দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের মত সাধারন জনগণের ভবিষ্যত বানী করাটা যেমন ঠিক না তেমনি অসম্ভবও বটে।তবে আজকের বিএনপির মিছিলে পুলিশের হামলার পর মনে হলো সরকার ইচ্ছে করেই নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করার অশুভ স্বপ্নে বিভোর। তা না হলে দেশে যখন চারিদিকে সংঘর্ষ চারিদিকে যখন রাষ্ট্রীয় বাহিনী এবং একটি গোষ্ঠী মুখোমুখি তখন হঠাত করে পুলিশের এমন ভূমিকার পেছনে কারন কী। পুলিশ কেন জীবনের ঝুকি নিয়ে এমন দাঙ্গা সৃষ্টির খেলায় মেতে উঠেছে। নাকি এটি সরাকরের কোন চাল?
তবে নিজের ব্যক্তিগত বোধ এবং চারপাশে নানান শ্রেনীর মানুষের আলোচনার মাধ্যমে একটি বিষয় অন্তত স্পস্ট যে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডূবি এবং বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে তাদের ভয়াবহ পরিনতির কথা আঁচ করতে পেরে এখন নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করতে চাইছে। যেমন ছোট বেলায় দেখতাম নদীর তীরে মড়ক নিয়ে কুকুরগুলো মারামারি করতো। আর তখন জোয়ার-ভাটার টানে মড়ক পানিতে ভেসে গেলে কাক-শকুন মড়কের উপর বসে বসে আয়েশী ভঙ্গিতে খেত। এখন বাংলাদেশের রাজনীতি ও ক্ষমতাটা ঠিক মড়কের মত হয়েছে। তীরে বসে কুকুরগুলো মারামারি করছে আর জাতি বসে আছে কাক-শকুনের অপেক্ষায়। যাতে মড়ক ভেসে যায় গণ্ধও দূর হয়। এবং মারামারি করে কুকুরগুলো ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে তীরে আসামাত্র জনগন তাদের ওপর মুগুর চালাতে পারে।
এই যদি সরকারের অভিসন্ধি হয় তবে, আমরা সাধারণ জনগনও হাতে মুগুর নিয়ে বসে আছি। মড়ক ভেসে যাওয়া মাত্র গণ্ধ থেকে মুক্তির উল্লাসে মুগুর চালান করতে আমরা প্রস্তুত। হয়তো আমার মত অনেকেই তখন সেই মুগুর অভিযানে শরিক হবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


