‘...রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে , শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে। ফুটিল মালতী ফুল সৌরভ ছুটিল , পরিমল লোভে অলি আসিয়া জুটিল...উঠ শিশু মুখ ধোও পর নিজ বেশ , আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ।’
হায়! মদনমোহন তর্কালঙ্কারের এ কবিতা শৈশবে কতো ভালো লাগতো। মায়ের কণ্ঠে এর অপূর্ব পাঠের কথা মনে হলে আমি আর কান্না চেপে রাখতে পারি না। এই এখনও যেমন আমার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে স্বচ্ছ তপ্ত জল।
আমার মা কখনোই বিশ্রাম নেননি। কখনোই বিশ্রামে ছিলেন না। এখন বিশ্রাম নিচ্ছেন মৃত্যুবরণের পর। মায়ের কথা একটুও মনে করতে চাই না। তবু কখনো কখনো মনে পড়েই যায়। আর মনে পড়ে গেলেই প্রবাল পাথরে আমার এ বুক যেন ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। মা যেন আজ আগুন। মায়ের মুখটা একটু মনে হলেই আগুনে সেঁকা জীবন্ত এক মানুষ হয়ে যাই আমি। তাই মাকে নিয়ে কখনো আর লেখাও হয়না আমার।
কিন্তু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ঐ কবিতার মালতী ফুলের কথা কেউ বললেই মায়ের কথা খুব মনে পড়ে যায় আমার। ‘...রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে , শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে। ফুটিল মালতী ফুল-ফুটিল মালতী ফুল-ফুটিল মালতী ফুল-ফুটিল মালতী ফুল- ফুটিল মালতী ফুল-ফুটিল মালতী ফুল...সৌরভ ছুটিল , পরিমল লোভে অলি আসিয়া জুটিল...উঠ শিশু মুখ ধোও পর নিজ বেশ , আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ।’
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




