somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মার্ক টোয়েন (পর্ব 16)

১৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কয়েকদিন পর স্যাম পুরোনো বন্ধু জিমি গিলিসকে লিখলেন চিঠিতে,

"Oh I am a lucky man! I have evrything that a person can ask for, a beautiful & gifted wife, a marvelous home, a great job. But from now I am going to do what I had always wanted to do, that is to test the ultimate range of this amazing tongue, the English Language...."

হ্যানিবাল শহরের সেই উদ্দেশ্যহীন, অনাথ, ভবঘুরে কিশোর ! অনেক ঘাটের পানি খেয়ে, অনেক অভিযান শেষে তিনি এসেছেন এই বাফেলো শহরে । এর পরের পনেরো বছরে তিনি যা লিখবেন, প্রায় অবধারিতভাবে তাই হবে ক্লাসিক (রাফিং ইট, দ্য গিলডেড এজ, অ্যাডভেঞ্চার অভ টম সয়্যার, অ্যাডভেঞ্চার অভ হাকলবেরি ফিন, প্রিন্স অ্যান্ড দ্য পপার, লাইফ অন দ্য মিসিসিপি ) । প্রায় পঞ্চান্ন বছর পর বিশের দশকে গারট্রুড স্টেইন/আর্নেস্ট হেমিংওয়ে/এফ স্কট ফিটজেরাল্ড বা প্যারিসবাসি "লস্ট জেনারেশন" লেখকদের অভ্যুদয়ের আগ পর্যন্ত প্রায় সমস্ত ইংরেজভাষী লেখকই প্রভাবিত হবেন মার্ক টোয়েনের লেখনী বলয়তে ।

প্রচলিত সমাজের প্রতি প্রচ্ছন্ন বিদ্রুপ, দুর্বলের প্রতি সহানুভুতি আর তীক্ষ্ণ বাস্তববোধ টোয়েনের লেখার প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেটা উনিশ শতকের অন্যান্য লেখকদের থেকে তাঁকে আলাদা করে রেখেছে । যদিও ভাঁড়ামির মাত্রা টোয়েনের অনেক লেখায় সীমা ছাড়িয়ে গেছে । রেসিজমের অপবাদ অনেক ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে দেয়া সম্ভব । সত্যিকার অর্থেই মার্ক টোয়েন প্রথম আমেরিকান মৌলিক লেখক । মানে টেকনিকের ব্যাপারে মৌলিক, জেমস ফেনিমমোর কুপার, নাথানিয়েল হথর্ন আর হারমান মেলভিল হয়তো টোয়েনের আগে আমেরিকান সাহিত্যে পদচারনা করেছেন, কিন্তু কৌশল তাঁরা ধার করেছিলেন ইউরোপের কাছ থেকে ।

মার্ক টোয়েন আক্ষরিক অর্থেই ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে মানে , থ্যাকারে, পো, ডিকেন্সদের গথিক, সেন্টিমেন্টাল, রোমান্টিক ধারা থেকে ইংরেজি ভাষা কে বিশ শতাব্দীর আধুনিক সংশয়বাদী ও পরীক্ষনবাদী ধারায় নিয়ে এসেছেন । আর মার্ক টোয়েনের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে আড়ষ্ট বিশুদ্ধ বইয়ের ভাষায় আটকে না থেকে তিনি সাধরন মানুষের মুখের ভাষা ব্যাবহার করেছেন যতদূর সম্ভব । যে জন্যই এতো জীবন্ত মনে হয় টম স্য়্যার আর হাকলবেরি ফিনকে ।

মার্ক টোয়েন আক্ষরিক অর্থেই ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে মানে, থ্যাকারে, পো, ডিকেন্সদের গথিক, সেন্টিমেন্টাল, রোমান্টিক ধারা থেকে ইংরেজি ভাষা কে বিশ শতাব্দীর আধুনিক সংশয়বাদী ও পরীক্ষনবাদী ধারায় নিয়ে এসেছেন । আর মার্ক টোয়েনের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে আড়ষ্ট বিশুদ্ধ বইয়ের ভাষায় আটকে না থেকে তিনি সাধরন মানুষের মুখের ভাষা ব্যাবহার করেছেন যতদূর সম্ভব । যে জন্যই এতো জীবন্ত মনে হয় টম স্য়্যার আর হাকলবেরি ফিনকে ।

