এ দন্দ্ব ঝরিয়েছে অনেক রক্ত, কেড়ে নিয়েছে আনেক প্রান। কিন্তু কোন সমাধান দিতে পারেনি। অথচ এ সংঘাতটা যে বিষয়টা নিয়ে তার সাথে পবিত্র কোরআনের কোন বিরোধ নেই। এ সংঘাত মূলত তৈরী হয়েছে পছন্দনীয় কিছুব্যক্তিত্বকে ইতিহাসের পাতায় উচ্চস্থান দেবার মানসে।
যেহেতু শিয়া সুন্নী আদর্শ গত বিরোধ কোরআনকে স্পর্শ করেনি তাই এ ব্যাপারে আপাতত কিছু বলতে চাচ্ছি না।
এবার অন্য একটি ব্যাপারে আলোকপাত করতে চাই- শিয়া সুন্নী , এই মুসলিম জনগোষ্ঠীদের মাঝে সংঘাতের পেছনে সবসময়ই কলকাঠি নেড়েছে একদল মোনাফেক। যাদের কথা হযরত (সাঃ) তো বলেছেনই এমনকি আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনেও পরিষ্কার ভাবে বলে াদিয়েছেন এবং এদের ব্যাপারে সদা সতর্ক থাকার কথা বলেছেন ।
দেখুন পবিত্র কোরআনের বানীঃ
(সুরা বাকারাঃ 8-14) আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ তারা আদৌ ঈমানদার নয়। তারা আল্লাহ ও ঈমানদারগনকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতি তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না। তাদের অন্তঃকরন ব্যাধিগ্রস্থ আর আল্লাহ তাদের ব্যাধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্যে রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন। আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি। মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলদ্ধি করে না।.................আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথেই রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্র।
দেখুন-http://quraanshareef.org/index.php?arabic=&&sid=2&&ano=286&&st=0
শিয়া-সুন্নী বিরোধের ইতিহাসের দিকে (যেমন ইরাক-ইরান যুদ্ধ, হযরত মুহম্মদ (সাঃ) ইন্তেকাল পরবর্তী অবস্থা) তাকালে অনুধাবন করা যায় কেন আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এই ব্যাপারে আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন।
তাই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে তাদের ব্যাপারে যারা শিয়া সুন্নী মতদর্শ বিরোধ নিয়ে নতুন করে দাঙ্গা-হাঙ্গামা তৈরী করতে চায়। তা সে বুঝেই করুক আর না বুঝেই করুক। নাহলে তৈরী হবে মোনাফেকদের জন্যে আরেকটি সাকসেসফুল স্টোরি......
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০০৬ ভোর ৪:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



