মুহিব উচ্চশিক্ষিত বেকার।শিক্ষা জীবনের প্রথমে চাকরি নিয়ে উচ্চাশা ছিল।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে চাকরি না পাবার সময় যেমন বেড়েছে।তেমনি হতাশা ও জড়ো হয়েছে।এখন চাকরি হবে না এই ধারনা মনের ভিতর জায়গা করে নিয়েছে।বছর দিয়েক বেকার জীবনে চেনা জানা পরিবেশের অনেক পরিবর্তন দেখেছে।যে সব বন্ধুদের জন্য একসময় জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত ছিলো।তারা এখন দেখা হলে ও দায়সারা কথা বার্তা বলে এড়িয়ে যায়।বেকার বন্ধু কখন কি চেয়ে বসে এই ভাবনা থেকে তারা যোগাযোগ রাখে না।
তনিমা নামে ভীষণ রুপবতী মেয়ে কে ভালবাসত,
মুঠোফোনে জোছনা ভরা গভীর রাতে একদিন বলেছিল তুমি পাশে থাকলে গোলপাতা ঘরে পান্থা ভাত খেয়ে কাটিয়ে দেব এক জনম।সেই তনিমা বেকার জীবনে ধের্য্যহারা হয়ে বিদেশ ফেরত টাকাওয়ালা এক মানুষ কে বিয়ে করে দূর পরবাসে বেশ সুখে আছে। অজস্র স্নৃতির জালে বন্দী করে রেখে চলে গেছে তনিমা।সে এখন মিথ্যা ভালোবাসা ফেরি করে দূর পরবাসে অন্য মানুষের বুকে মাথা রেখে রাএিযাপন করে।
মা-বাবা ও ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া বোন কে নিয়ে পরিবার।বাবার পেনশনের টাকায় কোন ভাবে চলে যাচ্ছে সংসার।মুহিব সিন্দাবাদের ভূতের মত চেপে বসে আছে। পরিবারে কাছে সে জলন্ত একটা বুঝা, সেটা হাব ভাবে বুঝে নিয়েছে।আগের মত কোমল সুরে কথা বলে না মা, বাবা বিরক্ত চোখে তাকিয়ে থাকে।বেকার ভাই এর কাছে কোন আবদার করে না বোনটি। সবই বুঝে ও, নিরত্তপ সময় কাটিয়ে দেয়। চারপাশে এই রকম অজস্র মুহিবের মত সপ্নবাজ তরুণ বেকারত্বের অভিশাপে নিংশেষ হয়ে যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




