somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্মযুদ্ধ ও সন্ত্রাস, জেহাদ ও জঙ্গিবাদ

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ইসলামকে বিশ্বজোড়া সন্ত্রাসবাদের ধর্ম হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এর অনেকটাই ইসলামবিদ্বেষী এবং সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থবাদীদের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা হলেও এই দাবি একেবারেই যে মিথ্যা, তা নয়। যে কোন পরিসংখ্যানই বলে দেবে- বর্তমান বিশ্বে যে সকল সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড হচ্ছে তার সিংহভাগ ইসলামের নামে কিছু কিছু জঙ্গিবাদী সংগঠনই পরিচালনা করছে। সারা বিশ্বজুড়েই তাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ জন্য বিশ্ববাসীর মুখে মুখে মুসলমানদের এই ধরনের কর্মকাণ্ড আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে। সুতরাং ইসলাম বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে সন্ত্রাসের সূতিকাগার এটাকে একেবারে অস্বীকার করা যায় না।

প্রশ্ন হচ্ছে ইসলাম থেকেই কেন জঙ্গিবাদের জন্ম হচ্ছে? এর পেছনে বিশ্ব রাজনীতি, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, পশ্চিমা বিশ্বের একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি দায়ী হলেও খোদ ইসলামের ভেতর থেকেও এর রসদ কম পাওয়া যায় না। যারা ভাসা-ভাসাভাবেও কোর’আন ও হাদিস পাঠ করেছেন তারাও খেয়াল করে থাকবেন যে, ইসলামে জেহাদের গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামের সর্বোচ্চ মর্যাদা রাখা হয়েছে জেহাদের ময়দানে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের জন্য। তাদের সম্মানের সাথে অন্যদের সম্মানের কোন তুলনাই হয় না। কোন কোন ক্ষেত্রে তাঁরা মর্যাদার দিক দিয়ে নবী-রসুলদেরকেও ছাড়িয়ে গেছেন। একারণে এই দীনের গোড়াপত্তনকারী স্বয়ং শেষ রসুলকেও আমরা আকুলভাবে শাহাদাত কামনা করতে দেখি। সেই বিশ্বনবী (দঃ) বলেছেন, ‘আমার ওপর নবুয়াতের দায়িত্ব না থাকলে আমি জেহাদের ময়দানে শহীদ হয়ে যেতাম।’ বলেছেন, ‘আমি কেমন আকুলভাবে চাই যে কত ভালো হত, যদি আমি শহীদ হতাম, আমাকে জীবিত করা হত, আমি আবার শহীদ হতাম, আমাকে আবার জীবিত করা হত, আবার শহীদ হতাম, আবার জীবিত করা হত এবং আবার শহীদ হতাম [হাদীস- আবু হোরাইরা (রাঃ) থেকে বোখারী মুসলিম মেশকাত]।’


আলী (রা.) কে রসুলকর্তৃক প্রদত্ত তলোয়ার ‘যুলফিকার’।


ইসলামের ছত্রে ছত্রে জেহাদের বিস্তৃতি। জেহাদ না করলে কেউ ইসলামের প্রাথমিক সদস্যপদই পাওয়ার যোগ্য নয়। ইসলামে থাকার সর্বনিম্ন যোগ্যতা হচ্ছে অন্ততপক্ষে তাকে জেহাদের মনোভাব অন্তরে পোষণ করতে হবে। নয়তো সে মোনাফেক হিসেবে পরিগণিত হবে। আর সর্বোচ্চ যোগ্যতার জন্য তাকে শুধু জীবনকে তুচ্ছজ্ঞানই নয়, তাকে মৃত্যুর জন্য লালায়িত হতে হবে। অমুসলিম ঐতিহাসিক পি.কে হিট্টি মুসলিম বাহিনীর অবিশ্বাস্য সামরিক বিজয়ের অন্তর্নিহিত কারণ হিসেবে তার The Arabs বইয়ে বর্ণনা করেছিলেন এ জাতীর চারিত্রিক গুণ Utter contemt of death (মৃত্যুর প্রতি চরম অবজ্ঞা)কে। কিন্তু সেটাও সমীচিন নয়। বরং একজন মুসলিমকে হতে হয় মৃত্যুর প্রতি লালায়িত ( Desire for death )। কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, ‘উহারা চাহুক দাসের জীবন, আমরা শহীদী দরজা চাই, নিত্য মৃত্যু-ভীত ওরা, মোরা মৃত্যু কোথা খুঁজে বেড়াই’- এ মনোভাব।

