somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়ামির জন্য থিকথিকে ঘৃনা

১৫ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার দাদা ভাবতেন গেরস্থের সন্তানের বেশি লেখাপড়ার দরকার নেই। বেশি লেখাপড়া মানেই ক্ষেতিবাড়ির কাজে গাফলতি।

বাবা দাদার সাথে একমত হননি। নিজের বিবেচনায় দেখেছেন লেখাপড়ার দরকার আছে। দাদার নীতিগত সমর্থন না থাকা তিনি সত্ত্বেও উচ্চতর শিক্ষা নিয়ে গেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দেশের একজন সম্ভ্রান্ত শিল্পপতি হিসেবে। আমার প্রয়াত দাদা যদ্দিন বেঁচে ছিলেন গর্বিত ছিলেন নিজের ভুল স্বীকার করে। আমি সেটা দেখেছি নিজের চোখেই।

নিজের মানসিক দৃঢ়তা থাকলে গুরুজনের নীতি কিংবা বিবেচনার বাইরে যাওয়া যায়। গিয়ে দেখানো যায় আমিই ঠিক অবস্থানে ভুল ছিল তোমাদেরই। এটা সম্ভব। খুব কঠিন কোনো ব্যাপার নয়।

গুরুজনকে শেখানোর এই সুযোগটা যারা হারায়, যাদেই সেই মানসিক দৃঢ়তাই নেই, তাদেরকে আমি বেছে নেয়া পথের জন্য তাদের গুরুজনের দোষ দেব না। বরং সব দায়ভার তুলে দেব সেই কুপমুন্ডুকের ঘাড়েই।

রাজাকার কামারুজ্জামান।
যার নাম লিখতে গিয়েই আমার মুখে থুতু জমছে, তাকে এই না হয় পোস্ট থেকে সরিয়েই রাখলাম।

ওয়ামি আমি সরাসরি তোমাকেই বলছি।

আমাদের দেশের মানুষেরা এখনো দেশকে ভালোবাসে।
স্বীকার করে মুক্তিযোদ্ধারা এই সোনার দেশের স্বর্ণসন্তান, শ্রেষ্ঠ সন্তান।
তাঁদেরকে অসম্মান করে যে কথা তুমি বলেছ, বলার সাহস করেছ, সে কথার জবার এ দেশের মানুষ এখনো দিতে জানে।

আমি বুকে হাত রেখে বলতে পারি তোমার ধৃষ্টতা দেখে মাথায় আগুন ধরে গেছে সবার। ঠিক যেমন এখন আমার মাথা দপ দপ করেছে। মুঠো হয়ে আসছে হাত। ইচ্ছে করছে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলি তোমার কুষ্ঠমানসিকতার ধারক দেহটিকে।

যদি কখনো দেখা হয়।
যদি ভাগ্যবিধাতা সে সুযোগ করে দেয়।
তবে আমি, কিংবা অন্য আমার হয়ে অন্য কেউ, এক দলা থিকথিকে ঘৃনা ছিটিয়ে দেবে তোমার মুখে।
দেবেই!

বিশ্বাস হয় না তো?
হবেই!


(এইসব নিও রাজাকারের ব্যাপারে সামহোয়্যার ইন-এর ঠান্ডা নীতি দেখে আসছি অনেকদিন থেকেই। একদিন দু’দিন করে ব্লগে সময় তো কম গেল না। ব্যাপারটা রহস্যজনক, এবং একই সাথে হতাশাজনক। তাই সেই সামহোয়্যারের কাছে ওয়ামির ব্যান চেয়ে খামাখা নিজেকে ছোট করার মানে হয় না।)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
১২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার খোজে

লিখেছেন শের শায়রী, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:০৩



চলুন কিছু প্রাচীন সভ্যতার খোজ নিয়ে আসি। এগুলো সব হারিয়ে যাওয়া সভ্যতা। হারিয়ে যাওয়া সভ্যতা যখন পড়ি আমি তখন হারিয়ে যাই ইতিহাসের স্বর্নালী দিন গুলোতে ওই সব জাতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে-১২৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০১



১। আমার মতে ধর্ম থাকবে ধর্মের মতো, বিজ্ঞান বিজ্ঞানের মতো। তেল-জলকে ঝাঁকিয়ে এক করার প্রয়োজন নেই।
যারা ঝাকায় বা ঝাকাতে চেষ্টা করে তারা দুষ্ট লোক।

২। ছোটবেলায় আইনস্টাইন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাবাতিয়ান লাল পাথর

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:২৬



আরব সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তনের সময়কার কথা । সেই সময়টিতে ছিল নাবাতিয়ান নামক এক যাযাবর জাতির দৌরাত্ম্য। তবে ইতিহাসবিদদের কাছে নাবাতিয়ানদের সম্পর্কে খুব একটা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজের কথা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪০



ছোটবেলা থেকেই আমি কিছু হতে চাই নি।
এই জন্য জীবনে কিছু হতে পারি নি। ছোটবেলা থেকেই বাচ্চারা কত কিছু হতে চায়- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট, শিক্ষক, পুলিশ ইত্যাদি কত কি। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

গবেষণা ও উন্নয়ন: আর কত নিচে নামলে তাকে নিচে নামা বলে???

লিখেছেন আখেনাটেন, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৬


আমরা বেশির ভাগ বাংলাদেশীরা কঠোর প্রেমিক। তাই প্রেমের চেতনা কিংবা যাতনায় প্রেমিকার ‘কাপড় উথড়ানো’র জন্য আমাদের হাত নিশপিশ করে। কীভাবে বাংলাদেশ নামক প্রেমিকাকে ছিড়ে-ফুঁড়ে সর্বোচ্চ লুটে নিব এই ধান্ধায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×