ল্যাকেম্বার হ্যাল্ডন স্ট্রিটের ফায়ার ব্রিগেডের অফিসের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত অভিযুক্ত রিয়েল স্টেট ব্যবসাটির কর্ণধার একজন প্রবাসী বাংলাদেশী। সিডনিতে বাংলাদেশীরা বিভিন্ন রকম পেশায় দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের ভাবমূর্তি যেভাবে উজ্জ্বল করেছে, তেমনি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অপকর্ম অধিকাংশের সুনামকে ভুলুন্ঠিত করেছে।
অভিযুক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার তাঁর ব্যবসার নিত্য নতুন পার্টনার নিয়োগের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, যাদের সাথে কমিউনিটির জনসংযোগ ভালো – এমন ব্যক্তিত্বরাই ছিল তাঁর প্রধান শিকার। কিছুদিন ব্যবসায়িক সুবিধা প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে, আবার সুকৌশলে ব্যবসা থেকে বের করে দিয়ে, পুনরায় নতুন পার্টনার খুঁজে ধোঁকা দেয়ার অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যায় জনৈক এই অসাধু ব্যবসায়ী বেশ কিছুদিন ধরে। বাকপটু তথাকথিত ব্যবসায়ী গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকজনকে তাঁর ব্যবসায়িক অংশিদার করেছে। বাংলাদেশী কমিউনিটির কয়েকজন সংগঠক ও প্রাক্তন সংগঠককে ব্যবসায়ী লভ্যাংশ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে ট্রাস্ট একাউন্টে হাজার হাজার ডলার জমা নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে সেই টাকা তুলে নেয়ারও অভিযোগ পাওয়া যায় তাঁর বিরুদ্ধে।
এছাড়া, বাড়ি বিক্রি ও ভাড়া সংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে বড় অঙ্কের ডলার হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে জনৈক এই ব্যবসায়ীর নামে। চুক্তিভুক্ত ও চুক্তিহীন ব্যবসায়িক অংশিদারদের অর্থ এবং বাড়ির মালিকদের ভাড়ার বড় অঙ্কের অর্থসহ জালিয়াতির মাধ্যমে ট্রাস্ট একাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেয়া ডলার সমেত এক বড় মাপের অর্থ লুটে নিয়ে জনৈক সেই ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। নতুন বিয়ে করার পর তিনি এখনো শ্বশুরালয়েই অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সুপ্রভাত সিডনির পক্ষ থেকে ফোন ও বিভিন্ন মাধ্যমে জনৈক প্রতারক সেই ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন ফল হয়নি। প্রতারণার পুরো বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানটির নাম ও বিস্তারিত ঘটনা সুপ্রভাত সিডনি এই মুহূর্তে প্রকাশে অপারগ। তবে, যে কোন ধরণের ব্যবসায় স্থানীয় আইন অনুযায়ী সর্বাত্মক সতর্কতা অবলম্বনের জন্য কমিউনিটির সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো সুপ্রভাত সিডনির পক্ষ থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



