somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উড়ন্ত অশ্বারোহী (গল্প)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুল: অ্যামব্রোস বিয়ার্স


শরৎকাল, 1861 সাল । আমেরিকান গৃহযুদ্ধ চলছে ।

পশ্চিম ভার্জিনিয়ার এক বনের ধারে লরেল ঝোপে নীচে একজন সৈনিক শুয়ে ছিল । শরীরটা পুরোপুরি লম্বা করে, উপুর হয়ে শুয়েছিল সে । তার বাড়ানো ডানহাতটা আলগোছে ধরে আছে রাইফেলটা । কিন্তু ওর ছড়িয়ে থাকা হাত-পাগুলো আর বেল্টের পিছন দিকে আটকানো কার্তুজের বাক্সের নিয়মিত ওঠানামা দেখে বোঝা যাচ্ছিল ও আসলে মরেনি, ঘুমিয়ে আছে । পাহারা দেয়ার সময়ে ঘুমিয়ে আছে ও । ধরা পড়লে সেজন্য মৃত্যুদন্ড হতে পারে ওর ।

লরেলের যে ঝোপটার পাশে ও ঘুমিয়ে আছে সেটা থেকে নেমে যাওয়া ঢালটার নীচ দিয়ে একটা পথ বাঁকাভাবে চলে গেছে । সোজা পশ্চিমে শ'খানেক গজ গিয়ে উপরের দিকে উঠে আবার জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে আঁকাবাঁকা সর্পিল গতিতে চলে গেছে ওটা । উপরের বাঁকটার ধারেই একটা মস্ত চ্যাপ্টা পাথরের চাঁই পড়ে আছে । উত্তরের দিকে বেরিয়ে আসা ঢালটার কাঁধে পাথরটার অবস্থান । পাথরের চাঙ্গরটা থেকে একটা নুড়ি ছুঁড়ে ফেললে সেটা দু'হাজার ফিট নীচের পাইন ঢাকা উপত্যাকায় গিয়ে পড়বে । সৈনিকটা যেখানে ঘুমিয়ে আছে সেটা থেকেও অনেকদূর চোখ পড়ে । ও যদি জেগে থাকতো তাহলে হয়তো ক্লিফের দৃশ্য দেখে ওর মাথা ঘুরে উঠত ।

উত্তরের উপত্যকাটার ছাড়া চারপাশটা বনে ঢাকা । উপত্যাকার মাঝখানে একটা প্রাকৃতিক খোলা জায়গা, সেটার মধ্যে দিয়ে একটা ছোট ঝর্ণা বইছে । খোলা জায়গাটা দেখতে একটা ঘরের দরজার সমান দেখালেও আসলে সেটা আয়তনে কয়েক একর জমি । চারপাশের বনভুমি থেকে সে জায়গাটার ঘাসের রং যেন আরো বেশি সবুজ । আসলে উপত্যকাটার গঠনটাই এরকম যে কীভাবে রাস্তাটা এরকম জায়গায় ঢোকার প্রবেশাধিকার পেল সেটাই আশ্চর্যের বিষয় ।

আসলে কোন জায়গা যত বুনো আর দুর্গমই হোক মানুষ সেটাকে যুদ্ধের ময়দান বানাতে দ্বিধা করবে না । নীচের বনটা একটা মস্ত ইঁদুর ধরা ফাঁদে পরিনত হয়েছে বলা যায় । বনে ঢোকার পথে পঞ্চাশজন সৈন্য একটা পুরো বাহিনীকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে । সেখানে ফেডারেল বাহিনীর পাঁচটা রেজিমেন্ট মোতায়েন আছে । গতকাল সারাদিন এবং সারারাত ওরা মার্চ করে এসে এখন বিশ্রাম করছে । আজ রাতেই আবার পথে নামবে ওরা । ঢাল বেয়ে যেখানে এখন ঘুমন্ত প্রহরী শুয়ে আছে সেখানে উঠে আবার অপরঢালে নেমে মাঝরাতের দিকে একটা কনফেডারেট ঘাঁটিতে আকস্মিক হামলা চালানোর উদ্দেশ্য ওদের । ওদের অভিযান ব্যার্থ হলে সাংঘাতিক বিপদে পড়তে হবে ওদের । পুরো অপারেশনটাই শত্রুকে চমকে দেয়ার উপর নির্ভর করছে ।

লরেল ঝোপে ঘুমিয়ে থাকা অল্পবয়সী ভার্জিনিয়ান সান্ত্রীর নাম কার্টার ড্রুজ । স্বচ্ছল বাবা-মার একমাত্র সন্তান, পশ্চিম ভার্জিনিয়ার মত জায়গায় উচ্চবিত্তের আয়েশী জীবনে অভ্যস্ত ছিল সে । ওর বাড়ি এখান থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে । একদিন সকালে ব্রেকফাস্ট শেষে উঠে গম্ভীরভাবে বলল ও, 'বাবা, গ্রাফটন শহরে একটা ইউনিয়ন রেজিমেন্ট এসেছে । আমি ওতে নাম লেখাতে যাচ্ছি ।'

