somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পর্দা না মানাই যৌন হয়রানীর প্রধান কারন

২০ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলাম ধর্মে প্রত্যেক নারী ও পুরষের পর্দা ফরজ। শুধু নরীই নয় বা শুধুই পুরষই নয়। উভয়েরই পর্দা করতে হবে। সুরা নুরে এই বিষয়ে মহান আল্লাহ বিস্তারিত বলেছেন। একজন মুসলমান হিসেবে যদি নিজেকে মনে করলে তার অবশ্যই পবিত্র কোরআন আর হাদিস শরিফ থেকে পর্দার শিক্ষা নেযা উচিত। চোখের পর্দা, হাতের পর্দা, কানের পর্দা, হাতের পর্দা সর্বসাকুল্যে দেহের পর্দা করতে হবে। নারী ও পুরুষ এর মধ্যে অবাধ মেলামেশায় একটা সীমা ইসলাম টেনে দিয়েছে। এটা অতিক্রম করা নারী পুরুষ কারোই উচিত নয়। সিস্টেম লস হলে বিপত্তিতো ঘটবেই।

ছেলেরা বলে মেয়েদের পোষাক ঠিক নেই । মেয়েরা বলে ছেলেদের চরিত্র ঠিক নেই। চরিত্র জিনিসটি যদি তাকওয়ার পোষাক দ্বারা আবৃত হত তাহলে নারী পুরুষ কেউই বিপদে পড়তো না। কেউ কাউকে দোষ দেবার প্রযোজন পরত না। নারী পুরুষ উভয়ের জন্য উত্তম পোষাক হল তাকওয়ার পোষাক। মানে আল্লাহর ভয়। সবধর্মের জন্য যদি বলি ইশ্বরের ভয়। আল্লাহ আমায় সর্বাবস্থায় দেখছেন। আল্লাহ ভিতি কিভাবে একজন মানুষকে চরিত্র বান করে তা বুঝতে হলে তাকওয়া সম্পর্কে সাম্যক ধারনা দরকার।

একটা গল্প বলি,,,,,,,,,,,,, এক লোক হুজুরের কাছে যেযে বলে হুজুর আমি মেয়ে দেখলেই কেমন জানি হয়ে যাই। খালি বদ মতলব মাথায় ঘোড়ে। একটা উপায় বাতলান । নয়তো জাহান্নাম হবে আমার ঠিকানা। হুজুর বলল দেখ মিয়া! তোমার ঘরে মা আছে?
হ আছে।
বোন আছে?
আছে
কেউ যদি তোমার মা আর বোনের দিকে কু নজরে তাকায তোমার ভাল লাগব
না হুজুর
তাইলে তুমি অন্যের মা বোনের দিকে কু নজরে তাকাইলে তাগোতো খারাপ লাগে । আজ থেইকা এই কথা ভাববা দেখবা আল্লায় তোমারে সহিহ রাস্তা দেখাইবো।
হুজুর । কথাটাতা সত্য বলছেন তবে সবাই যদি মা বোন হয় বৌ হইব কেডা?
দেখ মিয়া‍‍! কু নজরে তাকাইয়া বেগানাগা বৌ ভাবা গুনার কাজ। তুমি তাকওয়ার পথে আস।
এইডা আবার কি?
এই নাও এইাখানে দুইটা কাচের শিশি আছে এগুলা তোমার গলায় ঝুলাইয়া দিলাম। গলা থেইকা এগুলান নামাইবানা। সোজা বাসায় যাইবা। আর খেয়াল রাখবা একটা শিশি যাতে আরেকটার লগে বাড়ি না লাগে খুব সাবধানে হাটবা । কাইল এই দুইডা শিশি নিয়া আমার কাছে আসবা। এরপরে তোমার সমস্যা সমাধান করমু।

পরদিন শিশি দুইটা গলায় ঝুলানো অবস্থায় খুশি খুশি মনে হুজুরের কাছে ঐ লোক হাজীর। হুজুর এই নেন আপনার শিশি। সম্পূর্ণ অক্ষথ আছে। একটারে আরেকটার লগে লাগতে দেই নাই। খুব সাধানে ছিলাম।
তুমি মিছা কথা কইতাছো । আমার বিশ্বাস হয় না। আচ্ছা কওতো দেখি তুমি যখন রাস্তাদিয়া হটাতাছিলা তখন তোমারে কে কে দেখছে?
হুজুর রাস্তাদিয়া এমন সাবধানে হাটতে ছিলাম যে, কারো দিকে তাকানোর সুযোগইতো পাই নাই।
কেন? রাস্তায় কোন মাইয়ালোক দেখ নাই।
কি কইলাম হুজুর এমন সাবধান ছিলাম শিশি দুইটারে নিয়া এমন ব্যস্ত ছিলাম পেত্নী গেল হুরপরী গেল টের পাই নাই
কাইল তুমি জিজ্ঞাসা করছিলা তাকওয়া কি? বাবা এই যে তুমি সবাধান ছিলা একটা ভয় ভয় ভাবে ছিলা কখন কি হয় কখন কি হয় এর নাম হইল তাকওয়া। এই তাকওয়া তোমারে ডাইনে বামে তাকানির ফুরসত দেয় নাই।

আসলে তাকওয়া যার মধ্যে আছে সে সারক্ষন আল্লহর ক্রোধ থেকে বাচার জন্য সাবধান থাকে। আরে এই সাবধানতাই তকে যাবতিয় নষ্টামি থেকে ফিরিয়ে রাখে। যারা একনিষ্ঠভাবে ধর্ম চর্চা করে তাদের মধ্যে কুলষ কালিম আসতেই পারে না। তাই ধর্মী অনুশাষন মানার মধ্যেই রযেছে আসল মুক্তি

পুরুষ বা নারী আসুন সবাই পর্দা করি। পর্দাতেই রয়েছে পোকামাকরের হাত থেকে মুক্তি। আমরা খাবার ঢেকে রাখি। কেন?
যাকে তাতে কোন কিছু না পরে। খাবরের পর্দা করি কিন্তু শরিরের পর্দা কেন করি না? শরিরতো আক্রান্ত হতে পারে?
চিন্তা মননে পর্দা করতে হবে। মনতো কুলিষিত হতে পারে? শালিন ভাবে সবসময় জীবন যাপন করলে নিরাপত্তা হীনতার সম্ভাবনা কম। তাই আবারও আহবান জানাই আসুন আল্লাকে ভয় করি । সৃষ্টিকর্তাকে ভয় করি। দেখবেন সব মুশকিল আসান হয়ে গেছে।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×