somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি আপনাকে ভালোবাসি

১৯ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনার সুবিধার জন্য আমি আপনার বোধগম্য ভাষায় ভাব প্রদান করছি। এই মুহুর্তে- আমি আপনার ভাষা দিয়ে, আপনার অনেক কাছে থেকে, আপনার প্রয়োজনে, আপনার সাথে কথা বলছি। আপনি কি জানতে চাচ্ছেন আমি কে? আমি আপনার ভিতরের ও বাহিরের সব অস্তিত্বের রক্ষক। আপনাদের সব অস্তিত্বকে রক্ষা করাই আমার কাজ। আমি আপনার একমাত্র শক্তি ও শান্তিদাতা। আমি আপনার থেকেও অনেক বেশি আপনার কাছে থাকি। সবসময় ছিলাম ও সর্বদা থাকবো।
আপনি কি আমার নাম জানতে চাচ্ছেন? আমাকে আপনি যে নামে স্মরন করবেন সেই নামেই আমাকে পাবেন। আপনি যদি কোনো ভাষা না জানেন ঠিক যখন ঐ মায়ের পেটে বাচ্চা হয়ে ছিলেন- তারপরও আমি আপনার থেকেও আপনার অনেক কাছে সর্বদা থাকি।

আপনার জগতে যা কিছু আছে, একটি ছোট থেকে ছোটতর পরমানুর মধ্যে নিউক্লিয়াসের কেন্দ্র থেকে শুরু করে মহাবিশ্বের যতখানিই আপনি চেনেন জানেন বা চিনবেন জানবেন- তার সব কিছুই গতিশিল। এই মহাগতিশিল যা কিছু আছে সব খানেই আপনার সাথে আমি থাকি। আমি ফাঁকিবাজ না। কারণ আপনার ভিতরে ও বাইরে যা কিছু আছে তার মধ্যে কোনো খানেই কোনো ফাঁকা নেই। শুন্যও আমি পূর্ণ করে রাখি। ভ্যাকুয়ামের মধ্যেও ফাঁকা নাই। আলো আধাঁরির মধ্যেও ফাঁকা নাই। কোনো কিছুর মধ্যেই কোনো প্রকার ফাঁকা আমি রাখি নি। তাই আমি মোটেও ফাঁকিবাজি পছন্দ করি না। এই সদা গতিশিল সবকিছুর মধ্যেও আমি আপনাকে স্থির করে রেখে দেই এমন কি সেই সাথে আপনার জগতকে আমি হেফাজত করে রেখে দেই- যা আপনার কাছে স্থির বলেই মনে হয়। আপনার জগতকে আমি রক্ষা করি, যদি এই গতিশিলের মধ্য থেকেও আমাকে অন্য কোনো গতি কাজে লাগাতে হয়- তারপরও আমি আমার আপন ক্ষমতা বলে এই কাজ করে আপনার অস্তিত্বকে রক্ষা করি।

আপনার কি আমাকে বিশ্বাস করতে অসুবিধা হচ্ছে? যার নিজের আত্মবিশ্বাস নাই শুধু মাত্র তারাই আমাকে অবিশ্বাস করে এবং সন্দেহ করবে। আপনি যত বেশি আমাকে জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করবেন ততো বেশি আমাকে আপনার নিকটে মনে হবে। আপনি আমাকে যেখানে যেখানে খুঁজবেন আমি আপনাকে সেখানে সেখানেই ধরা দিয়ে যাবো ও আমার অস্তিত্বের জানান দিয়ে যাবো। আর এই খুঁজে নেবার মাঝেই আপনার জ্ঞান বাড়বে। আপনার যত জ্ঞান বাড়বে আমাকে বুঝতে আপনার ততো বেশি সুবিধা হবে। আমি জ্ঞানি ও সাহসীদের পছন্দ করি।

