কিন্তু হায় ! কেহই তাঁহার লুকাইয়া থাকা প্রতিভা বিকশিত হইতে দিলনা । তাঁহার সমস্ত বুকটা দিন রাত ব্যথায় টনটন করিতে লাগিল, মনে হইতেছে যে,সমস্ত প্রতিভা যেন ঐখানে আসিয়া জমাট বাঁধিয়াছে । উহার যদি মুক্তি হয় , বাঁচিয়া যাইবেন ।
এমনিতেই গ্রামের ডাকঘরের ডাকটিকিট বাবদ বহূত দেনা পড়িয়াছে । বাবার ধানের গোলা থেকে কিছু ধান চুরি করিয়া বিক্রয় শেষে সামান্য ঋন মারিয়াছিলেন বটে ।
ইহার কয়েক মাস পরের ঘটনা, -জনাব ফ্লাডার সাহেব বাপ-দাদার জায়গা জমি বিক্রয় করিয়া এক ইন্টারনেট ক্যাফের ঝাড়ুদারের বিসায় বিদেশে পাড়ি জমাইয়াছেন । সেখানে এক বাঙালী ব্লগারের সাথে পরিচয়ের সুত্র ধরে এক পর্যায়ে সামহ্যোয়ার ইন ব্লগের ঠিকানা উদ্ধার করিলেন । বেশ, সেই থেকেই ফ্লাডিং শুরূ । ফ্লাডিং শব্দটি ইংরাজী হইলেও সম্প্রতি আমাদের এই ব্লগে বিশেষ পরিচিতি লাভ করিয়াছে । যাঁহারা ফ্লাডিং মারেন তাঁহাদেরকে ফ্লাডার বলা হইয়া থাকে । আমাদের সাধারণ মানুষের মতো তাঁহাদেরও দুইটি কান আছে, হাত আছে, পা আছে, তবে দুই পা'য়ের মাঝখানের ঐ বিশেষ অঙটি আছে কি-না বলিতে পারিবনা । আমাদের মতো তাঁহাদের দুইটি চোঁখও আছে, তবে পার্থক্য এতটুকুই যে, আমরা দেখিতে পাই কিন্তু তাঁহারা দেখিতে পান না ।
হায় !! তাঁহাদের মনের চোঁখে যদি এক টুকরা আলো থাকিত .........!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০০৬ দুপুর ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



