এক সময়ের সুন্দরী সুঢলা, যৌবনা ডেইজী বেগমের দেহখানা আজ তিলে তিলে ক্ষয় হইতেছে । তাহার সেই রূপ-লাবণ্য আজ আর অবশিষ্ট নাই । এখন তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হইয়া পরপারের যাত্রী !
নগ্ন সভ্যতার অশোভনীয় জোয়ারে ভাসিয়া বেড়ানো এই নারীটিকে দেখিলে যে কেহ বুঝিতে পারিবে তাহার বিষন্নতার কথা ।
অথচ তিনিই একদিন কুরআন-হাদীসের বিরোধীতা করিয়া কত প্রশংসা পাইয়াছেন । নারীনেত্রী, ত্যাগী, তেজস্বিনী, বীরাঙনা-বিশেষণের পর বিশেষণ ।
তিনি তাহার জীবনে আনন্দ আর প্রশান্তি খুঁজিয়াছেন বিভিন্ন ক্লাব ও হোটেলে । নারী আন্দোলনের নামে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ করিয়া সর্বনাশ করিয়াছেন বিভিন্ন নারীর নৈতিক ও বংশীয় শৃংখলা । ধ্বংস করিয়াছেন তাহাদের পারিবারিক ও সামাজিক মান-মর্যাদা ।
তাহার ক্ষোভ-ইসলাম পুরূষের বেলায় একাদিক বিয়ে বৈধ করিতে পারে অথচ একজন নারীর বেলায় কেন এত সংকীর্ণতা ?
তাহার ধারণা যে, ইসলামের অনুদার দৃষ্টিভঙি সমগ্র নারীজাতির জন্য অপমানজনক । এই ঘৃণিত প্রথা দূর করিবার জন্য নারী সমাজকে সচেতন হইতে হবে । পুরূষের পাশাপাশি নারীকে সমঅধিকার দিতে হইবে ।
বহূগামী স্বভাবের নারীবিলাসী কতিপয় বুদ্ধিজীবির প্ররোচনায়, বাতিল ও শয়তানিয়্যাতের দুর্দান্ত দাপটে ডেইজী বেগমের অবস্থা এখন মুমূর্ষু । যিনি নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্টার জন্য একাদিক পুরূষের বিছানায় সঙিনী হইয়া অন্তরে তৃপ্তি অনুভব করিয়াছেন, বহূ পুরূষের বাহূতলে নিজেকে সমর্পন করিয়া একটু প্রশান্তি খুঁজিতেন, সেই ডেইজীর জীবনে আজ মানুষ ধ্বংসকারী এইডস রোগ -সর্পের ন্যায় ফনা তুলিয়া মুখ ভ্যাংচাইয়া উপহাস করিতেছে ।
তাহার কাছে কেবলই মনে হইতেছে কোন নরকাগি্নর আহবান যেন তিনি শুনিতে পাইতেছেন । পৃথিবীর সুধা বিস্বাদে ঠেকিয়াছে যেন ।........
জীবনে সে নিষ্ঠুর হইলেও মরণে সে আলিঙন করিবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