লম্বা চুলওয়ালা সিংহের মত মাথাটা ওর দিকে ফেরালেন বাবা । এক মুহুর্ত চুপ থেকে তিনি বললেন, 'কার্টার, তোমার যা ভাল মনে হয় তুমি তাই করবে । ভার্জিনিয়ার কাছে তুমি একজন বিশ্বাসঘাতক, তোমাকে ছাড়াই চলে যাবে তার । তোমার মা, ডাক্তারের মতে খুব নাজুক অবস্থায় আছেন, এবং সম্ভবত কয়েক সপ্তাহ বাঁচবেন । তাঁকে এ কথা বলে বিরক্ত না করাই ভাল হবে বেল আমি মনে করি ।'

অতএব কার্টার ড্রুজ উঠে মাথা নুইয়ে তার ছোটবেলার বাসা ছেড়ে বেরিয়ে সেনাদলে যোগ দিল । অধ্যাবসায় আর সাহস দেখিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ও বাহিনীতে নাম করে ফেলল । এ তল্লাটটা তার ভাল জানা আছে বলেই তাকে আজকের এই আউটপোস্ট ডিউটি তাকে দেয়া হয়েছে । সে যাই হোক, ক্লান্তির জোর দায়িত্ববোধ থেকে শক্তিশালী প্রমানিত হয়েছে, সে ঘুমিয়ে পড়েছে । কিন্তু কোন অদৃশ্য শক্তি তাকে নিঃশব্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে জাগিয়ে দিল । বাহু থেকে মাথা তুলে লরেলের গোড়ার ফাঁক দিয়ে সে চাইল সামনের দিকে । রাইফেলের বাঁটের উপর নিজের অজান্তেই শক্ত হল তার আঙ্গুল ।

তার প্রথম অনুভুতিটা ছিল শৈল্পিক আনন্দের । সোজা উপরে উঠে গেছে আকাশ ছোঁয়া ক্লিফটা । শৈলশিরাটার গায়ে ফুটে আছে একজন অশ্বারোহীর দেহরেখা । কোন পৌরাণিক গ্রীক দেবতার মত বলিষ্ঠ স্বাচ্ছন্দ্যে বসে আছে সে । পরনের কন ফেডারেট বাহিনীর ধুসর উর্দি আর ঘোড়ার গায়ে ধাতব বাকলস চমৎকার ভাবে মিশে গেছে সিলুয়েটে । অশ্বারোহীর ডানহাত লাগামে ধরা আর বাঁ হাতে একটা খাটো ব্যারেলের কার্বাইন ধরা । গোটা দৃশ্যটাই একটা ক্যামিও ছবির মত, আরোহীর বাঁ দিকে ফেরানো মুখে পাশ থেকে আসা আলোয়ে দাড়ি আর কপালের রেখা দেখা যাচ্ছে । লোকটা নীচের ইউনিয়ন বাহিনীর শিবির গুলো দেখছে ।

এক মুহুর্তের জন্য ড্রুজের মনে হল ও যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিল, এখন জেগে উঠে সে একটা অসামান্য শিল্প কর্ম দেখছে । অনুভুতিটা থাকল না যখন ঘোড়াটা সামান্য নড়ে উঠল, যদিও সওয়ারী একই রকম স্থির রইল জিনের উপর । রাইফেলের বাঁটটা সাবধানে গালের পাশে টেনে এনে ঝোপের মধ্যে দিয়ে ব্যারেলটা তাক করল ও । রাইফেলটা কক করে সাইটের মধ্যে দিয়ে অশ্বারোহীর বুকের উপর স্থির করল নিশানা । এবারে ট্রিগারে চাপ দিলে কাজ শেষ হয় কার্টার ড্রুজের । এমন সময়ে ঘোড়সওয়ার লোকটা ঘুরে একদম ঝোপের মধ্যে কার্টার ড্রুজের লুকানো জায়গাটার দিকে চাইল । ড্রুজের মনে হল লোকটা একেবারে ওর অন্তরের অন্তস্থল পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছে ।

