somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চারতাস 2 (ধারাবাহিক ওয়েস্টার্ন গল্প )

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'কেমন আছ গেইল?' সংক্ষেপে প্রশ্ন করল বিলটন । 'এ লোক কী তোমার বন্ধু ?'

টেবিলে নিজের তাস বিছিয়ে রাখা দরকার, ভাবল অ্যালেন । 'হ্যাঁ, বন্ধু কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা; এ জায়গার মালিক ।'

'তুমি রেড রকের মালিক?' অবিশ্বাসের সাথে প্রশ্ন করল বিলটন । 'ব্যাপারটা প্রমান করা তোমার জন্য খুব কঠিন হবে, তাছাড়া এ জমি এখন আইনের এখতিয়ারে ।'

'কার আইন?' জানতে চাইল রিং । ব্রুল যে ওকে খুঁটিয়ে দেখছে, সেটা সে বুঝতে পারছে, কিন্তু এখনও নিশ্চিত হয়নি ।

'আমার । আমি টাউন মার্শাল এখানকার । এখানে একটা খুন হয়েছিল, এবং যতদিন পর্যন্ত না সে খুনের কিনারা হচ্ছে, ও খুনীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান না যাচ্ছে, ততদিন এজমিতে কেউ হাত দিতে পারবেনা । তুমি দেখছি এর মধ্যেই কিছু পরিবর্তন করে ফেলেছ, তবে আদালত তোমাকে ক্ষমা করলেও করতে পারে ।'

'তুমি টাউন মার্শাল?' হ্যাটটা মাথার পেছন দিকে ঠেলে দিয়ে তামাকের জন্য হাত বাড়াল অ্যালেন রিং । 'বেশ ইন্টারেস্টিং ব্যাপার, যে যাই হোক, আমি তোমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছি, তুমি শহরের বাইরে চলে এসেছ ।'

'তাতে কিছু আসে যায়না !' ধারালো শোনাল বিলটনের গলা । শুনেই বুঝল এরকম কথা শুনে বেশি অভ্যাস নেই মার্শালের, ওর হুকুম সাধারনত মান্য করা হয় । 'আজ রাত নামার আগেই তুমি এখান থেকে চলে যাবে ।'

'তাতে অনেক কিছু আসে যায়,' শান্তভাবে উত্তর দিল অ্যালেন । 'এ জায়গাটা পেয়েছি, আমার যথা সর্বস্ব পোকার খেলায় বাজি রেখে । চারটে তাস টেনে আমি জিতেছি, তিনটে টেক্কা ছিল তাতে । খেলাটা বোকার মত ছিল কিন্তু আমি জিতেছি । আমি দলিল রেজিস্ট্রি করেছি, সুতরাং আইনতঃ এ জমির মালিক আমি । আমি এমন কোন আইনের কথা জানিনা যে একবার খুন হয়েছে বলে তিন বছর কোন সম্পত্তি ফেলে রাখতে হবে । যদি তিন বছরেও খুনের কিনারা না হয় তো আমার পরামর্শ হচ্ছে, শহরে একজন নতুন মার্শাল দরকার ।'

রেগে গেছে রস বিলটন, কিন্তু নিজেকে সংযত রাখল সে । 'তোমাকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে, তুমি যদি নিজে থেকে না যাও, তবে আমি আমার ক্ষমতা খাটিয়ে তোমাকে উচ্ছেদ করব ।'

হাসল রিং । 'শোন বিলটন, তোমার এসব চাল ঝামেলা চায়না এমন লোকের জন্য রেখে দাও । তুমি হয়তো অনেক লোককে ধাপ্পা দিতে পারো, যে তোমার এরকম করার ক্ষমতা আছে । আমাকে তুমি ধাপ্পা দিতে পারবে না-আমি স্রেফ ভয় পাচ্ছি না, তাই না ব্রুল?'