তবে বেশী দিন ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউতে থাকতে পারেন নি মার্ক টোয়েন । তাঁর শ্বশুর, জার্ভিস ল্যাংডন অসুস্থ হয়ে পড়েন । তার কিছুদিন পরে পরলোক গমন করেন । মার্ক টোয়েনের প্রথম সন্তান, ল্যাংডন ক্লিমেন্স জন্ম নিয়ে বেশি দিন বাঁচে নি ।

1872 সালে এলমিরার কাছে পাহাড়ের উপর কোয়ারি ফার্ম কেনেন মার্ক টোয়েন । বাফেলোতে আর ফিরে যাবেন না ঠিক করে বাফেলোর বাড়িটা বেচে দেয়া হয় । জায়গাটা ছিল লিভির বোনের সম্পত্তি । ওখানে বসেই মার্ক টোয়েন 'রাফিং ইট' বইটার তৈরি করতে শুরু করেন । খসড়াটা দাঁয করিয়ে ফেলেছেন এমন সময় বেড়াতে এলেন তাঁর বন্ধু জো গুডম্যান । গুডম্যানকে পান্ডুলিপিটা পড়তে দিলেন তিনি ।

গুডম্যান পড়ছেন তো পড়ছেনই, নার্ভাস হয়ে পায়চারী করতে লাগলেন ক্লিমেন্স । পড়া শেষে গুডম্যান বলেন এ যাবৎ যা কিছু লিখেছেন তার মধ্যে এ বইটা সবচেয়ে সেরা তো বটেই, অসাধারনও । বড়ভাই ওরাইওনের সাথে পশ্চিমে যাত্রার বর্ণনা দিয়ে শুরু করেছেন, শেষ হয়েছে হাওয়াইতে গিয়ে । আত্বজীবনীরই একটা টুকরো অংশ, কিন্তু লিখেছেন এতো মসৃন ভাষায় তা উপন্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে (কিছু কিছু অংশ যে অতিরঞ্জিত করেননি তা বলা যাবে না) । খসড়াটা পড়ে জো গুডম্যান বললেন এ লেখাটা এযাবৎ লেখা মার্ক টৌয়েনের সেরা লেখা ।

স্যাম ক্লিমেন্স, পুরনো মনিব গুডম্যানকে বললেন তিনি যদি এখানে মানে কোয়ারি ফার্মে থেকে স্যামকে পান্ডুলিপি দেখতে সাহায্য করেন তাহলে তিনি জো'কে বেতন দেবেন! জো অবশ্য জানালেন মাইনে নেবার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই, তবে তিনি এমনিতেই কিছুদিন ক্লিমেন্স পরিবারের সাথে থাকতে পারেন ।

মে মাসে স্যাম, এলিশা বি্লসকে চিঠি লিখে বললেন বারোশো পাতার মতো পান্ডুলিপি তৈরি করেছেন তিনি এবং দিনে প্রায় ত্রিশ থেকে পঁয়ষট্টি পৃষ্ঠা করে লিখছেন । বাফেলো এক্সপ্রেস পত্রিকার মালিকানা লোকসানে বেচে দেয়াতে দেনায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে । বক্তৃতা দিবে সেটা উশুল করার জন্য কোমর বেঁধে লেগে পড়লেন তিনি ।

সেই গ্রীস্মে ক্লিমেন্স পরিবার কানেক্টিকাটের হার্ট ফোর্ড শহরে ফরেস্ট স্ট্রিটের হুকার হাউজে উঠে এলেন বসবাসের জন্য । হার্ট ফোর্ডে মার্ক টোয়েনের অনেকগুলো আকর্ষণ ছিল, এখানে তাঁর প্রকাশকরা থাকতেন, এবং বেশ কিছু নাম করা লেখকের ডেরা ছিল তখন হার্টফোর্ড । আরো ছিলেন বন্ধু রেভারেন্ড জো টুইচেল । বাফেলোর বাড়িটা বেচে তল্পি-তল্পা গুটিয়ে হার্টফোর্ডে বসত গাড়লেন এই উদীয়মান লেখক ।

