কবিদের নাকি মৃত্যু হয় না।
প্রভাতের দীপ্তিতে উদ্দীপ্ত হয় প্রতিদিন।
কবি ,
তোমরা ঋজুতার বক্ষে পান কর অম্রিত,
প্রতি রাতে বর্ষিত হও চন্দ্রিমার গায়।
আর আমরা,
সেই অবশিষ্ট খেয়েই বেঁচে থাকি।
মনে পরে সেই ছেলেবেলায় একটি ছোট শিউলি ফুলের মাথা মুচরে দিয়েছিলাম।
কবি,
আজ এত বছর পর সেই কথা মনে করে কাদি।
প্রভাতে তার গন্ধে আমার নিশি জাগে।
কবি, জেনো তার প্রতিটি কারন তুমি।
আমার সব কিছুতেই তুমি এমন করেই আছ।
কবি,
আজ গোধূলি লগ্নে এক ভিক্কখুক বাবা বলে পিছু ডাক ডেকেছিল।
আমি আজও সাড়া দি নি।
কারন,
আমি কবি নই।
তবুও ফিরে তাকিয়ে ছিলাম ক্ষণিক বাদে।
কারন,
কবি তুমই ভাবিয়ে তোল আমাকে।
কবি,
আমি জন্মাই নি সে রাজ্জে যেখানে অভাব ছিল না।
বিলাসিতা ততটা শোভা পায় না যতটা পায় তোমাদের রাজ্জে।
কবি এখনও শত শত মানুষ না খেতে পেয়ে মরে।
এখনও মায়ের কাছে ছেলে থাকে অপরিচিত কোন পুরুস।
কবি, তোমার বাঙালি এখন বিছানায় বালিশ চেপে ডুকরে কাদে।
তবু উঠে দাড়াতে চায় না মেরুদণ্ডহীন নারীর মত।
তুমি কি শুনতে পাও না কবি।
নাকি মৃত্যু তোমাকেও গ্রাস করেছে পিশাচের মত।
জেগে ওঠ কবি,জেগে ওঠো।
চিৎকার করে বল
কবিদের মৃত্যু হয় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