এত দ্রুত ওদিকে ফিরল রিং, যে জিনের ওপর জমে গেল ব্রুল । থাবা মেরে পিস্তল বের করার জন্য শূন্যে নিশ্চল হল হাত । ওর মুখে বিরক্তি ছোঁয়া খেলে গেল এবং তারপর ওকে চিনতে পারল ব্রুল । 'অ্যালেন রিং,' বলল ব্রুল । 'তুমি আবার !'

'ঠিক তাই ব্রুল, শুধু এবারে ইন্ডিয়ান এলাকার মধ্যে গরু নিয়ে যাচ্ছিনা আমি । সেবারে গরুচোরের দলের সাথে ছিলে তুমি ।' বিলটনের দিকে ফিরল রিং, 'তুমি না আইনের লোক ? এ লোক তোমার সাথে কেন ? টেক্সাসের প্রত্যেকটা কাউন্টিতে ঘোড়াচরি থেকে খুনের দায় ব্রুলের নামে হুলিয়া ঝুলছে ।'

অনেকক্ষন ওর দিকে চেয়ে রইল বিলটন । 'তোমাকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে,' বলল সে ।

'আমি থাকছি এখানে,' তীক্ষ্ন গলায় উত্তর দিল অ্যালেন রিং । 'আর আবার এদিকে এলে ওই কয়োটিগুলোকে সাথে এনো না, আমি পছন্দ করছিনা ওদের !'

ব্রুলের আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে পড়ল, শীতল ক্রোধে কঠিন হয়ে পড়েছে ওর ঠোঁটজোড়া । শান্তভাবে ওকে দেখল রিং, 'তুমি জানো ও কাজ করে কোন লাভ হবেনা । আমার পিঠ ফেরানো পর্যন্ত অপেক্ষা কর । তুমি যদি পিস্তলের দিকে দিকে হাত বাড়াও তো, ঘোড়ার পিঠ থেকে ফেলে দেব আমি তোমাকে ।'

কৌতুহলের সাথে ওকে দেখছিল গেইল ট্রুম্যান । 'আজব ব্যাপার ! ব্রুল তোমাকে দেখে ভয় পাচ্ছে ! বিস্ময় প্রকাশ করল সে । 'ঠিক কে তুমি, আসলে ?'

ধীরে ধীরে হাত শিথিল করল ব্রুল । নির্বাকভাবে ওর দুই সঙ্গী বিলটন আর হেগেনের দিকে চাইল সে, চোখ গরম করে গোটা ব্যাপারটা দেখছিল ওরা ।

'কেউ না ম্যা'ম,' সরলভাবে উত্তর দিল অ্যালেন । 'আমি কোন বন্দুকবাজ নই । সাধারন একজন মানুষ, যার কিনা ভয় পাওয়ার মত যথেষ্ট ঘিলুও নেই মাথায় । ও জানে ও আমাকে হারালেও হারাতে পারে, কিন্তু ওকে আমি খুন করব । ওর সামনেই ওর এক দোস্ত ব্লেজ গার্ডেনকে খতম করেছি আমি ।'

'কিন্তু-তাহলে তুমি নিশ্চয়ই কোন বন্দুকবাজ! ব্লেজ গার্ডেন একটা খুনী ! আমি বাবা আর অন্য লোকদের ওর সম্বন্ধে গল্প করতে শুনেছি !'

'নাহ, আমি কোন গানম্যান নই । আসলে আমার আগে ড্র করেছিল ব্লেজ । সত্যি বলতে কী আমার পিস্তল হোলস্টার থেকে বের হওয়ার আগেই ওর পয়লা গুলিটা বেরিয়ে গেছে । ওর দ্বিতীয় আর তৃতীয় গুলি আমাকে আঘাত করেছিল । আমি তখনও গুলি করিনি, এগিয়ে চলেছি ওর কাছে । ঘাবড়ে গিয়ে পিছে হটল ও আর ওর চতুর্থ গুলিটা অণেক ওপর দিয়ে চলে গেল । এবারে আমি গুলি করলাম, একটা গুলিই যথেষ্ট যদি ঠিক জায়গামত লাগান যায় ।'

হাত তুলে চারপাশটা দেখাল রিং, 'কী ঘটেছিল এখানে, বলবে ?'