তাই দেখা যায়, ইসলাম থেকে যুদ্ধকে, সংগ্রামকে আলাদা করার কোন সুযোগ নেই। বছরের একটি মাস রমজান জুড়ে সিয়াম সাধনার জন্য আল্লাহ যেভাবে মো’মেনদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন (কুতিবা আলাইকুম সিয়াম) ঠিক একই ভাষায় জেহাদের ব্যাপারেও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন (কুতিবা আলাইকুম কেতাল- বাকারা-২১৬)। জেহাদকে অস্বীকার করা তো দূরের কথা, এখানে জেহাদের ময়দান থেকে পলায়নকারীর শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড, তাদের উপর আল্লাহ অভিসম্পাত বর্ষণ করেন (আনফাল-১৫-১৬)। তাই ইসলামে বিশ্বাসী মাত্রই কিভাবে সংঘর্ষ থেকে পলায়ন করতে পারে? কিন্তু তার মানে কী ইসলাম সন্ত্রাসের অনুমতি দিয়েছে? সাধারণ মানুষকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে উৎসাহ দিয়েছে? না, ইসলাম সংগ্রামের অনুমতি দিয়েছে, সন্ত্রাসের নয়। কিন্তু সেটা কিভাবে- এই প্রশ্নের উত্তরের মাঝেই খুঁজে পাওয়া যাবে জেহাদের নামে প্রচলিত সন্ত্রাসকে প্রকৃত জেহাদ তথা সংগ্রামকে আলাদা করার যোগসূত্র।

ইসলাম একটি বহির্মুখী চরিত্রের জীবনব্যবস্থা। একে অন্যান্য নির্জীব উপাসনাকেন্দ্রীক ধর্মের সাথে মিলিয়ে ফেলা একটা বড় ভুল- যদিও আমাদের ধর্মীয় আলেমরা সেক্যুলারদের ন্যায় প্রকৃতপক্ষে সেই কাজটাই করেছেন। অর্থাৎ ধর্মকে ব্যক্তিগত উন্নতি, পরকালীন সওয়াব কামাইয়ের মাধ্যম বানিয়েছেন। তাদের অনেকের মতামতই হচ্ছে ধর্মকে বাস্তবতা তথা রাজনীতিতে আনা উচিত নয়। অর্থাৎ ব্যক্তি জীবন চলবে একভাবে আর সমষ্টিগত জীবন চলবে অন্যভাবে। এর সমর্থনে হাদিসের সূত্রে মসজিদের দেওয়ালে লেখা দেখতে পাওয়া যায় ‘মসজিদে বসে দুনিয়াবী কথা-বার্তা বলা হারাম।’ একইভাবে মুসলিম উম্মাহর গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক সম্মেলন হজ্বে বিশ্ব মুসলিমের খোঁজ-খবর নেওয়া, সমস্যা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো, জাতীয় উন্নতির আলোচনাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এই বলে যে হজ্ব একটি আধ্যাত্মিক এবং পারলৌকিক সওয়াব কামাইয়ের স্থান, সুতরাং এখানে ওসব দুনিয়াবী কার্যক্রম, রাজনীতি নিষিদ্ধ। তাই হজ্বের মত বিশ্ব মুসলিম মিলন কেন্দ্রে একত্রিত হয়েও তারা কেউ কারো খোঁজ নেয় না। কারো ভালো মন্দ দেখে না। অথচ উচিত ছিল মুসলিম উম্মাহর শাসকদের সেখানে মিলিত হওয়া, আলাপ-আলোচনা করে নিজেদের সমস্যা সমাধান করা। সেখানে দুনিয়াবী কাজ-কর্ম হারাম এই চিন্তা থেকে এখন আমাদের নেতারা সেখানে মিলিত হন না। বরং ঠিক একই সময়ে তারা গিয়ে হাজিরা দেন নিউইয়র্কে, জাতিসংঘে।

