক ঠিক করে নিন কোথায় দেখতে চান নিজেকে সেই জায়গাটায় পৌঁছালে নিজেকে প্রশংসা করুন। নিজের ভালোলাগার জন্য কাজ করুন। দেখবেন নিজের সন্তুষ্টি আপনাকে কি পরিমাণ আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। সেই আত্মবিশ্বাসই আপনাকে একদিন অন্যের প্রশংসা এনে দেবে।
কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করবেন না, দেখবেন আপনি ভারমুক্ত। খোলামনে কাজ করুন, যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। শুরু করুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে। অন্যের সমালোচনাকে অগ্রাহ্য করুন। দেখবেন আপনার জীবন হবে সুখী ও সমৃদ্ধ।

জীবনে আমরা সবচেয়ে বেশি ভয় পাই অন্যের মুখোমুখি হতে। অন্যের চিন্তা করে নিজের অনেক চিন্তা ও ভালোলাগাকে বিসর্জন দেই। আবার কখনো চরম খারাপ লাগাকে মেনে নিই। জীবনে আমরা থমকে যাই যখন চিন্তা করিভালো কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে কিংবা চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ি মুখ দেখাব কি করে! বাইরের সবাই আঙুল তুলে দেখাবে। অন্যের মন্তব্য নিয়ে যে কোনো বয়সের মানুষকেই কঠিন পীড়ায় ভুগতে দেখা যায়।
‘অন্যেরা আমার সম্পর্কে কি ভাবছে’-এই ভয়কে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে।
ধরা যাক,
এক ভদ্রলোক ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং সরকারি উচ্চপদে চাকরিরত ছিলেন। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই তার সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেল যখন তিনি কিছু ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বসেন। এরপর তিনি ব্যবসার চেষ্টা করেন, তাতে সফল হতে না পেরে আবারও বিভিন্ন বেসরকারি চাকরিতে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হতে পারেননি। ফলশ্রুতিতে তিনি পরিবারের সকলের হাসি-ঠাট্টার পাত্রে পরিণত হন। তাকে নিয়ে কথা উঠলে তা চলতেই থাকত। যেন শেষ হতেই চাইত না। ভদ্রলোকের স্ত্রীর অবস্থা তখন আরো করুণ। পারিবারিক কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ দূরে থাক, তারা সব সময় পালিয়ে আত্মরক্ষা করতেন। কিছু কিছু আত্মীয় সব সময় জিজ্ঞাসা করত এখন তাহলে তুমি কি করছ? এভাবে তারা ভদ্রলোকের জীবনকে নরকে পরিণত করলেন। এক পর্যায়ে তিনি তার সব আত্মবিশ্বাসই হারিয়ে ফেললেন। তার মনে হতে লাগল প্রত্যেকটা কাজেই তিনি ভুল করে ফেলছেন। একটা সাধারণ ম্যাচবাক্স কেনার সময়ও অন্যের পরামর্শ কামনা করতেন তিনি।এই ভদ্রলোকের মতো অনেকেই আমরা সমাজের এই বদ্ধ খাঁচার মধ্যে বাস করি।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইচ্ছা করেই নিজের চাওয়া-পাওয়া-ভালোলাগাকে বিসর্জন দেই।
বাস্তবে আমরা সব সময় অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠার চিন্তায় কসরত করে চলছি। এটাই আমাদের অন্যের মতো করে তোলে, সাধারণ করে তোলে আর মিশে যেতে বাধ্য করে জনস্রোতের মধ্যে। অন্যরা কি আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে, নাকি আমি অন্যদের থেকে আলাদা কিছু করে ফেললাম এই চিন্তা সর্বদা আমাদের গ্রাস করে। যাদের আত্মবিশ্বাস কম তারাই এভাবে চিন্তা করে। দুর্ভাগ্যবশত যত আমরা সামাজিক নিয়মের বেড়াজালে নিজের সত্তাকে বন্দি করে ফেলি, সমাজও ততটাই কৃপণতা দেখায় আমাদের কিছু দেয়ার ক্ষেত্রে।
নিজের ধ্বংস বা নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত চক্র থেকে বের হওয়া যায় না।

আরেকটি কাহিনী খেয়াল করুন
২০ বছর বয়সী একটি মেয়ে যার জীবনে নাচ শেখার খুব শখ ছিল। কিন্তু স্বভাবে অন্তর্মুখী হওয়ার লজ্জায় সে নাচের স্কুলে ভর্তি হয়নি। অবশেষে সে নিজেকে বোঝাতে সক্ষম হলো এবং সাহস করে ভর্তি হলো নাচের স্কুলে। প্রথম দিনে সে তালই ঠিকমতো ধরতে পারলো না। অথচ একাকী আয়নার সামনে নাচতে তার কোনো অসুবিধাই হয়নি। সবার সামনে সে নাচতে পারেনি, কারণ তার অবচেতন মনে সে দর্শকদের কথা চিন্তা করছিল। সে কিভাবে নাচবে এই চিন্তা তাকে ভাবিয়ে তোলেনি বরং নাচলে অন্যরা তাকে নিয়ে কি ভাববে সেই চিন্তাই গ্রাস করেছিল।