কেন যুদ্ধে একজন শত্রুকে হত্যা করা এত কঠিন কাজ ? একজন শত্রু যে তার রেকি করতে গিয়ে এমন গোপন খবর জেনে ফেলেছে যা জানলে পুরো বাহিনীই আক্রান্ত হবে ? হঠাৎ রক্তশুন্য হয়ে পড়ল কার্টার ড্রুজ । সে মনে মনে দেখতে পাচ্ছে তার সঙ্গী সাথীরা সব এক এক করে শুন্যে উঠে যাচ্ছে আগুন রঙা আকাশে । রাইফেলটা পড়ে গেল ওর হাত থেকে, আরেকটু হলেই জ্ঞান হারাতো কার্টার ।

একটু পরেই মুখ তুলে চাইল কার্টার । হাতে উঠে এসেছে রাইফেল । তর্জনি খুঁজে পেল ট্রিগার । শত্রুকে বন্দী করা যখন সম্ভব নয়, ওকে হুঁশিয়ার করে দিলে লোকটা পালাবে, সাথে নিয়ে যাবে তার গোপন খবর । সৈনিকের কর্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার, বহিরাগত শত্রুর স্কাউটকে দেখা মাত্র গুলি করতে হবে । অবশ্য একটা আশা আছে, ঘোড়সওয়ার লোকটা হয়তো কিছুই দেখতে পায় নি । ওকে শান্তিমত চলে যেতে দিলে কিছু আসে যায় না । ভেবে নীচের দিকে মাথা ঘোরাল কার্টার, ঢালের নীচের সৈন্য আর ঘোড়ার সারি চলাচল করছে । কোন এক আহাম্মক কমান্ডার দিনের আলোয় ঘোড়াকে পানি খাওয়ানোর হুকুম দিয়েছে । দৃশ্যটা আশপাশের একশোটা পাহাড়ের চুড়া থেকে দেখা যাবে !

উপত্যকা থেকে চোখে ফিরিয়ে অশ্বারোহীর দিকে চোখ ফেরাল কার্টার, এবারেই রাইফেলের সাইটের মধ্যে দিয়ে । এবারে কার্টারের নিশানা ঘোড়াটা, এমন সময় বাবার কথা মনে পড়ল তার 'যাই ঘটুক না কেন তোমার দায়িত্ব তুমি পালন করবে ।' শান্ত বোধ করল সে কথাটা মনে করে । কার্টারের দাঁত জোড়া শক্ত হয়ে চেপে বসে আছে, স্নায়ু শিথিল । বন্ধ করে রাখা নিশ্বাস এখন নিয়মিত ছন্দে চলছে । দায়িত্ববোধ পরাস্ত করেছে বিবেককে । গুলি করল কার্টার ।

ঠিক সেই মুহুর্তে একজন ইউনিয়ন অফিসার আশপাশের এলাকা ভাল করে দেখার জন্য বেরিয়ে ছিলেন । ক্লিফের গোড়ায় দাঁড়িয়ে সামনের দিকে প্রায় সিকি মাইল দূরে পাইন গাছেগুলোর গোড়ার কাছ থেকে একটা খাড়া পাহাড়ের ঢাল উঠে গেছে । ক্লিফের দিকে চাইলে মাথা ঘুরে যায় উচ্চতার কারনে । সেদিকে তাকিয়ে আশ্চর্য এক দৃশ্য দেখতে পেলেন তিনি । ক্লিফের মাথার প্রান্ত থেকে একজন অশ্বারোহী আকাশে ভেসে চলেছে !

শক্ত জিনের উপর পিঠ সোজা করে ফৌজি কায়দায় বসে আছে আরোহী, লাগামটা শক্ত করে ধরা যেন এমন সাংঘাতিক একটা পথে ঘোড়াকে হুঁশিয়ারভাবে ধরে রাখতে চায় সে । সওয়ারীর খোলা মাথার চুল উড়ছে । ঘোড়াটা এমনভাবে চলছে যেন সমান মাটির উপর ওর চার পায়ের খুর পড়ছে, যদিও ওর পা ছোঁড়ার ভঙ্গি ছুটন্ত ঘোড়ার মতই । পাখির মত উড়ে যাচ্ছে ঘোড়াটা !

আকাশে উড়ন্ত ঘোড়াটাকে দেখে অফিসারের হাঁটু দুর্বল হয়ে ভাঁজ হয়ে গেল । প্রায় সাথে সাথেই আশপাশে কোথাও একটা কিছু ধসে পড়ার শব্দ পাওয়া গেল । কোন প্রতিধ্বনি ছাড়াই মিলিয়ে গেল শব্দটা ।

কাঁপতে কাঁপতে উঠে দাঁড়ালেন অফিসার । ঘষা খাওয়া হাঁটুতে জ্বালা ধরার ব্যাথা বাস্তবে নিয়ে এল তাঁকে । জোরে হেঁটে ক্লিফের আধা মাইল দূরে গিয়ে কোন কিছু দেখতে ব্যার্থ হলেন তিনি । আরেকটু ভাল ভাবে ভাবলে বুঝতে পারতেন তিনি, শুন্যে মার্গের অশ্বারোহীর গতি আসলে ছিল নীচের দিকে । ক্লিফের গোড়ার দিকে খুঁজলেই যা খুঁজছেন পেয়ে যেতেন তিনি । প্রায় আধঘন্টা পরে ক্যাম্পে ফিরে আসলেন তিনি ।