বইটা শেষ হবার পরে পুরোদমে বক্তৃতা দিতে লাগলেন । বস্টন বাড়ির কাছে হওয়াতে সুবিধাই হলো, কারন বস্টন ছিল লেকচার সার্কিটের প্রধান প্রাণ কেন্দ্র । উইলিয়াম ডিন হাওয়েলস, ব্রেট হার্ট (হার্ট তখন পূবে চলে এসেছেন) এদের সাথেও আড্ডা মারা যেত বস্টন গেলে ।

1872 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে 'রাফিং ইটের' কপি এল প্রেস থেকে । আপাততঃ লেকচার দেয়া থেকে অব্যাহতি পেয়ে খুশি হলেন তিনি । ততোদিনে বাফেলোর দেনা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি আর 'রাফিং ইট' থেকে মোটা অংকের অগ্রীম পেয়েছেন ।

'রাফিং ইট' বইটা তার আগের ইনোসেন্ট অ্যাব্রডের মতই একেবারে আনকোরা ধাঁচে লেখা । সীমান্তের জীবনের একেবারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাথা তুলে এনেছেন মার্ক টোয়েন । দশ বছর আগে ভাই ওরাইওনের সাথে পশ্চিম যাত্রাই এ বইয়ের পটভুমি । সম্পুর্ণ আত্ব জীবনীমুলক উপন্যাস । তবে যে ধাঁচের হিউমার তিনি ব্যাবহার করেছেন সেটা কারো কারো কাছে একটু বাড়া বাড়ি মনে হতে পারে ।

1872 সালটা মার্ক টোয়েনের জন্য একটা ঘটনাবহুল বছর । এ বছর তাঁর শিশুপুত্র ল্যাংডন ক্লিমেন্স মারা গেল এবং সুজি ক্লিমেন্স নামে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হলো । এবং সে বছরই তিনি ইংল্যান্ডে যাত্রা করলেন ।

মার্ক টোয়েন আক্ষরিক অর্থেই ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে মানে, থ্যাকারে, পো, ডিকেন্সদের গথিক, সেন্টিমেন্টাল, রোমান্টিক ধারা থেকে ইংরেজি ভাষা কে বিশ শতাব্দীর আধুনিক সংশয়বাদী ও পরীক্ষনবাদী ধারায় নিয়ে এসেছেন । আর মার্ক টোয়েনের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে আড়ষ্ট বিশুদ্ধ বইয়ের ভাষায় আটকে না থেকে তিনি সাধরন মানুষের মুখের ভাষা ব্যাবহার করেছেন যতদূর সম্ভব । যে জন্যই এতো জীবন্ত মনে হয় টম স্য়্যার আর হাকলবেরি ফিনকে ।

তবে বেশী দিন ডেলাওয়ার অ্যাভিনিউতে থাকতে পারেন নি মার্ক টোয়েন । তাঁর শ্বশুর, জার্ভিস ল্যাংডন অসুস্থ হয়ে পড়েন । তার কিছুদিন পরে পরলোক গমন করেন । মার্ক টোয়েনের প্রথম সন্তান, ল্যাংডন ক্লিমেন্স জন্ম নিয়ে বেশি দিন বাঁচে নি ।

1872 সালে এলমিরার কাছে পাহাড়ের উপর কোয়ারি ফার্ম কেনেন মার্ক টোয়েন । বাফেলোতে আর ফিরে যাবেন না ঠিক করে বাফেলোর বাড়িটা বেচে দেয়া হয় । জায়গাটা ছিল লিভির বোনের সম্পত্তি । ওখানে বসেই মার্ক টোয়েন 'রাফিং ইট' বইটার তৈরি করতে শুরু করেন । খসড়াটা দাঁয করিয়ে ফেলেছেন এমন সময় বেড়াতে এলেন তাঁর বন্ধু জো গুডম্যান । গুডম্যানকে পান্ডুলিপিটা পড়তে দিলেন তিনি ।

গুডম্যান পড়ছেন তো পড়ছেনই, নার্ভাস হয়ে পায়চারী করতে লাগলেন ক্লিমেন্স । পড়া শেষে গুডম্যান বলেন এ যাবৎ যা কিছু লিখেছেন তার মধ্যে এ বইটা সবচেয়ে সেরা তো বটেই, অসাধারনও । বড়ভাই ওরাইওনের সাথে পশ্চিমে যাত্রার বর্ণনা দিয়ে শুরু করেছেন, শেষ হয়েছে হাওয়াইতে গিয়ে । আত্বজীবনীরই একটা টুকরো অংশ, কিন্তু লিখেছেন এতো মসৃন ভাষায় তা উপন্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে (কিছু কিছু অংশ যে অতিরঞ্জিত করেননি তা বলা যাবে না) । খসড়াটা পড়ে জো গুডম্যান বললেন এ লেখাটা এযাবৎ লেখা মার্ক টৌয়েনের সেরা লেখা ।

