somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ্যারইভ্যাল............

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাধারনতঃ আমার এয়ারপোর্টে যেতে একদমই ভালো লাগে না...... আর কাউকে বিদায় জানাবার জন্য তো নয়ই......কাউকে নিয়ে আসতে হলে খুব বেশী আপত্তি করি না......কিন্তু নিজের জন্য এয়ারপোর্টে যেতে হলে পুরাই জান ছুটে যায়............চোখের সামনে দেখি সবাই কি খুশী মনে টাটাই দিতাছে........হাসি মুখে প্লেনে উঠতাছে........আপন জনের কাছে থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে বা বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আপনজনের কাছে আসছে.......

আর আমি ছোট্ট একটা ব্যাগ কাধে নিয়ে বিরস মুখে ডমেস্টিক ফ্লাইটের এপাশ ওপাশ ঘুরে বেড়াইতেছি..........আর করুন চোখে দেখতাছি ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট গুলির উড়ে যাওয়া..........

যাই হোক প্লেনে উঠেই এয়ার হোস্টেসের চেহারে দেখেই সিট বেল্ট বেঁধে চোখ বুঝলাম.........বেশিক্ষন না.......মাত্র ১ ঘন্টার জার্নি.....একটু পরেই শুনি বলতাছে সিটবেল্ট বাঁধ প্লেন নামতেছে......কিন্তু মনে হইলো প্লেন নীচের দিকে না যেয়ে উপরের দিকে যাইতেছে.........হালকা কয়েকবার বাম্পও করলো........পরে বাইরের দিকে তাকায় বুঝতে পারলাম বাইরে প্রচন্ড মেঘ তাই পাইলট ভাইজান ঠিক বুঝতে পারতেছে না কি করবো.....প্লেনে বইসাই বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা.........একবার ডানে কাইত হয় আর একবার বামে কাইতে হয়..........

যাই হোক একটু পর পাশে বাইরে তাকায় দেখি রাস্তা দেখা যায়....আবার পাম গাছের সারি.......ভালো করে রাস্তার লোকেশান দেখার চেষ্টা করতেছি যেন পামগাছের উপর পড়লে দৌড়ায় রাস্তায় উঠতে পারি........

যাই হোক আমারে দৌড় দিতে হয় না.........

ব্যাগ টা নিয়ে এ্যারাইভেল গেট পার হতে যেয়ে মনে হলো একটা ফোন করে দেখি তো যদি ভুল কইরা আমারে নিতে আসে....
ফোন করতেই পরিচিত কন্ঠ বলে উঠলো বাসায় চলে আস ..... আমি বাসাতেই আছি........

আবার সুখনা মুখে বাসে উঠে বসলাম........

ছবি গুলি গুগল থেকে নেওয়া......
১৫টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঘোওওল....মাখন.....মাঠায়ায়ায়া.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৬

ঘোওওল....মাখন.....মাঠায়ায়ায়া.....

আমার ছোট বেলায় আমাদের এলাকায় ২/৩ জন লোক বয়সে প্রায় বৃদ্ধ, ঘোল-মাখন বিক্রি করতেন ফেরি করে। তাঁদের পরনে থাকত ময়লা ধুতি মালকোঁচা দেওয়া কিম্বা ময়লা সাদা লুংগী। খালি পা। কখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাঠের আলোচনায় ব্লগারদের বই!

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:২৬

আমার আত্মজরা আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মাঝে যে বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাঝেমাঝে হতাশা প্রকাশ করে! সেটা হচ্ছে আমার খুব অল্পে তুষ্ট হয়ে যাওয়া ( আলাদা ভাবে উল্লেখ করেছে অবশ্যই তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'সহবাসের জন্য আবেদন'...

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৯



রোকেয়া হলে আবাসিক ছাত্রী হিসেবে দীর্ঘ ৭বছর কেটেছে। হলের নানা গল্পের একটা আজ বলি। হলের প্রতিটি কক্ষে ৪টা বেড থাকলেও থাকতে হতো ৫জনকে। মানে রুমের সব থেকে জুনিয়র দুইজনকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য : ঝাড়খন্ডি বাংলা

লিখেছেন গেছো দাদা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২৬

মালদহের ঝাড়খণ্ডী বাংলা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হচ্ছে খোদ শহরেই, যদিও গ্রামাঞ্চলে এখনও টুকটাক চলে ।
এই মিষ্টি ভাষা, রাজশাহীর চাঁপাই নবাবগঞ্জেও চালু এখনও ।
শুধু এই ভাষা কেন, বাংলার কত যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসম ভালোবাসা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ১:৪৮



ক্লাস শেষে বেশ ক্লান্ত লাগছিল সেদিন। । খাওয়া শেষ করে তাই শুয়েছিলাম। এমনিতে দুপুরে শুয়ে থাকা আমার হয় না। দুপুরটা বেশ ঝিমধরা, শান্ত থাকে। সবাই দুুপুরের ভাত ঘুম পছন্দ করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×