
গত বছর ‘পাখি জামা’ না পেয়ে কয়েক স্থানে কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল।
এবারের ঈদেও এসেছে ‘কিরণমালা জামা’।
সিরিয়ালের এসব নায়িকাদের নামে জামা বাজারে এনে শিশু-কিশোরদের ভারতীয় সংস্কৃতির জগতে টেনে নেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন মনোবিজ্ঞানীরা।
তারা বলেন, কিশোরী যখন জানছে এমন একটা পোশাক এবার ফ্যাশন, তখন সেটা সে না পেলে ব্যর্থ জীবন মনে করছে।
এই মনে করাটাও টেলিভিশনের এসব সিরিয়াল নির্ভর বিনোদনের প্রভাব।
এইসব ধারবাহিক নাটকগুলোর গল্পে যা দেখানো হয় তার সাথে বাস্তবের মিল নেই।
ফলে ওই জগতেই বাস করে দর্শকেরাও।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ভারতীয় তিন টিভি চ্যানেলের (স্টার জলসা, স্টার প্লাস ও জি বাংলা) সম্প্রচার বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
এখনও এর জবাব দেয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে।
রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারক মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারক আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক, ডিজি জাদু ব্রডব্যান্ড লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের আবেদনকারী এখলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, স্টার জলসার ‘বোঝে না সে বোঝে না’ সিরিয়ালের পাখি চরিত্রের নামে পোশাক কিনতে না পেরে বাংলাদেশে অনেকে আত্মহত্যা করেছে।
এসবের পর এই তিন টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধে লিগ্যাল নোটিসও দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু তারপরও এই চ্যানেল তিনটির সম্প্রচার বন্ধ হয়নি।
তিনি আরো বলেন, আমরা জোর করে বন্ধের পক্ষে না কিন্তু যখন আপনার সমাজে কোনো শক্তিশালী প্রটেক্টর নেই, তখন যদি এধরনের প্রলোভনের কারণে শিশু-কিশোররা ক্ষতির সম্মুখীন হয় তখন কিছু সিদ্ধান্তে আসা জরুরি।
কিন্তু জামার পর বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে স্টার জলসা সিনেমা চ্যানেলে দেখানো নানা সিরিয়ালের নামে খাতা।
কিরণমালা, জল-নুপুর, বোঝে না সে বোঝে না ইত্যাদি সিরিয়ালসহ প্রায় সব কয়টি ধারাবাহিকের ছবিওয়ালা
এসব খাতা।
আমাদের বাংলা সংস্কৃতিতো অনেক আগেই নির্বাসনে গেছে।
বিশেষ দিবস ছাড়া তার দেখে পাওয়া যায় না।
এবার কি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাও ধংস হতে যাচ্ছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