অফিসার বুদ্ধিমান লোক ছিলেন, যা দেখেছেন সেব্যাপারে তিনি কিছুই বললেন না । কিন্তু কমান্ডার যখন জিগ্যেস করলেন স্কাউটিংএ গিয়ে কোন নতুন কিছূ জেনেছেন কি না অফিসার ।

'ইয়েস স্যার । দক্ষিন দিক বের হবার কোন রাস্তা নেই ।'

কমান্ডার হাসলেন, আসলে তিনি জানেন কথা তা নয়, এ এলাকা ভাল করে জানেন তিনি ।

গুলি করার পর রাইফেল রিলোড করে চুপচাপ আবার পর্যবেক্ষণ চালিয়ে গেল কার্টার ড্রুজ । দশ মিনিট মত পরে একজন ইউনিয়ন বাহিনীর সার্জেন্ট সাবধানে হামাগুঁড়ি দিয়ে তার পাশে এল । কিন্তু ড্রুজ একভাবে নিঃসাড় হয়ে পড়ে রইল ।

'তুমি গুলি করেছিলে?'

'হ্যাঁ ।'

'কীসের দিকে?'

'একটা ঘোড়া । ওই পাথরটার উপর দাঁড়িয়ে ছিল ওটা । সোজা নীচে পড়ে গেছে ওটা ।'

ড্রুজের মুখ রক্তশুন্য কিন্তু ভাবলেশহীণ । কথা বলে পাশ ফিরে শুয়ে থাকল সে । সার্জেন্ট কিছু বুঝতে পারছে না ।

'দেখো ড্রুজ,' মুখ খুলল সার্জেন্ট । 'এরকম রহস্য করে কোন লাভ নেই । তুমি রিপোর্ট করে আসো ঘটনাটা । ঘোড়াটায় সওয়ারী ছিল ?'

'হ্যাঁ ।'

'কে সে?'

'আমার বাবা ।'

উঠে দাঁড়িয়ে হাঁটতে শুরু করল সার্জেন্ট । 'গুড গড!' আপন মনে স্বগোতক্তি করল সে ।

শেষঃ
ল্প
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অদৃশ্য অসুখের দৃশ্যমান সংকট: দ্বৈত বাস্তবতার প্রভাব

লিখেছেন বাঙালী ঋষি, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:০৭



আধুনিক সভ্যতা একটি মৌলিক বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—যা পরিমাপযোগ্য, সেটাই বাস্তব। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতি এই বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করেছে। আমরা জানি কীভাবে শরীরের অসুখ নির্ণয় করতে হয়, কীভাবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেড ইন বাংলাদেশ ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২২


দেশপ্রেমের সংজ্ঞাটা আমাদের দেশে ঋতুভেদে বদলায়। তবে ২০২৪-এর জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা এক নতুন ধরনের সিজনাল দেশপ্রেম দেখলাম। একে বলা যেতে পারে "রিটার্ন টিকিট দেশপ্রেম"। যারা দেশে বিদেশে আরাম-আয়েশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

image upload problem

বাংলাদেশে একসময় খুব জনপ্রিয় একটা পরিচয়-“আমি সুশীল”, “আমি নিরপেক্ষ”, “আমি কোনো দলের না”। এই পরিচয় ছিল আরামদায়ক, নিরাপদ, সম্মানজনক। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের কৃষি আধুনিকায়ন রোডম্যাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিপত্র রূপরেখা : পর্ব -১ ও ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১১


প্রস্তাবিত রূপরেখা: কৃষিকে জীবিকানির্ভর খাত থেকে প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ু-সহনশীল
ও বৈশ্বিক বাজারমুখী বাণিজ্যিক শিল্পে রূপান্তরের জাতীয় কৌশল প্রস্তাবনা ।

বাংলার মাঠে প্রথম আলোয়
যে ছবি আসে ভেসে
কাঁধে লাঙল, ঘামে ভেজা মুখ
কৃষক দাঁড়ায় হেসে।

সবুজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি ধার্মিক না মানুষ?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

ধার্মিক হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ধার্মিক হওয়া সহজ। বিজ্ঞানী হওয়া সহজ কথা নয়। পিএইচডি করা সহজ কথা নয়। সেই তুলনায় কোরআন মূখস্ত করা সহজ। জন্মগত ভাবে আমি বাপ মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×