পুলিশের শরীরে শুধূ রক্ত মাংস আছে আর বাকিদের শরীরে আছে খড়কুটা। তাই পুলিশের হাতের ছাল উঠলেও আমরা আহ্ উহ করি এবং অন্যদের মাথার খুলি উড়ে গেলেও আমাদের কোনও অনুভূতি হয়না। মিডিয়া কর্মীদের কান্নার রোল ওঠে যখন একজন পুলিশ মারখায়। এটা ঠিক এধরনের হানাহানি আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনা। কিন্তু তাই বলে এমন একচোখা অনুভূতিকে কে আদৌ মানবিকতা বলে??? অনেকেই হয়তো বলবেনা না। তা বলা চলেনা। তবে আমার কথা হলো দেশে গত কয়েকদিনের সহিংসতায় প্রচুর প্রাণহানী ঘটেছে। অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। অনেক সন্তান এতিম হয়েছে। যে কারনেই যেভাবেই হোক প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই হৃদয় বিদারক। পুলিশের গুলি আর জামায়াত শিবিরের ইট-লাঠির আঘাতে এমন হত্যাযজ্ঞ নিয়ে আমাদের মিডিয়াগুলো এত আহ্ উহ করেছে বলে দেখেনি। কিন্তু আজকে একটি নারী পুলিশ পড়ে গিয়ে সামান্য আহত হওয়ায় দেশের একটি চটি ওয়েব পত্রিকার কান্নাকাটি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। মেয়িটি ফর্সা রং আর রূপের বর্ণনার ঢংও পত্রিকাটি তাদের চরিত্রের প্রতি সুবিচার করেছে।
কেন এমন অবিচার? কেন এমন একপেশে তথ্য্ বিলিয়ে বিতর্কিত হওয়া? আজ আমরা যারা সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়িত আমরা যারা কর্পোরেট দাস কেন তাদের একটি গোষ্ঠির প্রতিপক্ষ করে জীবন বিপন্ন করার পায়তারা? এতে কি মালিকের ক্ষতি না আমাদের? বিষয়টি ভেবে দেখার এখনই সময়..... তা না হলে রাস্তাঘাটে খানাখন্দকে লাশ হয়ে পড়ে থাকতে হবে। আজ আমি আর কাল আপনি এ অবস্থা যে হবে সেটি বুঝতে হয়তো এখন আর অসুবিধা হওয়ার কথা নয়...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