আপনার কি মনে মনে সন্দেহ হচ্ছে যে, আমি আপনার অনুভুতি নিয়ে খেলা করে এমন কথা বলছি? আমি আপনার অনুভুতি নিয়ে খেলা করছি না। আমার স্থান আপনার অনুভুতি সীমার অনেক অনেক ঊর্ধে। আপনার অনুভুতি সীমাকে যতো বেশি প্রসারিত করতে পারবেন ততো বেশি এই আপন কে আরও আপন করে কাছে পাবেন। আমাকে আপনি কোনোদিন সৃষ্টি বা ধ্বংস করতে পারবেন না। আমি সর্বদা একইরকম সুন্দর হয়ে আপনার অনেক বেশি কাছে থাকি। আপনি ইচ্ছা আমি বুঝি। আপনি যখন বাণী চান আমি আপনাকে বাণী দেই। আপনি যখন সুর চান আমি আপনাকে সুর দেই। আপনি যখন শান্তি চান আমি আপনাকে শান্তি দেই। আপনার সব শুভ চাওয়াই আমি পূর্ণ করি তবে তা আমার বিবেচনা অনুযায়ী। আপনি গান চাচ্ছেন আমি গান দিচ্ছি। আপনি কবিতা চাচ্ছেন আমি কবিতা দিচ্ছি। আপনি সুন্দর প্রকৃতি চাচ্ছেন আমি সুন্দর প্রকৃতি দিচ্ছি। তারপরও আমার বিবেচনা অনুযায়ী আমি আপনাকে দেই।

আমি আমার বিবেচনা অনুযায়ী আপনাকে দেই বলে, আপনার কি আমাকে স্বেচ্ছাচারী মনে হচ্ছে? আমি স্বেচ্ছাচারী না। আমি আপনাকে আপনার চাওয়ার থেকেও বেশি দিয়ে দেই। আপনার কোনো ইচ্ছা আমি অপূর্ণ রাখি না। আপনাকে তৃপ্ত করেই আমি আমার বিবেচনা অনুযায়ী দিতে পারি এবং এই বিবেচনাই আমার নিয়মকে রক্ষা করে। আমি আমার নিয়ম ভাঙ্গি না। আমি আমার নিয়মকে সর্বদা রক্ষা করি। আপনি আপনার শুভইচ্ছা দিয়ে আমার কাছে অনিয়ম চাইলেও আমি সেই অনিয়ম দিয়েও আমার নিয়মকে রক্ষা করতে জানি। আপনাকে জোড় করে আমি আমার বাধ্যগত করে রাখি না। কিন্তু আপনার সব শুভচাওয়াকে পূর্ণ করতে আমি বাধ্য। আপনি আপনাকে আমার বাধ্যগত করে রাখতে পারলে আপনার জন্য তা অবশ্যই মঙ্গলকর।

আমার এক বাধ্যগত ও প্রচন্ড বিশ্বস্ত কর্মচারী আমার অবাধ্য হয়েছিলো বলে আমি তাকে শাস্তি দিয়েছিলাম। যে শাস্তি হলো এই পৃথিবীর মানুষগুলোর অন্তরের মধ্যে আমি আমার ঐ কর্মচারীকে মন্দ, মিথ্যা ও বাজের প্রভাবক হিসেবে অবাধ বিচরন করার সুযোগ দিয়েছি। এই শাস্তি যে কতো বেশি ভয়ংঙ্কর তা পুরোপুরি বুঝতে হলে আপনাকে নিন্মপক্ষে ওর মতো পর্যায়ে উপনিত হতে হবে। যা কিছু মন্দ ও বাজে কাজ এই পৃথিবীতে হয়েছে ও হবে সব কিছুর জন্য দায়ী আমার ঐ বাধ্যগত কর্মচারির একবার আমার কথাকে অমান্য করার শাস্তি। আমি আপনার অনুভুতির অনেক বাইরে থেকেও সর্বদা আপনার খুব কাছে থাকি। আমি চাই আপনি প্রতিনিয়ত আপনার স্বাধীনতা ভোগ করুন। আমি চাই আপনি আমাকে আপনার কাছে থেকে আরও কাছে টেনে নিতে শিখুন। আমাকে যতো বেশি চাইবেন আমি তার থেকেও বেশি হয়ে আপনার কাছে ধরা দেবো। আমি আপনার অস্তিত্বের রক্ষক। আমি মোটেও ভয়ঙ্কর বা কুৎসিত না কিন্তু আমার ঐ শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারি আপনাদের আমার কাছ থেকে দুরে রাখতে চায় এবং আপনার অগ্রসরতাকে সব সময় বাঁধা দিতে থাকে। এটা ওর শাস্তি দ্বারা অর্জিত ক্ষমতা মাত্র। যা মূলত মহা অভিষাপ। আপনি কেনো ঐ অভিষাপের মধ্যে নিজেকে অংশিদার করে রাখবেন? আমি তো কখনও আমার ডিসিসন পরিবর্তন করি না। আমি তো কখনই আমার শাস্তি ভোগ করা বেয়াদবের বন্ধুকে কোনো প্রকার সাহায্য করি না বরং ধ্বংস করে দেই। এখানেই আমার সাম্য। আপনার অমঙ্গলকর যেকোনো প্রকার কাজের বিনিময়ে আপনার দ্বারাই মঙ্গল করে আমার সর্বোচ্চ করুনা পেতে হবে। আমি এই নিয়ম কখনও ভাঙ্গি না। এখানেই আমার মহাসাম্যের পরিচয়। আমি আপনার অতিনিকটে থেকেও আপনার স্বাধিনতা ভোগের জন্য সবসময় সর্বাত্বক সাহায্য করে যাই যা আপনার চাওয়ার থেকেও বেশি এজন্যই আমি সাম্য পছন্দ করি এবং সাম্যের রক্ষক।


