ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণের ভুল অনেক, সমস্যাও অনেক। ২৪ ঘন্টা মুখোশ পরে থাকলে যা হয় আরকি! মাঝে মাঝে মুখোশটা সরে যায় আর আসল রূপ বেরিয়ে পড়ে। ভদ্রমহোদয়গণের সমস্যাগুলো নিম্নরূপ-
১. ভদ্রলোকেরা মনে করেন তারা চিরনবীন। তাই হাঁটুর বয়েসীদের কাঁধে হাত রেখে সিগারেট টানা যায়। কিন্তু ইচড়েঁ পাকা পোলাপাইন মজা করে চাটি মারলেই বিপদ। তখুনিই শকুনে মেজাজটা বেরিয়ে পড়ে।
২. ভদ্রলোকেরা বিশেষ চেতনার ধ্বজ্জ্বাধারী। তাঁরা বিশেষ চেতনার আড়ালে দাঁড়িয়ে বিপরীত মতাবলম্বীদের চৌদ্দপুরুষ তুলে গালাগালি করা জায়েজ করে নিয়েছেন। কিন্তু ভদ্রমহোদয়গণ ভুলে গেছেন, তাদের চেতনা গুরুরা শেষ পর্যন্ত পাল্টা হামলার চোটে টিকতে না পেরে লেজ তুলে কলিকাতায় দেশান্তরী হয়েছেন। ক্ষয়িষ্ণু মস্তিস্কের এন্টেনায় পরিবর্তনটা ধরা পড়ে নাই।
৩. ভদ্রমহোদয়গণ অর্থ গরিমায় ভুগছেন। কিন্তু সবাই যে হা-ভাতে নয় সেটা ভদ্রমহোদয়গণ অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যাংকক-বেইজিং-কুয়ালালামপুরের গল্প করেন- শেষ পর্যন্ত ভুরুঙ্গামারীতে ছাগল চুরি করতে গিয়ে নাজেহাল হওয়ার কাহিনী বেরিয়ে পড়ে। তখন কাকে বাপ ডাকবেন আর কাকে মা ডাকবেন সেই দিশা থাকে না।
সো, মাই ডিয়ার লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান- মুখোশটা চিরতরে সরিয়ে ভাল মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেন। কোকিলের পুচ্ছ দিয়ে কাকের কোকিল হওয়ার চেষ্টা বৃথা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


