somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডেনেভার বিমান বন্দর ও এলিয়েনদের আবাস্থলে ভ্রমন

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৯৫ সালে ৩৪,০০০ একর বা এক লক্ষ ২ হাজার বিঘা জমির উপর তৈরী হয়েছে বিমানবন্দরটি যা পৃথিবীর ২য় সর্ববৃহৎ বিমানবন্দরের চেয়ে দ্বিগুণ। বিভিন্ন অংশের কাজ করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কন্ট্রাক্টরকে হায়ার করা হয় কিন্তু তাদের কাজ শেষ হবার পর বিভিন্নভাবে তাদের সকলকেই হত্যা করা হয়। অনেকের মতে প্রজেক্ট এর সম্পূর্ন্ তথ্য যাতে কেহ জানতে না পারে সেজন্য এই কৌশল নেয়া হয়। ১১০ মিলিয়ন কিউবিক গজ এলাকার মাটি সরিয়ে নেয়া হয় যা সম্পূর্ন অস্বাভাবিক।


এ কারণে অনেকের ধারণা আন্ডারগ্রাউন্ড কন্সট্রাকশনের জন্য এটি করা হয়। ৫৩০০ মাইল ফাইবার অপটিক ব্যবহার করা হয়েছে (যেখানে ইউএস এর কোস্ট টু কোস্ট দূরত্ব ৩০০০ মাইল। প্রতি মিনিটে ১০০০ গ্যালন জেট ফুয়েল পাম্প করতে পারবে যা কমারসিয়াল বিমাবন্দরের জন্য অযৗক্তিক। নির্মান সময় শেষ হবার পরও সমগ্র পৃথিবী থেকে গ্রানাইট পাথর এখানে আমদানি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের টানেল তৈরী করা হয়েছে যেখানে অসংখ্য ট্রাক ও ট্রেন চলাফেরা করতে পারে অথচ এখন পর্যন্ত এই টানেলের কোন ব্যবহার হয়নি।

অনেেকের ধারনা এটি ভবিষ্যতে কনসেনট্রেশন ক্যাম্প, সামরিকঘাটি,বা এলিটদের বাসস্থান হতে পারে। যেহেতু এটি টপ সিক্রেট যায়গা সেহেতু এর সম্পূর্ন বর্ণনা দেয়া সম্ভব নয় তথাপি যেগুলো প্রকাশ্য ও ওপেন সেরকম কিছু সিমবল ও বর্ণনা দেয়া হল:



ব্লুসিফার (ব্লু+ লুসিফার) ৩২ ফুট লম্বা দৈত্যাকৃতির একটি ঘোড়া যা ক্ষোভ বা রাগের প্রতীক। রাতের বেলায় এর চোখ লাল অলো ঝড়ায়। নির্মান সম্পূর্ন শেষ হবার পূর্বে স্থপতি Luis Jiménez কে এই জায়ান্ট হর্স হত্যা করে। ২০০৬ সালে ৯,০০০ পাউন্ডের বিশালাকৃতির ঘোড়ার অংশবিশেষ Luis Jiménez এর উপর পরে গেলে আহত হয়ে পরে মৃত্যুবরণ করেন। এরুপ দুর্ঘটনার পরেও ২০০৮ সালে বিমানকন্দরের সামনে এটি স্থাপন করা হয়।




অনেকের মতে DIA (Denever International Airport) হল Illuminati/Masons/New World Order এর গ্লোবাল শ্যাডো গভমেন্টদের গোপন আবাস। অনেকের ভাবনা DIA ভবিষ্যতে FEMA কনসেন্টেশন ক্যাম্প হিসেবে কাজ করবে। অনেকের মতে এলিয়েনদের গোপন আস্তানার সাথে আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওযার্ক এর মাদ্যমে যোগাযোগ করার জন্য এইট তৈরী। কিছুর ধারনা বিশ্বব্যাপি ধ্বংস ও বিপর্যয়ের সময় গ্লোবাল এলিটদের গোপন আস্তানা।



The airport’s runways look like a swastika.

এটি হিটলার ব্যবহৃত সাইন সোয়াস্তিকা আকারের যা সাধারণ বিমানবন্দরের রানওয়ের আকার নয়।


The airport’s dedication stone has imagery from a secret society

মার্চ ১৯৯৪ সালে এর সুতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়। এতে যে সিমবল ব্যবহার করা হয়েছে তা সিক্রেট সোসাইটি ম্যাসোনিক সিমবল। সিমবলের নিচে লেখা রয়েছে “New World Airport Commission” এর সহায়তায় নির্মিত। কিন্তু “New World Airport Commission" কি সেটা?


Some people think there’s a mysterious network of underground bunkers beneath the airport.




There are some super-creepy murals that may show the New World Order’s takeover




The other is titled “Children of the World Dream of Peace,” and is supposed to represent the desire to get rid of violence in



ust a quick zoom in on this scary Nazi soldier…





…and a quote from a child who died at Auschwitz.








The devilish mustang statue outside the airport killed its sculptor while he was working on it
বাইবেলের বর্ণনা মতে পেল/মলিন হর্স হল মৃত্যুর প্রতীক। বাইবেলে(নিউ টেস্টামেন্ট) বলা হয়েছে মলিন/বিবর্ণ হর্স এর দিকে তাকাও এবং লক্ষ কর এবং তার নাম হল মৃত এবং তাকে নরক অনুসরণ করে। পৃথিবীর ৪র্থ অংশে তাদেরকে ক্ষমতা দেয় হায়েছে ্বেং তারা অস্ত্র, ক্ষুধা, এবং পৃথিবীর পশু দিয়ে হত্যা করবে। -Revelation 6:7-8

.




পেইন্টিং এর উপরিভাগের ছোট মুখগুলো কি করছে। তারা কি এলিয়েন যারা আমাদেরকে আকাশ থেকে দেখছে?
সোর্স: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৪২
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×