
চরমপন্হা বা উগ্রপন্হায় কোনো ব্যাক্তি,পরিবার,সমাজ বা রাষ্টের এবং কোন ধর্মের কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনা। অন্যদিকে কেউই জঙ্গি হয়ে জন্ম গ্রহন করে না।পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্র এই তিনটি ক্ষেত্রের কেউ কখনো প্রত্যক্ষ অথবা কেউ কখনো পরোক্ষভাবে সেই শিশু কিশোরের মানসিক বিকাশে সহযোগিতা করে থাকে। বর্তমানে সারা বিশ্বের তরুণ তরুণীদের জঙ্গি সংগঠনে যুক্ত থেকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা খুবই দূখঃজনক। এরা এই সমাজেরই অংশ। এদের সবারই পরিবার পরিজন রয়েছে , আছে সামাজিক পরিচয়। আমাদের কোন স্বজন যে, উগ্রপন্হায় ঝুকে পড়বে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই। কিছু সংখ্যক উপায় অনুসরণের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচিতজনের উগ্রপন্হায় ঝুকে পড়বে সম্ভাবনাকে কমিয়ে আনতে পারেন।
লক্ষ্য রাখুন
মুলধারা সম্পূর্ন ভিন্ন কোন দলের সাথে মিশতে শুরু করা
অস্বাভাবিক আচরণ।
সন্দেহজনক গতিবিধি।
অদ্ভুতভাবে সেলফি তুলছে । বিশেষ করে সিকিউরিটির দিকে মোবাইল তাক করে সেলফি তুললে কেন এমনটা বোঝার চেষ্টা
ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মডিয়ায় অস্বাভাবিক পোস্ট।
অকারণে ভারী এবং ওভার সাইজের ব্যাগ বয়ে নিয়ে যাওয়া। অকারণে অস্বাভাবিক বড় ধরনের পোশাক পরা।
মুখের অদ্ভুত চাহনি— চোখের দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন তাতে কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ছে কি না। কারণ, ‘আইস আর দ্য ইনডেক্স অফ মাইন্ড’।
নিজেকে ওভার স্মার্ট দেখানো।
এই পরিবর্তনগুলো শুধু পরিবারের সদস্য বা বন্ধুবান্ধবের পক্ষে বোঝা সম্ভব।
নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উদ্বেগজনক
সামাজিকভাবে মেলা মেশা এড়িয়ে উগ্রপন্হায় বেশি ঝুকে পড়া
ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে বেশি বেশি তর্ক করা
কথা বলার সময় অাক্রমনাত্মক ভাষা ব্যবহার এবং সহিংসতাকে প্রকাশ্যে সমর্থন
যদি পরিচিত কেউ এই ধরনের আচারন করে তবে তার সাথে সম্মিলিতভাবে বিষয়টি কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবার, ধর্মীয় নেতা, কমিউনিটি নেতা, সমাজকর্মী অথবা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

