বাংলাদেশের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম। ৯০% এর বেশি মানুষ মুসলিম। কাজেই, ৯০% মুসলিমের দেশে গরু জবাই করা স্বাভাবিক ।
বিঃদ্রঃ আমার এই পোস্ট কারো ধর্মীয় অনুভিতিতে আঘাত দেওয়া উদ্দেস্য নয় শুধু ঐসুশীলদের বলা উদ্দেস্য আর যার যার ধর্ম তার রিতি অনুজায়ী পালন করবে তবে খেয়াল রাখা উচিত যাতে অন্য কোন ধর্মের ক্ষতি না হয় ।চেতনাবাজরা দূরে থাকুন যদি এতে কারো চেতনার দণ্ড দাড়াই তাহলে লেখক দায়ী নয় ।

উপরের ছবিটি গত কুরবানীতে ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম তার ফেইসবুক পেইজে দিয়েও সরিয়ে ফেলেছিলো। বলেছিলো- এই ছবির মাধ্যমে নাকি অনেকের (হিন্দুদের) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে।
অপরদিকে, সৌম সরকার ও লিটন দাস কিন্তু প্রথম আলোর মত পত্রিকায় পূজার মডেল হয়েছে। ঢোল হাতে, মূর্তি পেছনে নিয়ে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছে।

এই ছবিটা বাংলার মাটিতে হাজার হিন্দু ধর্মপ্রান মানুষেরা পুজা মন্ডপ নিয়ে মসজিদ-মাদরাসার সামনে দিয়ে ঢোল পিটিয়ে নেচে গেয়ে যায় তখন তোমাদের এই ব্যাপারে চুল্কানি কই যায় ?? আশ্চর্য্যবোধ করি যখন কিছু নামদারী মুসলমানের বাচ্চারা ধর্ম নিয়ে দালালি করে !!!
গতকালের নিউস ঃ ‘বাংলাদেশে আইন করে গরু জবাই বন্ধের দাবি!’হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা।
শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, অনেকে বলে থাকেন যে, বাংলাদেশি হিন্দুদের উপর নির্যাতন শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালের পর। কিন্তু কথাটা ঠিক নয়। বাস্তবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা তথা হিন্দুদের উপর নির্যাতন-নিপীড়ন ও তাদের সম্পত্তি দখলের প্রবণতা শুরু হয় ১৯৭২ সাল থেকেই। সে সময় রমনা কালী মন্দির দখল করে পার্ক বানানো হয়েছিল। সেই মন্দির উদ্ধার করতে ৩০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে গো-হত্যা চলছে এটা মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে আইন করে বাংলাদেশে গরু জবাই বন্ধের দাবি জানান তিনি।
আমার কিছু কথা হয়তো অনেকের চুলকানি উঠিলে তা সারাবার জন্যে কিন্তু আমার কাছে মলম নেই তাই দুরে থাকা বাঞ্চনীয়! "
অথচ পূজাও কিন্তু মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়, কারণ ইসলাম ধর্ম মতে মূর্তি পূজা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই এই 90% মুসলমানদের দেশে অন্য কোন পুজা বা উপাসনা হতে দেওয়া যায় না! !
আসলে ক্রাইসিসটা এক জায়গায় নয়, রাষ্ট্রীয় রূপ ধারণ করেছে। হিন্দুরা এখানে একত্র। গরু জবাই করলে তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হয়, তাই তারা ভারত জুড়ে গরু জবাই নিষিদ্ধ করেছে, করলে ১৪ বছরের জেল দিচ্ছে। বাংলাদেশেও মন্দিরের সামনে গরু জবাই হচ্ছে বলে পুলিশ নিয়ে এসেছে।
অপরদিকে ‘মূর্তি পূজা’ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলেও বাংলাদেশের হিন্দুরা প্রকাশ্যে পূজা করছে। ৯০% মুসলমানদের দেশে পূজার সময় মন্দির থেকে বেরিয়ে আসছে, রাস্তার মধ্যে ৩০ হাজার মণ্ডপ বানিয়ে সারা দেশ অচল করে দিচ্ছে, স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস দখল করছে, অনেক মুসলিমকে পূজায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করাচ্ছে, চাদা তুলছে। এখানে কিন্তু কোন মুসলমানের সমস্যা হয়নি, কোন মিডিয়া চুলকানি সৃষ্টি করেনি, কারো ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত হানেনি। কেউ বলেনি- তোমরা প্রকাশ্যে পূজা করলে আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হয়, মন্দিরে গিয়ে পূজা করো, রাস্তায় নয়।
মোট কথা ......।।
যদি গরু জবাইতে কারো মনে আঘাত করে তাহলে ৯০% মুসলিম সংক্ষ্যা গরিষ্ট দেশে হিন্দুদের পুজার সময় ঢোল বাজনা আর পুজা মন্ডপ নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় র্যালি প্রদর্শন করা এটা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভতিতে আঘাতের সামিল ।কিন্তু কখনো কেহ কি দেখেছেন কন মসজিদের ইমাম সেই পুজা মন্ডপে গিয়ে সেই হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভতিতে আঘাত করেছেন ? না করেন নি কারন তাদের জানা আছে "লাকুম দ্বীনিকুম ওলিইয়াদিন "' ।আর এটা ইসলাম একেবারে নিষেধ করেছে যে ধর্ম গ্রহন করানো বা তাদের কাজে বাধা প্রধান নিষিদ্ধ ,তবে ইসলামি রাষ্ট কায়েম থাকলে অমুসলিমদের উপর আইন প্রয়োগ করা যায় ।কিন্তু বাংলাদেশ তো নামে ইসলামি রাষ্ট এখানে ইসলামি হুকুমাত চলে না ।
ঐ সুশীল মুসলিম নামদারী দালালদের বলতে চায় তোমরা কার ইশারায় এই ৯০% মুসলিম সংক্ষ্যা গরিষ্ট দেশে সাধারন ধর্মীয় কাজে নাক ছিটকানি বা তাদের ধর্মীয় অনুভতিতে আঘাত দাও ??তোমরা যদি এই ব্যাপার নিয়ে চুলকাইতে চাও তাহলে ভারতে প্রকাশ্যে কুরাবানি করতে নিশিদ্ধ করা হল তাহলে সেই নিয়ে কেন তোমাদের কলাম বা টকশো হয় না ?? আর এই বাংলার মাটিতে হাজার হাজার হিন্দু ধর্মপ্রান মানুষেরা পুজা মন্ডপ নিয়ে মসজিদ-মাদরাসার সামনে দিয়ে ঢোল পিটিয়ে নেচে গেয়ে যায় তখন তোমাদের এই ব্যাপারে চুল্কানি কই যায় ?? আশ্চর্য্যবোধ করি যখন কিছু নামদারী মুসলমানের বাচ্চারা ধর্ম নিয়ে দালালি করে !!! জেনে রাখ হে আবাল দালালেরা ইসলাম হল শান্তির ধর্ম , অন্য কোন ধর্মের অনুভতিতে আঘাত করেনা যতক্ষন সেই ধর্ম ইসলামের উপর আঘাত না করে তবে জেনে রাখ ইসলাম আঘাতের প্রতিঘাত করে জবাব স্বরুপ ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




