-চাচাজি, মার্কেটিং আর ডি-মার্কেটিং এর প্রাইম উদাহরণ সাম্রতিক গাজার ঘটনা!
-কিভাবে?
-এই ধরেন, আমি একটা লিস্ট করলাম ইস্রাইলের পন্যের, আসলেই ইস্রাইলের কিনা তা আমি নিজেও জানিনা। আমার উদ্দেশ্য, কিছু পন্যের ডি-মার্কেটিং করা। ওই লিস্ট এ ওই পন্য গুলোরও নাম দিয়ে "বয়কট ইস্রাইলি" প্রডাক্ট বলে প্রচারনা শুরু করে দিলাম! ব্যস হয়ে গেল।লোকজন সরল মনে তাই করা শুরু করল! উদ্দেশ্য হাসিল।ধর্মিয় মুল্যবোধ কে পুঁজি করে চলবে আমার এই ডি-মার্কেটিং!! কিছু না যাচাই করেই এই লিস্ট লোকজন এর প্রচার করবে।
-এবার মার্কেটিং এর ব্যপারটা বল
-ওইটাও আরও সোজা।গাজার বাচ্চাদের কান্না আর আঘাতের ছবি দেখিয়ে মার্কেটিং! আপ্নার নরম দিলে মায়া হল, আপ্নি ছকিনা- জরিনার জন্য রাখা ঈদের টাকা গাজার নামে দিয়ে দিলেন।লস কার হল? দেশের।ঈদের সময় দানের নামে যে টাকা গুলো আসার কথা তার একটা অংশ চলে গেল অন্যখানে! ছকিনার হক এর টাকা গায়েব!
-..... কমলা, কদমের পাঞ্জাবীর টাকাটা নিয়ে আস আর তা দুই ভাগ করে অর্ধেক ছকিনা কে দাও আর বাকি অর্ধেক জরিনা কে। কদম তুই পুরানটা দিয়ে চালা!! এইটা তোর বক বকানোর প্রাথমিক শাস্তি।
....কদম অবাক! চাচাজী এইটা কি করলেন ?
*** কথাগুলো মাথায় ঘুরে! তাই শেয়ার করলাম।কারো খারাপ বা বিরক্ত লাগতে পারে।
তবে যা সত্য তা হল, ঈদের যাকাতের একটা বড় অংশ এবার দেশে ঢুকেনি।অচেনা বড় দূ:খ দূর করার চেয়ে নিজের আশপাশের চেনা ছোট ছোট দূ:খ দূর করা অধিক উত্তম, অধিক মানবিয়।জরিনা-ছকিনা ভাল থাকলে, তদের বাচ্চারা হাসলে আপানার ঈদের হাসিও পূন্যের হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