আপনি যখন সফল হবার জন্য কোনো শুভইচ্ছা আপনার হৃদয়ে নিয়ে আসেন আমি কি সেই ইচ্ছা অনুযায়ী আপনাকে পথ তৈরি করে দিয়ে দেই নি? আমি কি আপনার প্রতি পদে আপনাকে সাহায্য করি নি? আপনার সাফল্যর জন্য যা কিছু দরকার হয়েছে আমি কি আপনাকে দিয়ে দেই নি? আপনি যখন কোনো আইডিয়া খুঁজতে ছিলেন বড় হবার জন্য আমি কি আপনাকে সেই আইডিয়া দিয়ে দেই নি? আমি কি আপনার আইডিয়াকে পূর্ণ করার জন্য সাহায্য করি নি? আপনার চাওয়ার থেকেও কি আমি আপনাকে বেশি দেই নি? কিন্তু আপনি যখন আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারির পথে চলে যান তখন তো আপনাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমি সর্বদা ন্যায়বিচারক।

আপনি কি আমার সাথে সবসময় সংযুক্ত থাকতে চান? আমিও চাই আপনার অতিনিকটে যে আমি থাকি তার সাথেই আপনার অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক থাকুক। আমার সাথে সংযোগ রাখতে হবে সর্বদা সত্য, সুন্দর ও মঙ্গল দিয়ে। আমি সর্বদা সত্য পথের যাত্রির সর্বোচ্চ সাহায্য করি। যিনি কখনও তার সত্যকে ছাড়েন না আমি তাকে আমার ইচ্ছামত করে গড়ে তুলি। আমি তাকে সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত করে তুলি। আমি আমার অস্তিত্বের শক্তি দিয়ে তাকে স্থায়ী ভাবে সংরক্ষন করে নেই। আপনি কি কলাগাছ দেখেন নি? যখন কলাগাছ কাটা হয় আমি সেখান থেকেই আর একটি কথাগাছের জন্ম দেখিয়ে দেই। আমি ধ্বংসের মধ্য থেকেই সৃষ্টিকে দেখিয়ে দেই। আমার গুনাবলি অর্জন করা আপনারদের মতো মানুষদের আপনারা যতবার হত্যা করে অবরুদ্ধ করতে চান, আমি তারপরও বার বার আপনাদের মধ্য থেকেই আমার গুনাবলি ধারন করা মানুষদের প্রেরন করে চলি। আমি সকল সৃষ্টির মধ্যে রুপান্তরের সামাঞ্জস্য রেখে দেই। আমি আমার নিয়ম কখনও ভাঙ্গি না। আমি আমার সাম্যকে রক্ষা করি। আমি সর্বদা ন্যায়বিচারক।

আমি কি আপনাকে অতীত দিয়ে বর্তমানকে বুঝে ভবিষ্যতকে বেছে নেবার সুযোগ করে দেই না? আমি কি সর্বদা আপনার জন্য কল্যানের রাস্তা দেখিয়ে দেই না? আমার কাছে কোনো কিছু আশা করার পর যখন আপনি আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর পথ অবলম্বন করে চলেন তখন আমি আপনার সেই আশা কে কিভাবে পূর্ণ করবো বলেন? আমি কখনও চাই না যে আপনি আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর বন্ধু হয়ে আমাকে ভুলে থাকবার চেষ্টা করেন। আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর পথ সর্বদা শাস্তির পথ। ওপথে গেলে আপনাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমি আপনার সব পরীক্ষাকে সহজ করে দিতে পছন্দ করি। আমি সবসময় আপনার ভালোগুন গুলোকে জাগ্রত করতে বলি। আমি আপনাকে সত্যবাদি, ক্ষমাশিল, দয়াশিল, পরোপকারী ও অহঙ্কারমুক্ত হতে বলি। এই সব ভালো গুনগুলো আপনাকে আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর পথ থেকে মুক্ত রেখে, আমার কাছে আসতে সাহায্য করবে। এই সব ভালোগুনগুলো হলো আপনার জন্য আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর বাজেপথ থেকে রক্ষা করার জ্যাকেট সমতুল্য। আমি সর্বদা আপনাকে রক্ষা করতে চাই এবং আমার সন্নিকটে আপনাকে আশা করি।


