somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শতো শতো বছর থেকে বাঙ্গালী নারীরা ওড়না পরে, মাথায় ঘোমটা দেয়- হোক সে হিন্দু কি মুসলমান। তবুও এগুলো সার্বজনীন পোষাক !!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
(বি:দ্র: কারো চেতনার দন্ড দাড়ালে লেখক দায়ী নয়)




প্রথম শেণীর বইতে 'ও-তে ওড়না চাই' লেখায় সাম্প্রদায়িকতা হয়ে গেছে। এজন্য বাম-নাস্তিক ও তেলতেলে টাকমাথাদের আপত্তি! সেই আপত্তি আমলে নিয়ে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা পরবর্তী বছর সংশোধনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন! অথচ একই শ্রেণীর একই বইতে 'র-তে রথ টানি' লেখা নিয়ে কোন আপত্তি ওঠেনি!!






সর্বপ্রথম আমি ঐ সুশিল সমাজকে প্রশ্ন করি যদি আপনার মেয়ে বা ফ্যামিলির কাউকে শর্টপ্যান্ট ও সেন্টু গেঞ্জি পরিয়ে রাস্তায় গুরাতে পারেন তবে আপনি বলুন ও তে ওড়না কেন? ?? তাহলে আমার বলার কিছু নাই? ? আর নাপারলে আমার বলার অনেক কিছুই আছে !! শতো শতো বছর থেকে বাঙ্গালী নারী ওড়না পরে, মাথায় ঘোমটা দেয়- হোক সে হিন্দু কি মুসলমান। তবুও এগুলো সার্বজনীন পোষাক না!! সাম্প্রদায়ীক পোষাক!!!
যখনই বিল বোর্ডে কন্ডম ভিবিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন দেয় কোথায় থাকে আপনার চেতনা? প্রথম আলোর তথ্য মতে দেশের
যৌনপল্লীর ৬০-৯০ ভাগ যৌনকর্মী
১০-১৬ বছর বয়সী ; অর্থাৎ শিশু। অথচ এ
বিষয়ে কারো মুখে কোন আওয়াজ চু চেরা নেই। কিন্তু
১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়ের
বিয়ে হলে সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী,
রাজনীতিক , নারীনেত্রীদের টাক মাথা তেল তেলা হয়ে যায় বলি কিরে তখন আসে কথা কোথা হতে ??
ই কোচিং এর লোকেরা চাদপুরে হিজাবদারী মেয়েদের যখন অযাচক আশ্রমে নিয়ে গেল তখন কই ছিল এই ন্যাড়া মাথার বুদ্ধিজীবীরা ?? যদি উল্টো এই কাজগুলি মুসলিম করত তাহলে বেল মাথায় চুল গজিয়ে এতক্ষণ পাকনা ধরে ঝরে পড়ত! !
নারীর স্বাধীনতা আসলেই কি স্বাধীনতা??শেয়ালেরা চায় সব মুরগীর স্বাধীনতা , প্রশ্ন করুন নিজের বিবেক কে!
আশ্চর্য!কি বিকৃত তাদের চিন্তাধারা!
আশ্চর্য! যারা নগ্ন শরীর দেখিয়ে যুবক-যু্বতীদের নৈতিক চরিত্র ধ্বংস করে দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হতে উৎসাহ দেয়, যাদের উলঙ্গপনা দেখেই যুবসমাজ নানা রকম সহিংসতা, নির্যাতন ও এসিড সন্ত্রাসে লিপ্ত হয়, যাদের কারণে নারী এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়, তারাই নাকি সেই এসিডদগ্ধ নারীকে সাহায্য করবে তাদের সেই নগ্ন শরীর দেখিয়ে! অর্থাৎ নগ্ন শরীর দেখিয়ে প্রথমে নারীকে এসিডে দগ্ধ করার ব্যবস্থা করা হবে, আবার সেই নগ্ন শরীর দেখিয়ে এসিডদগ্ধ নারীকে সাহায্য করা হবে...! কি বিকৃত তাদের চিন্তাধারা!
আসলে বিগত কয়েক বছর ধরে পাঠ্যপুস্তকে যেভাবে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি যোগ করা হয়েছে তার বিরোদ্ধে যুগপৎ গন আন্দোলনের প্রয়োজন ছিল। তা না হওয়াতে আজ ওদের সাহস এতদুর গিয়ে ঠেকেছে যে এখন 'ওড়না' শব্দ নিয়েও আপত্তি তোলে!
আজ এই নরপিশাচ টাকমাথার কুবুদ্ধিজীবিদের কারনেই আর সে যখন নিজের ঘরে নিজের জন্য, স্বামী ও সন্তানের জন্য, পিতামাতার জন্য খাবার রান্না করে তখন সেটা হয় "পরাধীনতা"।
এই অদ্ভূত দর্শনের কারণে নারী আজ পণ্যে পরিণত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বাড়ানোর এক অসাধারণ মাধ্যম এক শ্রেণীর দেহ প্রদর্শনকারী নারী সমাজ।
এই নারীবাদি সমাজে নারীরা যেন পণ্যের মোড়কে পরিণত হয়ে গেছে। পণ্যের বিক্রি বাড়াতে যেমন আকর্ষণীয় মোড়ক ব্যবহার করা হয় তেমনি পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে নারীর আকর্ষণীয় শরীরকে।
তাই এই জগতের শিল্পচর্চার সবচেয়ে বড় অংশটা একটা কেন্দ্রে এসে থমকে দাঁড়িয়েছে আর তা হল "নারীর শরীর"।
নারীর শরীরের উপর গবেষণা চলছে প্রতিনিয়ত, তাকে আরো কত আবেদনময়ী করে তোলা যায়।পরিশেষে এই নারীকে ব্যবহার করে বণিক শ্রেণী হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি অর্থ। কেউ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে,কেউ নাটকে,কেউ সিনেমায়--একেকজনএকেক কৌশলে। ফলে নারী হারাচ্ছে সম্ভ্রম আর সমাজ হারাচ্ছে ভারসাম্যপূর্ণ যুবসমাজ। পাশাপাশি উপহার হিসেবে সমাজকে দিচ্ছে মাদক, ধর্ষন,হতাশা, আত্মহত্যা ইত্যাদি।
আর ধূর্ত বণিক সমাজ এই দেহ প্রদর্শনীর নাম দিয়েছে "নারী স্বাধীনতা"
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০৫
১৪টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×