'আসলে খুবই সোজাসাপটা সবকিছু, এখানে এমন কিছু আছে যাতে মানুষ বন্দুকবাজিতে মেতে ওঠে । এবং একটা ঘটনা থেকে আরেকটা ঘটনায় মোড় নেয় পরিস্থিতি ।'

'হুইট বেইলি এ জায়গাটার মালিক ছিল । খুব করিৎকর্মা লোক ছিল সে । সবসময় একটা কিছু নিয়ে মেতে থাকতো সে । লম্বা, সুদর্শন একজন মানুষ, যাকে সব মেয়েরাই ভালবাসত ।'

'তুমিও ছিলে নাকি তাদের মধ্যে ?' জিগ্যেস করল রিং ।

লাল হল মেয়েটা । 'হ্যাঁ, সেভাবে বললে তাই । আমার বয়স এখন আঠারো, আর ব্যাপারগুলো ঘটেছিল তিন-চার বছর আগে, চোখে পড়ার মত কেউ ছিলাম না আমি তখন ।'

স্যাম হ্যাজলিট এ তল্লাটের সবচেয়ে ধনী লোকদের একজন, একটা ঘোড়ার ব্যাপারে হুইটের সাথে বচসা হয়েছিল তার । আশপাশে অনেক ঘোড়াচুরি হচ্ছিল তখন । হ্যাজলিট তার কিছু চুরি যাওয়া গরুঘোড়াকে হুইটের এই র্যাঞ্চে আবিসকার করে, অন্তত তার দাবি ছিল তাই । হুইট তাকে ফালতু কথা না বলতে বলে, এবং সাফ জানিয়ে দেয় এর পর থেকে যেন এ র্যাঞ্চে পা না দেয় সে । এরপর ঠিক ঘটেছিল তা নিয়ে মানুষজনের দ্বিমত আছে । হুইটের অনেক বন্ধুবান্ধব ছিল আর হ্যাজলিটের ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ চার ভাই ।

এর অল্প কিছুদিন পরে বাক হ্যাজলিটের র্যাঞ্চ থেকে কয়েকজন রাইডার এ পথ দিয়ে যেতে দেখে উঠানে, ঠিক ঝর্ণাটার ধারে একটা লাশ পড়ে আছে । ভেবেছিল হুইট বোধহয় আঘাত পেয়েছে, কিন্তু কাছে এসে দেখে, লোকটা স্যাম হ্যাজলিট । পিঠে গুলি করে মারা হয়েছে ওকে ।

'সোজা শহরের দিকে রওনা দিল ওরা, হুইটকে পাকড়াও করবে । হুইটকে পেয়েও গেল ওরা, কিন্তু গোটা ব্যাপারটা অস্বীকার করল সে । ওকে ঝোলাবে বলে ওর গলায় দড়ি পড়িয়ে দিয়েছে ওরা এমন সময় আমি-আমি শপথ করে বললাম যে আজ সারাদিনে র্যাঞে যায়নি ও ।'

'কথাটা কী সত্যি ছিলনা পুরোপুরি?' অ্যালেনের চোখ মেয়েটার মুখ পরীক্ষা করছে তীক্ষ্ন ভাবে । ওর চোখ এড়ীয়ে গেল সে, আরও লাল হয়ে উঠেছে সে ।

'না, মানে ঠিক তা নয় । কিন্তু আমি জানি ও নির্দোষ! ও কারো পিঠে গুলি করতে পারেনা । আমি ওদের বলেছি ও আমাদের বাসায় ছিল, মানে এসময় ওর পক্ষে স্যাম হ্যাজলিটকে মেরে আসা সম্ভব নয় ।'

