সর্ব প্রথম স্মরণ করছি ঐ মহান সত্তাকে যিনি আমাদেরকে একবিন্দু অপবিত্র পানি থেকে সৃষ্টি করে প্রায় দশমাস দশদিন মায়ের পেঠে পরম মমতায় সংরক্ষন করে পরে অনাকাংক্ষিত সরূ পথ দিয়ে ভূপৃষ্টে অবতরন করিয়েছেন । এবং সাথে সাথে মায়ের বক্ষ থেকে এত ! সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও মানানসই খাবার দান করেছেন । যে খাবারের বিকল্প আজ পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করতে পারেননি । আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের অতি উৎকর্ষ সাধনে কিছু কিছু মানুষের মস্তিস্কের বিকৃতি সাধিত হয়েছে । হাজার হাজার মানুষ এখনও আল্লাহ তায়ালার অসীম ক্ষমতা ও অস্তিত্বকে বিশ্বাস করতে পারছেনা । আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা অকাট্য দলিল দ্্বারা প্রমাণিত । কিন্ত তাঁরা ব্যাঙের আধুলি পরিমাণ জ্ঞান দিয়ে ব্যাঙের মত ফালা-ফালি করে । কথায় কথায় যুক্তি খুজে বেড়ায় । আমি তাদের বলব ঃ এই খুটিবিহীন সুবিশাল আকাশ, যমীন, দিন-রাতের পরিবর্তন কে পরিচালনা করেন ? মাটি থেকে বিভিন্ন গাছ-গাছালী ও আকাশ থেকে কে বৃষ্টি ঝড়ান ? প্রতিদিন নিদৃষ্ট সময়ে পূর্বদিক থেকে সূর্য্য উদয় করে পশ্চিমে অস্তমিত করেন । কে ঐ সত্তা ? কে ??
দুনিয়ায় কি এমন কোন বিজ্ঞানী আছে -যে মাত্র এক মিনিটের জন্য সূর্য্যকে উত্তরদিক থেকে উদয় করে দক্ষিনে অস্তমিত করতে পারে ?
আলকোরআন হচ্ছে ঐ মহা পরাক্রমশালীর বাণী ; যিনি কিছু বলা মাত্রই -হয়ে যায় !! অনেক বিজ্ঞানীরাও আজ পবিত্র কোরআনের সব বিস্ময়কর তত্ত্ব স্বীকার করে নিয়েছেন ।
মনে রাখতে হবে 'আল কোরআন' সকল প্রকার সন্দেহ ও সংশয়ের ঊর্ধে । দুনিয়ায় বিজ্ঞানের যত আবিষ্কার ও উদঘাটন তার উৎস হল আল্লাহ পাকের ঘোষিত বিজ্ঞানময় আল কোরআন , যা তাঁর নিদর্শন সমূহে পরিপূর্ণ ।
আল্লাহ বলেছেন ঃ
''ভূপৃষ্টে সকল গাছ কলমে এবং সমুদ্রের পানি যদি কালিতে পরিণত হয় , তার পরেও সাত-সমুদ্র যদি কালিতে পরিণত হয় তবুও আল্লাহর কথা ( প্রশংসা ) শেষ হবেনা । নিশ্চয় আল্লাহ বিজয়ী এবং প্রজ্ঞাময় । (সুরা লোকমান ঃ 27)
এখন আসি অন্য একটি বিষয়ে ঃ-
গত কাল উৎস' নামের এক সম্মানিত ব্লগার '' নূহ নবীর কেচ্ছা'' শিরোনামের লেখাটি নিয়ে কিছু বলতে চাই যে , পবিত্র কোরআন শরীফে এ সম্পর্কে বিস্তিৃত কোন বিবরণ নেই , শুধু ঘটনার উল্লেখ ছাড়া ।
যেমন আল্লাহ বলছেন ঃ ''তার পর আমি আসমানের দরজা খুলে দিলাম যার ফলে অবিরাম বর্ষণ হতে থাকল । আর ভূমি হতে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ । (সুরা ক্বামার ঃ 11 ও 12-এর প্রথমাংশ )
এতে বুঝা গেল যে , নূহ (আঃ )এর জাতিকে এভাবেই আল্লাহ তায়ালা ধ্বংস করেছেন । যা নিঃসন্দেহে একটি সত্য কাহিনী । তবে সময়ে নূহ নবীর (আঃ ) নৌকায় কতজন মানুষ এবং কতজোড়া প্রানী আশ্রয় পেয়েছিল - তা বিভিন্ন প্রাচীন গ্রনহাদি ও বিভিন্ন তাফসীরের কিতাব থেকে পাওয়া যায় ।
আমি এই সংখ্যা তত্ত্ব নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাইনা । শুধূ উৎস ভাইয়ের ঐ কথার জবাব দিতে চাই যে , মাত্র 80 জন ব্যাক্তি কি ভাবে হাজার হাজার প্রানীর খেদমত করল ? তিনি এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন !!
জবাবে বলছি ঃ ঘটনাটি যেহেতো আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে হয়ে ছিল , তাই অবশ্য এটা তাঁর জন্য একটি সাধারণ কাজ ! তিনি ইচ্ছা করলে এই মহা বিশ্বকে একটি ছোট গ্লাসে ভরে না খাওয়ায়েও বাঁচিয়ে রাখতে পারেন ! যা আপনার-আমার কারোই বুঝার সাধ্য নাই । এগুলো সব বিশ্বাস এবং উপলব্ধির বিষয় ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