স্যাম ক্লিমেন্স, পুরনো মনিব গুডম্যানকে বললেন তিনি যদি এখানে মানে কোয়ারি ফার্মে থেকে স্যামকে পান্ডুলিপি দেখতে সাহায্য করেন তাহলে তিনি জো'কে বেতন দেবেন! জো অবশ্য জানালেন মাইনে নেবার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই, তবে তিনি এমনিতেই কিছুদিন ক্লিমেন্স পরিবারের সাথে থাকতে পারেন ।

মে মাসে স্যাম, এলিশা বি্লসকে চিঠি লিখে বললেন বারোশো পাতার মতো পান্ডুলিপি তৈরি করেছেন তিনি এবং দিনে প্রায় ত্রিশ থেকে পঁয়ষট্টি পৃষ্ঠা করে লিখছেন । বাফেলো এক্সপ্রেস পত্রিকার মালিকানা লোকসানে বেচে দেয়াতে দেনায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে । বক্তৃতা দিবে সেটা উশুল করার জন্য কোমর বেঁধে লেগে পড়লেন তিনি ।

সেই গ্রীস্মে ক্লিমেন্স পরিবার কানেক্টিকাটের হার্ট ফোর্ড শহরে ফরেস্ট স্ট্রিটের হুকার হাউজে উঠে এলেন বসবাসের জন্য । হার্ট ফোর্ডে মার্ক টোয়েনের অনেকগুলো আকর্ষণ ছিল, এখানে তাঁর প্রকাশকরা থাকতেন, এবং বেশ কিছু নাম করা লেখকের ডেরা ছিল তখন হার্টফোর্ড । আরো ছিলেন বন্ধু রেভারেন্ড জো টুইচেল । বাফেলোর বাড়িটা বেচে তল্পি-তল্পা গুটিয়ে হার্টফোর্ডে বসত গাড়লেন এই উদীয়মান লেখক ।

বইটা শেষ হবার পরে পুরোদমে বক্তৃতা দিতে লাগলেন । বস্টন বাড়ির কাছে হওয়াতে সুবিধাই হলো, কারন বস্টন ছিল লেকচার সার্কিটের প্রধান প্রাণ কেন্দ্র । উইলিয়াম ডিন হাওয়েলস, ব্রেট হার্ট (হার্ট তখন পূবে চলে এসেছেন) এদের সাথেও আড্ডা মারা যেত বস্টন গেলে ।

1872 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে 'রাফিং ইটের' কপি এল প্রেস থেকে । আপাততঃ লেকচার দেয়া থেকে অব্যাহতি পেয়ে খুশি হলেন তিনি । ততোদিনে বাফেলোর দেনা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি আর 'রাফিং ইট' থেকে মোটা অংকের অগ্রীম পেয়েছেন ।

'রাফিং ইট' বইটা তার আগের ইনোসেন্ট অ্যাব্রডের মতই একেবারে আনকোরা ধাঁচে লেখা । সীমান্তের জীবনের একেবারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাথা তুলে এনেছেন মার্ক টোয়েন । দশ বছর আগে ভাই ওরাইওনের সাথে পশ্চিম যাত্রাই এ বইয়ের পটভুমি । সম্পুর্ণ আত্ব জীবনীমুলক উপন্যাস । তবে যে ধাঁচের হিউমার তিনি ব্যাবহার করেছেন সেটা কারো কারো কাছে একটু বাড়া বাড়ি মনে হতে পারে ।

1872 সালটা মার্ক টোয়েনের জন্য একটা ঘটনাবহুল বছর । এ বছর তাঁর শিশুপুত্র ল্যাংডন ক্লিমেন্স মারা গেল এবং সুজি ক্লিমেন্স নামে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হলো । এবং সে বছরই তিনি ইংল্যান্ডে যাত্রা করলেন ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪৩
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×