ওহ্ কি সুন্দর তুমি, তুমি কত ভালো এসব কথা আমরা সর্বদা শুনতে পছন্দ করি। একটু ভালোবাসা, একটু শুভদৃষ্টি একটু প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমরা কতই না ব্যাকুল। বাস্তবতা হলো যখন তুমি অন্যের কাছে কিছু চাইবে তুমি স্বস্তিতে থাকতে পারবে না।

এই অস্বস্তি নিজেকে কখন সুন্দর, সকলের প্রিয় বিত্তশালী দেখতে পারব সেই চিন্তার কারণে। এ কারণে অন্যেরা কি পছন্দ করবে সেই অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করতে থাকি। যখনই অন্যকে খুশি করতে নিজের সত্তাকে হারিয়ে ফেলি তখনই আমাদের স্বাভাবিকতা থাকে না, মন হয়ে ওঠে অশান্ত। দুর্ভাগ্য হচ্ছে আমরা প্রায় সবাই নিজের অজান্তে মনের মধ্যে এরূপ ধারণা নিয়ে জীবন যাপন করি।

অন্যের মতামতকে ভয় করার এই চিরায়ত অভ্যাস প্রতিটি মানুষকেই সিদ্ধান্তহীনতায় ঠেলে দিবে, যা মানুষকে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের মধ্যে ঠেলে দেয়। এটা পরবর্তী জীবনে স্বাস্থ্য ও সুখকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। এটা আমাদেরকে বন্দি করে ফেলে একটি বৃত্তের মধ্যে, যে বৃত্তের মধ্যে সমাজ বা অন্যরা আমাদের দেখতে পছন্দ করে। ফলে আমাদের সত্যিকার সামর্থ্য সারাজীবনই রয়ে যায় শৃঙ্খলিত।

তাহলে আমরা কি পাছে লোকে কিছু বলে এই ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেব? আমাদের নিজেদের সত্তাকে বিলীন করে দেব সমালোচকদের ভয়ে। অবশ্যই না। অন্যের সমালোচনার ভয়ে নিজের ভালোবাসাকে নিশ্চয়ই বিসর্জন দেয়া চলে না।
যদি সমালোচনাকে জীবনে উন্নতির পথে বাধা হিসাবে চিন্তা করি তাহলে উচিত হবে কিভাবে সেই বাধা অতিক্রম করা যায় তার একটা উপায় বের করা।
প্রথমে চিন্তা করতে হবে কি কি কারণে আমরা অন্যের মতামতকে এত গুরুত্ব দিচ্ছি। এই প্রশ্নের একটা উত্তর হলো গুরুত্ব না দিলে তাদের সমালোচনা সহ্য করতে হতে পারে। এ কারণে নিজের মনে এক ধরনের প্রতিরোধের শক্তি দরকার। এই প্রতিরোধ গড়ে না তুললে সারাজীবন এই ভয় থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না। যদি নিজের শক্তিকে অনুভব করতে পারেন, সম্মান করতে পারেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনি আপনার পরিবর্তনও অনুভব করতে শুরু করবেন।
তাই সাহসের সঙ্গে দুঃসময়কে মোকাবিলা করুন।
অন্যকে অনুকরণ না করে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন। প্রকৃতিগতভাবে প্রত্যেকেরই রয়েছে অনেক ভালো গুণাবলি। অন্যের মতো হলে হাততালি পাওয়া যাবে দূর করুন এই ভাবনা। নিজের ভিতরের শক্তিকে বিশ্বাসে পরিণত করুন আর নিজের মতো করে কাজ করুন দেখবেন সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবেই।
নিজের ভুলগুলোকে গ্রহণ করুন, ধীরে ধীরে সেগুলো থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। থেমে না থেকে পুনরায় আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ শুরু করুন। অন্যে কি চিন্তা করবে সেই ধারণাকে দূরে সরিয়ে দিন। সকল ভয় থেকে নিজেকে মুক্ত করুন, দেখবেন আপনি কত সুখী।
প্রথমেই অন্যের প্রশংসার চিন্তা করবেন না। নিজেই নিজের একটা পরিমাপক ঠিক করে নিন কোথায় দেখতে চান নিজেকে সেই জায়গাটায় পৌঁছালে নিজেকে প্রশংসা করুন। নিজের ভালোলাগার জন্য কাজ করুন। দেখবেন নিজের সন্তুষ্টি আপনাকে কি পরিমাণ আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। সেই আত্মবিশ্বাসই আপনাকে একদিন অন্যের প্রশংসা এনে দেবে।
কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করবেন না, দেখবেন আপনি ভারমুক্ত। খোলামনে কাজ করুন, যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। শুরু করুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে। অন্যের সমালোচনাকে অগ্রাহ্য করুন। দেখবেন আপনার জীবন হবে সুখী ও সমৃদ্ধ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:০৮
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×