১. গত ম্যাচে হারার পর সাকিবকে নিয়ে অনেক বিতর্ক হল। নিন্দুকেরা যেন ওঁত পেতেই ছিল। যেই বাংলাদেশ হারল সাথে সাথে সাবেক ক্রিকেটার নামে কিছু সুযোগসন্ধানী সাকিবকে নিয়ে অনেক অসত্য বক্তব্য পত্রিকায়, ব্লগে, টিভিতে দেয়া শুরু করল। কিন্তু গতকালের খেলায় সাকিব প্রমাণ করেছে দেশের ও দলের প্রতি তার অকৃত্রিম দায়িত্ববোধ। আমার সন্দেহ, বাংলাদেশের মিডিয়ায় কিছু ভারতীয় দালাল কাজ করে। এরা চাইছিল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে আঘাত করতে পারলে পুরো দলের এবং সমর্থকদের মনোবল ভেঙ্গে যাবে। যে কারণে ফালানী হত্যার প্রতিবাদে কিছু করতে চাইলে একদল ভারতীয় দালাল সেটাকে ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে সেই একইভাবে এরা আমাদের দলের ভিতর বিভেদ সৃষ্টির পায়তাঁরা করছে। সাকিবকে ঐসব কুচক্রীর কাছ থেকে দুরে রাখা উচিত। কোন পত্রিকার সাথে সংশ্লিষ্টতার দরকার নেই।
২. বর্তমান বাংলাদেশ দলে একটাই বিষফোঁড়া- সেটা হল রাকিবুল হাসান। এই ছেলেটাকে দিয়ে ব্যাটিং হচ্ছে না। এর আরও ম্যাচিউরিটির দরকার আছে। এই মুহুর্তে ৩ নং ব্যাটিং পজিশনে দরকার শাহরিয়ার নাফিসকে। আসেন আমরা সবাই রকিবুল হাসানকে বাদ দিয়ে শাহরিয়ার নাফিসকে অন্তর্ভুক্তির দাবীতে সোচ্চার হই। ব্লগে, পত্রিকার মন্তব্য কলামে, দেশের ক্রিকেটের কর্তাব্যক্তিদের ই-মেইলে আমাদের দাবী জানাতে থাকি। প্রয়োজন হলে আসেন প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করি। জিমি সিন্ডসের স্বেচ্ছাচারিতা বেশিদিন চলতে দেয়া যায় না।
৩. নভজোৎ সিং সিধু একটা বর্ণবাদী, উগ্রপন্থী ও নাক উঁচু লোক। এই লোকটি সেই প্রথম খেলার দিন থেকেই বাংলাদেশ সম্পর্কে অশোভন, আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে আসছে। এর শক্ত প্রতিবাদ দরকার। কেননা সিধু পুরো বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের বিরুদ্ধে অপ্রপ্রচার চালাচ্ছে। একই মিথ্যা কথা ক্রমাগত বলতে থাকলে একসময় সেটা অনেকে বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়। সিধুর সাথের বিশ্লেষকরা সিধুর কর্মকান্ডে মাঝে মাঝে বিরক্ত হয়ে যায়। এই বিরক্তিকর চিজটির বিরুদ্ধে ফেসবুকে, টুইটারে ফান পেজ খোলা হোক। ইএসপিএনের ওয়েবসাইটে এর বিরুদ্ধে পৃথিবীর বিভিন্নপ্রান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা নামে-বেনামে অভিযোগ পাঠান। একে যতভাবে সম্ভব অপদস্ত করতে চাই। কে কে সাথে আছেন বলেন?
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


