ইচ্ছা করলে তিনি স্টিভ গিলিসের মতো অতি উৎসাহী বন্ধুদের নাম করতে পারতেন, কিন্তু তা না করে তিনি পাঁচজন নিরপেক্ষ লোকের নাম করলেন, এদের মধ্যে দুজন পাদ্রিও ছিলেন । এদেরকে চিঠি দিলেন ল্যাংডন, চিঠিগুলোর উত্তর পাওয়ার পর স্যামকে ডেকে পাঠালেন স্টাডিতে ।
চিঠিতে তাঁরা সকলেই স্যামুয়েল ল্যাংহর্ন ক্লিমেন্স/মার্ক টোয়েন কে চমৎকার মানুষ হিসেবেই জানেন, কিন্তু তাঁর কাছে মেয়ে বিয়ে দেয়ার ঝুঁকি নেয়া যেতে পারে এমন মত তাঁরা দেবেননা ।
চিঠিগুলো পড়ার পর মি. ল্যাংডন চুপ করে রইলেন, মার্ক টোয়েনও কি বলবেন ভেবে পাচ্ছিলেননা, জারভিস ল্যাংডন জিগ্যেস করলেন সরাসরি "কি রকম লোক এরা? পৃথিবীতে তোমার কোন বন্ধু নেই নাকি?" "নেই বলেইতো মনে হচ্ছে" বললেন টোয়েন ।
"তা হলে আমিই হবো তোমার বন্ধু., মেয়েটিকে তোমাকে দিলাম, এদের চেয়ে অনেক বেশি চিনি আমি তোমাকে" ।
1869 সালে 4ঠা ফেব্রুয়ারি বিয়ের কথা পাকা হলো, তবু একবছর অপেক্ষা করতে হলো । একটা নিয়মিত আয়ের আশায় বাফেলো এক্সপ্রেস দৈনিকের শেয়ার কিনলেন মার্কটোয়েন। বিয়েটা হয়েছিলো 2রা ফেব্রুয়ারি 1870 সালে এলমিরায় ।
দাওয়াত ছিলো একশো উপর বেশি লোকের । অসুস্থতার কারনে মার্ক টোয়েনের মা জেইন ক্লিমেন্স আসতে পারেনি কিন্তু বড়বোন পামেলা আর ভাগ্নী অ্যান মোফেট এসেছিলেন ।
বিয়ের পরদিন বিকেলে নিউ ইয়র্ক থেকে ট্রেনে বাফেলোতে এসে নামলেন, একসার স্লেজ দাঁড়িয়ে ছিলো । মার্ক টোয়েন তাঁর পরিচিত মিঃ স্লি কে একটা বোর্ডিং হাউজ ভাড়া করতে বলেছিলেন, বিবাহিত জীবনটা শাদামাটা ভাবেই শুরু করতে চান ।
কিন্তু স্লেজগুলো বাফেলোর সবচেয়ে অভিজাত রাস্তা ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউ ধরে চলতে লাগলো দেখে বেশ অবাক হলেন, স্লেজ চালক কি পথ ভুল করছে? লিভি ব্যাপারটা জানতেন কিন্তু মুখ খুললেন না । অবশেষে স্লেজটা এসে থামলো সুন্দর একটা দোতলা বাড়ির সামনে, সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেলেন তাঁরা, জারভিস ল্যাংডন একটা ছোট্ট বাক্স, ওর মধ্যে এ বাড়ির দলিল, স্যাম আর লিভির বিয়েতে তাঁর উপহার ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