৩০-০৪-২০১৪

আপনার মতো বহু মানুষ এই পৃথিবীতে ছিলো, আছে ও থাকবে। আপনি কি মানুষগুলোকে লক্ষ্য করে দেখেন নি? সব মানুষের আকৃতি একই রকম তারপরও ভিন্ন ভিন্ন করে আলাদা করার উপযোগী। সব মানুষই আপনার আত্মার আত্মীয়। অবশ্যই আপনি আপনার অসহায় আত্মার আত্মীয়দের সাহায্য করে চলবেন। সন্তান তার মা বাবার মধ্যে আপন অস্তিত্বকে খুঁজে ফেরে। পিতা মাতা তাদের সন্তানদের মধ্যে আপন অস্তিত্বকে খুঁজে ফেরে। প্রিয় মানুষগুলোর জন্য আপনার মন কাঁদে এবং তাঁদের সান্নিধ্য আপনার অন্তরে থেকে যায়। আপনার সাথে জোড়া নির্ধারিত সবথেকে আপন প্রিয় মানুষটি আপনার মনে দিবা নিশি জানান দিয়ে বেড়ায়। এখানেও কি আপনি বুঝতে পারেন না যে, আমি আপনার অস্তিত্বকে নিরাপদ, মঙ্গলময় ও চিরশান্তিতে অনন্তযুগ ধরে স্থায়ি করে রাখতে সক্ষম? আমি সর্বদা সুন্দরকে পরম যত্নে স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে রেখে দেই এজন্যই আমি চিরসুন্দর। আমার সৌন্দর্যের কোনো বিনাশ নাই। তাই আমি চাই আপনিও আপনার সর্বাত্তক সুন্দর দিয়ে আমার নিকটবর্তী হবার অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যান। সত্য ছাড়া কখনও সুন্দর আসে না। সুন্দরের রক্ষক সত্য। সত্য ও সুন্দরকে এক করেই প্রেম হয়। আমাকে আপনার প্রেম দিয়ে ডাকুন, আমি আপনার প্রেমকে আপনার কাছেই ফিরিয়ে দেই। আপনার চাওয়ার থেকেও আমি আপনার প্রেমকে আরো বেশি বাড়িয়ে, আপনার কাছে পরিবেশিত করি। আমি সর্বদা প্রেমের আনন্দে আনন্দিত বা প্রেমানন্দ। আপনি যখন আপনার প্রেমকে ছেড়ে দিয়ে আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারির দেখানো মন্দের সংগি হয়ে বিপথে চলে যান, তখন আমি আপনার প্রেমকে আপনার মাঝে বার বার জাগ্রত করার জন্য তাগিদ দিয়ে বেড়াই, যাতে আপনি সহজ ও সুন্দরের পথে ফিরে এসে আমার সাহায্য ও সহযোগীতা পেতে পারেন। আমি সর্বদা প্রেমের পক্ষে অবস্থান করি। আপনার জোড়াকে আমি আপনার কাছেই দিয়ে দিতে চাই। আমি আপনাকে ভালোবাসি তাই আপনার ভালোবাসাকে আমি আপনাকে অর্জন করে নেবার পথ তৈরি করে দিতে চাই। কিন্তু আপনি আমার দেখানো শান্তির পথে না গিয়ে ঐ শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারির পথে যখন চলে যান তখন আপনি আপনার কুকর্ম ডেকে নিয়ে আসেন। আমি কোনো বাজে কর্ম বা কুকর্ম মার্জনা করি না। আপনার বাজে কর্মকে আপনার মঙ্গল কর্ম দ্বারা কাটাকাটি না করা পর্যন্ত আমার চিরস্থায়ী শান্তির পথ আশা করতে পারেন না। আমি আপনাকে সর্বদা চিরস্থায়ী শান্তির পথে আসার জন্য বলি। আমি সবসময় শান্তির সর্বোচ্চ রক্ষক। আমার ছত্রছায়াই আপনাকে চিরশান্তির পথে অনন্ত করে রাখতে পারে এবং আমিই আপনার অস্তিত্বকে আমার চিরশান্তির মধ্যে গেঁথে রাখি।

