বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের জন্য আমাদের প্রচুর রক্ত দিতে হয়েছে । কিন্তু কেন ? তার কারন কি ? এদেশ ছিল অতীতে সম্পদশালী । ইংরেজরা দুশ বছর শোষন করে নিয়ে গেছে সব । তার পর ইংরেজদের তাড়িয়ে পাকিস্তান অর্জন হয় । কিন্তু বাঙালীর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি । পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্টী আমাদের উপর শোষন চালায় । আমাদের ভাতের অধিকার,শিক্ষার অধিকার,চাকুরির অধিকার সহ সব অধিকারই ছিনিয়ে নেয় ।তখন বাঙালীরা নিজেদের অধিকার আদায়ে স্বাধীনতা যুদ্্বের সূচনা করে । কিন্ত সে সময় দেশেরই কিছু অবানচিত লোক 14 কোটি বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একাত্মতা ঘোষণা করেনি । বরং তাহারা পাক হানাদারকে প্রত্যক্ষ মদদ দিয়ে এদেশের তিরিশ লক্ষ মানূষের জীবন হরন করেছে ।অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করেছে । ওদেরকে আমরা রাজাকার বলে ডাকি । ওরা দেশের শত্রু , ওরা খুনি ,ওরা ঘৃণিত ।
বাংলাদেশ আজ স্বাধীন । কিন্তু মানূষ গূলো কি আজও স্বাধীন ? এখন আমাদের নেতা-নেত্রীরাই আমাদের উপড় শোষন চালায় । 16 কোটি জনতার সম্পদ লুঠ করে নিজেদের নামে গাড়ি-বাড়ী,বড় বড় অঠ্রালিকা বানায় । হরতাল,ধর্মঘট দিয়ে দিন মজুর রিক্সা চালকের পেঠে লাথি মারে । জনগনের সম্পদ নষ্ট করে । হরতালের দিন নিরীহ মানূষকে পুরিয়ে মারে । বিদ্যুৎ এর দাবীতে যখন জনগন রাস্তায় আসে তখন তাদেরকে গূলি করে হত্যা করে । ওরা দেশ চায়না , জনগনের শান্তি চায়না । ওরা ক্ষমতা চায় ।ক্ষমতার লোভে ওরা অন্ধ হয়ে গেছে । ওরা 71 এর রাজাকার দের সঙে নিয়ে সভা করে । ক্ষমতার লোভে তাদের সাথে হাত মিলায় । কোন দলই বাদ নেই,সব দলই নিজেদের স্বার্থে তাদেরকে ব্যাবহার করে । আবার ওরাই রাজাকার রাজাকার বলে চেচা-মেচি করে । বড় বড় বক্তৃতা দিয়ে বেড়ায় । এখন রাজাকারের গাড়িতে লাল-সবুজের পতাকা পত-পত করে উড়ে । হাজার হাজার মূক্তিযুদ্্বাদের ভীরে রাজাকাররা একাকার । খালেদা-হাসিনা, মন্ত্রি- আমলা ,নেতা-পাতিনেতা সবাই এখন মূক্তিযুদ্্বা । 16 ই ডিসেম্বরে জাতীয় স্মৃতি সৌধে ওরা ফুল দেন । গোলাপ ফুল , বেলী ফুল , আরো কত ফুল ! এই সমস্ত ফুলের মৌ মৌ গন্ধে সহিদদের আত্মা শান্তি পায় ... না অভিশাপ দেয় । তা আমি জানিনা । কারো জানার স্বাধ্য নেই ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




