কোন কোন বিষয়ে মতের ভিন্নতার পরিপ্রেক্ষিতে দুপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনার মাধ্যমে মীমাংসায় উপনীত না হওয়ার কারণ হল- বোঝার অভাব, দৃষ্টির সংকীর্ণতা, জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা এবং উপলব্ধি বা বিশ্বাসের দুর্বলতা । সেজন্য যুগ যুগ ধরে মতবাদের বিভিন্নতা এবং চিন্তাধারার পার্থক্য বিরাজমান ।
সব মানুষ আদম সন্তান হলেও মানুষ নানা ভাবে বিভক্ত ।
আমি একজন মুসলমান । মুসলমান হওয়ার কারণে আমি স্রষ্টার স্বরূপ, মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য ও পরিণাম জানতে পেরেছি । দ্্বীন ইসলামে বিশ্ব মানবতার সঠিক ও সুন্দর ব্যাখ্যা ও বর্ণনা দেওয়া আছে । ইতিহাস সাক্ষী আদম ( আঃ )- এর পৃথিবীতে আসার পর একমাত্র শেষ নবীর ( সঃ ) মদীনায় ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েম থেকে চার খলিফার শাসনকাল পর্যন্ত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইনসাফপূর্ণ সমাজ কায়েম ছিল । আমার কাছে বিশ্ব মানবতার মাপকাঠি ওটাই । আল্লাহ তায়ালা কোরআনে সত্য মিথ্যা এবং সুন্দর অসুন্দরের ফয়সালা করে দিয়েছেন । কাজেই আমি কোরআন থেকে সত্য ও সুন্দর বাক্যগুলো শিখছি এবং এই মাপকাঠিতেই আমার জীবন পরিচালনা করতে চাই ।
তাছাড়া আমি মনে করি, অর্থহীন, অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যা ও কুৎসিত কথা বলে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না ।
জীবন খুবই দ্রুত বয়ে যায় এবং অতি দীর্ঘও নয় । কথা কম কাজ বেশি ।
আমি কোরআন শিক্ষার ফলে আরো যা উপলব্ধি করতে পারছি, তা হল - যে অন্যের ব্যথায় সমব্যথি হতে জানেনা, মানুষের হৃদয়ের দুর্দিনে আরেকটা মানুষ তাঁকে হৃদয় দিয়ে চিনলোনা, তার প্রয়োজন আমার কাছে নেই ।
যারা মানুষকে ভালোবাসার বদলে চোঁখে শ্রাবণের বারিধারা উপহার দেয়, আশার বিনিময়ে হৃদয়ের পটে নিরাশা বিলিয়ে দেয়, যে মাঝ দরিয়ায় নিয়ে গভীরে ফেলে দিতে একটুও সংকোচবোধ করেনা । সে তো বিশ্বাসঘাতক- মানুষ ধ্বংসকারী এইডস রোগের ভাইরাস ।
আমরা মানুষেরা যদি ব্যথা-বেদনা, যন্ত্রনা আর কষ্টের পরিবর্তে মানুষকে একটু স্নেহ, ভালোবাসা আর সমবেদনা জানাতাম, সবাই যদি বিবেকের লাগাম টেনে মনের ঘোড়াকে সামলে রাখতে পারতাম তাহলে এই পৃথিবীটা স্বর্গে পরিণত হত । আমরা মানুষ নামের জানোয়ারগুলো অন্তত সুখে থাকতাম ।
মানুষের মুখের কোন কোন কথা এতই পীড়া এবং বেদনাদায়ক যে, ধনুকের চাইতে বাঁকা ও তীরের চাইতেও মারাত্মক ।
শ্রদ্ধেয় বড় ভাই সাদিক মোহাম্মদ আলম সহ আমার সকল সতীর্থ ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি ঃ যে, খুবই সাদামাটা জীবনের অধিকারী এক যুবক আমি । আর হৃদয়টাও কাচের মত স্বচ্ছ । আমি সহজেই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠি , এটাই মনে হয় আমার সবচেয়ে বেশি দুর্বলতা ।
ইচ্ছায় অনিচ্ছায় কারো মনে যদি আঘাত দিয়ে থাকি তাহলে ক্ষমা করে দিবেন ।
আমি আন্তরিকভাবে আপনাদের কল্যাণ ও দীর্ঘায়ু কামনা করি ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