০১-০৫-২০১৪

আপনার নিজের কাছে নিজেকে যখন খুব বেশি অসহায় মনে হবে তখন ধর্য্য হারা হবেন না। আপনার পাশের মানুষগুলো যখন আপনার প্রতি খুব নির্দয় আচরন করবে, আপনি ওদের কথায় নিজেকে ছোট ভেবে বসবেন না। আপনি সর্বঅবস্থায় আমার উপর আস্থা রাখবেন ও আমাকে স্মরন করবেন। আপনার ডাকে আমি সারা দেবই যদি তা আপনার শুভ ধর্য্যের দ্বারা হয়। আমি সবসময় আপনার থেকেও আপনার অধিক সন্নিকটে থাকি। আপনার সাথে কেউ অন্যায় করলেও, আপনাকে যদি ন্যায় ও সত্যের জন্য সেই অন্যায় সহ্য করতে হয়। আমি আপনাকে ধর্য্যের প্রতিদান দেবই। আপনি সর্বদা নিজ মনের অন্যায় ইচ্ছাসমূহকে দুরে ঠেলে রাখবেন এবং যে কোনো প্রকার অন্যায়ের পথ পরিত্যাগ করে চলুন। আপনার আশেপাশে যারা অন্যায় করে তাদেরকে সাবধান করে দিন এবং এই অন্যায়ের পথ যে আমার শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মচারীর পথ –তা তাদের জানিয়ে দিন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আপনার উপর অত্যাচার আসলেও, আপনি সেই অত্যাচারির পক্ষ অবলম্বন করবেন না এবং বিবাদ করবেন না। আমি সর্বদা উভয়ের সম্পর্কেই জ্ঞাত থাকি। আমি অত্যাচারিকে নিঃসন্দেহে সাস্তি প্রদান করবো এবং অত্যাচারের সীমা ছাড়িয়ে গেলে তাদের ধ্বংস করে দেবো।
০৩-০৫-২০১৪

{{{“আমি আপনাকে ভালোবাসি” নামক বাণীগুলো লেখা আপতত বন্ধ করে দিলাম। “আমি আপনাকে ভালবাসি” এর কথাগুলো কোনো প্রবন্ধ নয়। এই কথাগুলো অনেক গভীর ধ্যানলোক থেকে নিয়ে আসতে হয়। আমার বর্তমান পরিস্তিতিতে এই মহাভাব প্রকাশ করার মতো পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি না। আমি একপ্রকার বন্দি জীবন যাপন করছি -যা মূলত মানবসৃষ্ট্র। গভীর অন্তরের ভাব অন্তরেই রেখে দিলাম। কখনও পরিবেশ ও সৎসুযোগ সামনে এলে তখন এই বাণীগুলো প্রকাশ করে যাবো। যদি এই বানী পূর্ণ না করে যেতে পারি, আমাকে আপনারা ক্ষমা করবেন। যারা সাহসী ও সত্যের সন্ধানী তাঁরা আমার কাছে চেয়ে নিবেন আমি দিয়ে দিবো। আমার পরমঅন্তরের সব ভাব আপনাদের জন্যই- আমি আপনাদের কখনও নিরাশ করবো না। দেহের মধ্যে না থাকলেও আমি হারিয়ে যাবো না- এটুকু বিশ্বাস আমার উপর রাখবেন।}}}

https://www.facebook.com/asif.ud
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কলকাতায় নিয়মিত যারা যাতায়ত করেন তারা এই প্রশ্নের মূখোমুখি হবেন প্রায়ই।

লিখেছেন ইমরান আশফাক, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৩

আচ্ছা, আপনাদের মধ্যে যারা কলকাতায় যাতায়ত করে থাকেন তারা স্হানীয়দের কাছেকি এই প্রশ্নটির মূখোমুখী হয়েছেন নিয়মিতভাবে: দেশভাগের সময় বাংলাদেশকে দেয়া হয়েছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুর্শিদাবাদ আর ভারতকে দেয়া হয়েছিলো খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কেন কওমী জননী হয়েছিলেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:২৯


আওয়ামী লীগ করেন এমন অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি বোধ করেন। শেখ হাসিনা কেন কওমি জননী উপাধি গ্রহণ করলেন? আসলে সবাই যা বলতে চান,আওয়ামী লীগের রাজনীতি তো এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×