জার্মানী জাতির এই বিশ্বকাপ জয়ে অনেক বেশি মনে পড়ছে এ্যাডলফ হিটলার কে। দেশপ্রেম কখনও বৃথা যায় না। যার মধ্যে দেশপ্রেম নেই তার মধ্যে মানবতা থাকতে পারে না। বাংলাদেশের এক কৃষক সেই মানবতা ভরা প্রেমের অর্ঘ্য নিবেদন করে ৩.৫ কিমি দৈর্ঘের জার্মানীর পতাকা উপহার দিয়েছিলেন। এর নাম কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিকতা। আমরা সবাই মানুষ। আমরা একে অপরকে নিজের অন্তর দিয়েই বুঝতে ও জানতে পারি।
জার্মানীর এই বিশ্বকাপ জয় মানে সেই গরিব কৃষকের প্রেমের জয়। এই জয় মানবতার জয়। এই জয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে আন্তরিকতা ও কৃতজ্ঞতা। কিভাবে ঐ সাধারন কৃষকের চাওয়া গড ফেলে দেবেন?
সেই সাথে আমি আর্জেন্টিনা দেশের মানুষদের সম্মান জানাচ্ছি। তাঁরা অনেক ভালো খেলেছিলো ও বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ার হওয়া থেকে ১টি গোল দুরে ছিলো মাত্র। আপনাদের পরিশ্রমের বিজয় হয়েছে। চে গুয়েভারার দেশের প্রতি আমার আন্তরিক প্রেম নিবেদন করছি।
আমি কৃতজ্ঞতার জানাই ফিফা কর্তৃপক্ষকে, যারা এই সময় পর্যন্ত সব থেকে সুন্দর বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন। সেই সাথে ব্লেটার সাহেব কে আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
বিশ্বকাপের সমস্ত দর্শক, খেলোয়ার, মিডিয়া ও বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনে যে যেভাবে ছিলেন সাবাই কে আমার আন্তরিক প্রেম নিবেদন করছি।
সমস্ত ইউরোপ বাসী ও খৃষ্টান সম্প্রদায়কে আমি হয়তো বোঝাতে সক্ষম হয়েছি যে, আনলাকি থারটিন (ডেসিমেল ১৩ সংখ্যা) একটি কুসংস্কার মাত্র। ১৩-৭-২০১৪ইসায়ী তারিখে জার্মান বিশ্বচ্যাম্পিয়ান হলো। সেদিন ১৩জন একসাথে বসে যিশু সহ দ্যা লাস্ট সাফার ছিলো। ওখানে ১৩ সংখ্যা ও যিষুর কোনো দোষ ছিলো না। সেদিন ভুলত্রুটি ছিলো কিছু মন্দ মানষিকতার মানুষের।
আসুন আমরা সবাই সত্য ও মঙ্গলের পথে নিজেদের নিয়োজিত করে মানব জীবন ধন্য ও স্বার্থক করে তুলি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




