পঁ্যাচালটা শুরু হয় আজ থেকে সাড়ে চার হাজার বছর আগে, 2600 খৃস্টপূর্বাব্দে, মিশরে। তখনকার পাবলিকরা এখনকার মতো এতো এতো সর্বজ্ঞানী ছিল না। আর সবসময়ই কিছু দুষ্টলোক থাকে যারা একটা ভজঘট না বাধাতে পারলে শান্তিতে থাকতে পারে না। তো এরকম কিছু দুষ্টলোক গিজার গ্রেট পিরামিড তৈরীর সময়ে তাতে ফাই এর সাথে সম্পর্কিত কিছু অনুপাত ঢুকিয়ে দিলো।
Click This Link)
পাগল সবদেশেই থাকে। প্রাচীন গ্রীক দেশের ইউক্লিড নামে এক লোক (সে নিজেকে নাকি অংকবিদ বলে দাবী করতো) Golden Ratio বলে একটা অনুপাতের ধোয়া তুলেছিল যার মান ছিল বর্তমার ফাই এর সমান Euclid name it "extreme and mean ratio" in Book VI of Elements। প্রাচীন গ্রীকরা বিশ্বাস করতো পাশাপাশি রাখা দুটো বস্তুর অনুপাত ফাই এর সমান হলে তা চোখের দৃষ্টির সাথে সুষম এক সমতা তৈরী করে যাতে তা দৃষ্টিনন্দন হিসেবে গণ্য হয়। তখন থেকেই নান্দনিক সৌন্দর্য্য সম্পন্ন বিলডিং তৈরীর জন্যে ফাই অনুপাত ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়
Click This Link ।
প্রানী কোষের DNA স্ট্রাকচারের মাঝেও খুজে পাওয়া যায় ফাইয়ের উপস্থিতি। DNA র ডাবল হেলিক্স এর প্রতিটি সাইকেল এর প্রস্থ ও দৈঘর্্য যথাক্রমে 21 ও 34 অ্যাংস্ট্রম। যার অনুপাত ফাইয়ের মানের কাছাকাছি।
আসলে ফাই মোটেই কোন রহস্যময় বা অলৌকিক সংখ্যা নয়। এটা কোন ফিকশনও নয় তবে ফ্যাক্ট।
বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানে অনার্সধারী যে কোন ছাত্র ফিবোনাক্কি (Fibonacci, উচ্চারন নিয়ে মতভেদ আছে) রাশি সম্পর্কে ওয়াকেবহাল। রাশিটি এরকম -
1,1,2,3,5,8,13,21,..............
এ রাশির প্রতিটি সংখ্যা (প্রথম দুটি বাদে) তার আগের দুটো সংখ্যার যোগফলের সমান।
পৃথিবীতে প্রচুর বৃক্ষ রয়েছে যাদের পাতা, ফুল, ফল ও ফলের বীজের বিন্যাসে ফিবোনাক্কি রাশির উপস্থিতি দেখা যায়। যেমন সূর্যমুখী ও ডালিয়া। সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা যায় ফিবো নাক্কি সিকোয়েনস অনুযায়ী সাজালে অল্প জায়গায় কমপ্যাক্ট করে বেশী পরিমানে বস্তু রাখা সম্ভব। তাই হয়তো প্রকৃতির এ পক্ষপাতিত্বও বিবর্তন(!)।এ ব্যাপারে নীচের লিংকে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে-
Click This Link
Click This Link
এই ফিবোনাক্কি রাশির পাশাপাশি দুটো সংখ্যার অনুপাত ধীরে ধীরে ফাই এর দিকে কনভার্জ করে। যতই বড় সংখ্যার অনুপাত নেওয়া হবে ততই তা ফাইয়ের কাছাকাছি হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০০৬ বিকাল ৫:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