'মানুষজন ব্যাপারটা পছন্দ করেনি । কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করে হুইট বেইলিই স্যাম হ্যাজলিটকে মেরেছে । আর কেউ কেউ ব্যাপারটা পছন্দ করেনি কারন আমি যেভাবে বলেছি কথাটা, হুইট অনেক কম বয়সী একটা মেয়ের সাথে ভাব করছিল । আমি হুইটকে আমাদের বাসার সামনে দেখিছি, যদিও বাকিটা পেট বানানো কথা । সে যাই হোক কয়েক সপ্তাহ পরেই হুইট এ জায়গা ছেড়ে চলে যায় ।'

'আচ্ছা- তো কেউ জানে না স্যাম হ্যাজলিটকে কে মেরেছে ?'

'কেউ না । একটা ব্যাপার কেউ বুঝতে পারছেনা স্যামের হিসাবের খাতাটার কী হল । জিনিসটা ছিল একটা টালি খাতার মত । অনেক জিনিস টুকে রাখত স্যাম খাতাটায় । খাতাটা ওর পকেটে পাওয়া যায়নি । কেউ জানে না ওটা কোথায় গেছে, কিন্তু ওর পেন্সিলটা পাওয়া গেছে, কাছের বালির ওপর । বাবার ধারনা, স্যাম গুলি খাওয়ার পরেও কিছুক্ষন বেঁচেছিল । ও এ সময় খাতায় খুনীর নাম লিখে গেছে । খুনী খাতাটা পেয়ে ওটা নষ্ট করে ফেলেছে ।'

'র্যাঞ্চ কর্মীদের ব্যাপার কী ? বিলটন কী ওদের জিজ্ঞাসাবাদ করেনি?'

'ওহ বিলটন! বিলটন তখনও শহরের মার্শাল হয়নি । ও তখন বাক হ্যাজলিটের র্যাঞ্চে কাজ করত । স্যামের লাশ ওই আবিস্কার করেছে !'

মেয়েটা চলে যাবার পর ঘরে ঢুকে গোটা ব্যাপারটা মনে মনে খতিয়ে দেখল । এখান থেকে চলে যাবার কোন ইচ্ছা ও নেই, এখানেই ও থাকবে । কিন্তু সমস্যাটা চমকপ্রদ ।

এ বাড়িতে বাস করে এবং চারপাশটা খতিয়ে দেখে হুইট বেইলি সম্বন্ধে অনেক কিছু জেনেছে সে । গেইল ঠিকই বলেছে । হুইট ছিল 'কাজের লোক' । কারন, আশপাশে ও হাতের তৈরি অনেক জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, মজবুত করে বানান ফায়ার প্লেস থেকে শুরু করে সুন্দর করে ছাঁটা আপেল গাছগুলো সব তার হাতের নিপুণতার পরিচয় বহন করছে । লোকটা কোন খুনী ছিলনা যে সে ব্যাপারে বাজি ধরতে রাজি আছে অ্যালেন ।

টেইলর বলেছিল হুইট বেইলি সীসার বিষক্রিয়ায় মারা গেছে । কে ওকে মেরেছিল ? কোন সাধারন তর্কাতর্কি ঘটিত ডুয়েল? নাকি প্রতিশোধ নিতে এসেছিল কোন বন্দুকধারী ? নাকি কারোর ধারনা হুইট খুব বেশি কিছু জানে, ওকে চুপ করেই দেয়া দরকার?

'জায়গাটা পছন্দ করবে তুমি,' বলেছিল টেইলর । মানে কী দাঁড়াল? জায়গাটা বেন টেইলর এসে দেখে গেছে! যতই দেখছে ততই জটিল মনে হচ্ছে পরিস্থিতিকে । রাতের খাওয়া সেরে ঘরের বাইরে গিয়ে কেবিনের দেয়ালে হেলান দিয়ে একটা সিগারেট ধরাল অ্যালেন ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালো লাগে

লিখেছেন আরমান আরজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
×