যারা ভাসাভাসাভাবেও ইসলামের প্রাথমিক যুগের ইতিহাস পাঠ করেছে তারা দেখতে পাবেন যে রসুলাল্লাহ ও তাঁর খলিফাগণ এই দীনের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতেন মসজিদকে কেন্দ্র করেই। সেখানেই সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিচার-ফয়সালা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কূটনীতিক কার্যক্রম পরিচালিত হত। মসজিদই ছিল সচিবালয়, বিদেশের দূতগণও কর্তৃপক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করতেন এসে সেই মসজিদেই। সেখান থেকেই যুদ্ধ পরিচালনা, কৌশল নির্ধারণ, প্রশিক্ষণ পর্যন্ত পরিচালনা করা হত। মসজিদের সামনে আমরা যে বর্ধিত অংশটুকু দেখতে পাই, যাকে মেহরাব বলা হয়, সেটা মূলত অস্ত্র রাখারই স্থান ছিল।

এই দীনের শরীয়াহ একেবারে বাস্তবিক, জীবন্ত এবং প্রত্যক্ষ। এর আইন-কানুন ও দণ্ডবিধিগুলো পারলৌকিক সফলতাকে সামনে রেখে পার্থিব দুনিয়ার জীবনকে সুন্দর করতে করতে বদ্ধপরিকর। তাই ইসলামকে সমস্ত অন্যায়, অবিচার, সমস্ত মিথ্যা ও প্রতারণার বিরুদ্ধে দোর্দণ্ডপ্রতাপে বাধা প্রদান করতে হয়। তোমার একগালে কেউ চড় দিলে অপর গালটি পেতে দাও কিংবা কেউ তোমার কোটটি নিয়ে গেলে তাকে আলখেল্লাটিও দিয়ে দাও- এই নীতি এই জীবনব্যস্থার নয়। তাই যাদের উপর দিয়ে ইসলামকে উদ্ভাসিত হতে হয় তাদেরকে হতে হয় প্রবল সংগ্রামমুখী, সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসহীন ও দুর্দান্ত ত্বরিৎকর্মা। এক্ষেত্রে তাদের কাছে নিজের প্রাণকে দেখতে হয় অতি তুচ্ছ হিসেবে। ন্যায়-অন্যায়ের প্রশ্নে তাদেরকে সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। ইসলামের পরতে পরতে এই সংগ্রামমুখীতার শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে ‘আলেম’ হিসেবে পরিচিত ইসলামী ‘পণ্ডিত’দেরকে দেখা যায় মানুষকে নামাজ পড়তে উৎসাহ দেওয়ার জন্য কোর’আনে নামাজের ব্যাপারে বিরাশি বার উল্লেখ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করতে। কিন্তু তারাও বোধ হয় জানে না যে- সমস্ত কোর’আন জুড়ে জেহাদের ব্যাপারে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিরুদ্ধে নামাজের চেয়ে অন্ত সাতগুণেরও বেশিবার উল্লেখ করা হয়েছে। বিস্তৃতি প্রায় ৬২৩ টি আয়াতজুড়ে। সুতরাং কিভাবে একজন মুসলমান দাবীদার জেহাদবিমুখ হবে?

আজকে দুনিয়া জোড়া যে ‘ইসলামী সন্ত্রাসের’ সূচনা হয়েছে তা কিন্তু ইসলামের প্রধান দুই উৎস কোর’আন- হাদিস থেকে জেহাদের নামেই করা হয়েছে। ইসলামে অনুরক্ত যে কাউকেই কিন্তু এভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব। কেননা একজন মুসলিম মানেই নির্দ্বিধায় আল্লাহ-রসুলের হুকুমের আনুগত্য করতে বাধ্য। সুতরাং তাদের সামনে যখন হাদিস-কোর’আন থেকে প্রমাণ হাজির করা হয় কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে, প্রতিশ্র“তি তুলে ধরা হয় নিশ্চিত পরকালীন সৌভাগ্যের, শহীদ হিসেবে বিনা হিসেবে জান্নাতের- তখন তারা কিছুতেই জেহাদ করতে পিছপা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কোনটা জেহাদ আর কোন সন্ত্রাস তার পার্থক্য তাদের সামনে তুলে না ধরায় সেই আত্মত্যাগের শক্তিকে অধিকাংশ সময়ই ব্যবহার করা হয় ভিন্ন খাতে। যার ফল আজ বিশ্বময় ‘ইসলামী সন্ত্রাস।’


