শান্তির সাগরে শকুনির উৎসব, শিলা বৃষ্টির এক একটি ফোটা
চুষে চুবরে দিয়েছে সিংহের গর্জনে।
সেই সে শান্তির সাগরে
“মা ইদিত কত্ত বড় পুতুল এনেছে
দাগর দাগর চোখ হাত ভাগলে পিথন ফিলে
দাওনা এত্তা আমায় এনে।”
সূর্য পাটে লালচে আভা নিমের শাখে
বাঁশের ঝাড়ে অবসন্ন পাখির গুঞ্চন
গোধুলি দু’চোখ মাখান
খরম আর চটির টক টক পিটুনির হাক
“পা ধুইতে যাবে কে” ?
সন্ধ্যার প্রর্থনা দুধের শিশুর কান্না
পুর্নিমার চাঁদ হেসেছে অনেক আগে
মধ্যে মিট মিট তারা।
খাদ্য অন্বেষনে ছুটন্ত বাদুর উঠানে মাদুরের মেলা।
কেউ গুনে “এক, দু,পাঁচ, শাত, নয়”।
লিলি হাত বাড়িয়ে কোলের শিশুকে
“আয় আয় চাঁদ মামা চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা ”।
“লাকি শুধায়-দাদু সেই বাক্ষসের গল্পটা”।
মমিন দুষ্ট সে ধাঁ ধাঁ ধরে
“এক থাল সুপারি গুনতে পারে কোন ব্যাপারী”
এমনি করে কেটে যায় গ্রামের সন্ধ্যাটা কেটে যায় সকাল।
কৃশ অগ্র দুলিয়ে চলে অনুঢ়া
ভাদরের বান ডাকা ডেকে যায় শিস দিয়ে
দিগন্ত পেরিয়ে
আরদ্ধ প্রেম প্রিয়া সোফারের কাছে প্রতিক্ষারত
বিশদ্ধ শুদ্বা ত্রি কোন ডেকে উরুতে সুতলি
বুকে সরার মত হেতলান এক পিন্ড মাংস
লাগাম কসতে কসতে এসে বল্লো-
“ও তুমি কখন এলে এর পর আর কিছুনা র্নিবাক চাহনি
লিপিস্টিক মাখা ওঠ দু’টোর ওটা নামা।
ভিতরের ঘরে শুনা যায় মাষ্টার মশায়ের সামনে
অ-আ-ক-খ রোডিমেড চিৎকার।
হঠাৎ শুরু হলো শান্তির সাগরে শকুনির উৎসব
প্রিয়ার ঘসা মাজা কথার মত
ঠোঁট পুরে দিল কোটরে।
ফিক মেরে বেড়িয়ে এল রক্ত, মেখে নিল হুল।
মেখে দিল শান্ত মন্দিরের চৌকাঠ।
শকুনি পালিয়ে বন্দি হল মহাশুন্যে ঝুলন্ত মাধ্যাকর্ষনে
আর আমরা
আমরা নগ্ন পায়ের শপথ নেই
আর হতে দিবনা শান্তির সাগরে শকুনির উৎসব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