আজকের কথিত ইসলামী যোদ্ধা যাদের অধিকাংশের মুখ থাকে কাপড় দিয়ে ঢাকা।


দুধ একটি পুষ্টিকর এবং সুষম খাদ্য। কিন্তু সেই দুধই এক ফোটা টকের সংস্পর্শে অখাদ্য হয়ে যায়। ঠিক সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অবিচারের বিরুদ্ধে ইসলামের যে জেহাদ, যার অবস্থান সনাতন অবতার শ্রীকৃষ্ণের অধর্মের বিনাশ ও ধর্মস্থাপনার সংগ্রামের মত, যার অবস্থান খ্রিষ্টধর্মের পবিত্র ধর্মযুদ্ধ ( Crusade ) এর মত, সে তাকেই আজ বিকৃত ব্যাখ্যা কিংবা সামান্য একটুখানি ঘুরিয়ে দিয়ে বিষিয়ে ফেলা হয়েছে সন্ত্রাসের মোড়কে। অথচ বিকৃত পথে ব্যবহৃত হলেও এই সন্ত্রাসের পেছনে প্রাণ বিসর্জন যাচ্ছে প্রকৃত জেহাদের ন্যায়, সম্পদ ত্যাগ হচ্ছে সমান উদারতায়। অথচ পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে শান্তির বদলে আরো বেশি অশান্তি, ইসলাম হয়েছে আরো বেশি কলঙ্কিত।


অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার এই বিপুল শক্তি, উদার হস্তে সম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা সৃষ্টিকারী ইসলামের এই অমিত শক্তির অপব্যবহার শুধু এই ধর্মের অনুসারীদের দ্বারাই হয়ে থাকে না। ইসলামের শত্র“ কিংবা সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোও কৌশলে এই সুযোগকে সন্ত্রাসের পথে কাজে লাগায়। যারা উদ্বুদ্ধ হয়ে পবিত্র যুদ্ধের নামে যারা জীবন-সম্পদ উৎসর্গ করে তারা নিজেরাও জানেনা কিভাবে তাদের বিশ্বাস, আবেগ ও আন্তরিকতাকে অকল্যাণের পথে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে জীবন ব্যয়িত হওয়ার কথা ছিল ন্যায় প্রতিষ্ঠায়, যে সম্পদ উজাড় হওয়ার কথা ছিল মানবকল্যাণে তা আজ ব্যয়িত হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থবাদীদের ক্ষমতা দখলের উপায় ও পাশ্চাত্যের বিলাসীতা বাড়ানোর কাজে। আবার যেটুকু জেহাদ হচ্ছে তাকে জেহাদ না বলে পারস্পরিক কলহ বলাই শ্রেয়। এভাবেই ক্ষয় হচ্ছে জাতির অমিত শক্তি, কলংকিত হচ্ছে ইসলাম খোদ নিজেই।

অথচ অন্যায়ের বিরুদ্ধে জীবন-সম্পদ উৎসর্গ করা এই আপোসহীন সংগ্রামকে সঠিক পন্থায় কাজে লাগানো গেলে এই পৃথিবীটা হতো অন্যায়- অবিচারহীন ও স্বর্গের ন্যায় শান্তিময়। তাই পরিশেষে বলতে হয়, ইসলামের এই প্রেরণার বিরুদ্ধে, সংগ্রামী মনোভাবের বিরুদ্ধে ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম’, ‘ইসলাম মারা-মারি, কাটাকাটি পছন্দ করেনা’ কিংবা নবীর চলার পথে কাটা দেওয়া বুড়ির গল্পের মত এসব ভাসা-ভাসা কথা বলে এদেরকে সন্ত্রাস থেকে ফেরানো যাবে না। কারণ, আগেই বলেছি যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে, ন্যায়ের পথে রক্ত নিতে এবং রক্ত দিতে শুধু উৎসাহিত নয়, প্রবলভাবে উৎসাহিত করে (তওবা-১১১)। ইসলাম কোন অর্থে শান্তির ধর্ম, কোন মারামারি-কাটাকাটিকে পছন্দ করে না, তার সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান না করলে তারা এটাকে পবিত্র জেহাদ মনে করে চিরকাল অব্যাহত রাখবে। অবশ্য জেহাদ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চিরকালই চলবে। কিন্তু এই সংগ্রামকে সন্ত্রাসের পথ থেকে আলাদা করা অতি আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৫০
৩টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×