ছোট বেলায় বান্দরের খেলা দেখতাম। বান্দর শ্বশুর বাড়ি যাইত সাইকেলে কইরা। বান্দরের ছোট বৌ, বড় বৌ; গ্রামের মাতবর সাইজা কত খেলাই না দেখাইছে। ওই সময় বান্দরের অভিনয় দেইখা ভালোই মজা পাইতাম। টিকেট কাইটাও বান্দরের খেলা দেখতে গেছি।
কিন্তু হঠাৎ একদিন গিয়া দেখি সবই চেঞ্জ। মানুষে বান্দরের খেলা দেখাইতাছে আর বান্দর খাড়াইয়া খাড়াইয়া হাত তালি দিতাসে। মাঝে মাঝে পাবলিকরেও লাঠি দিয়া খোঁচা মারে। আমার সামনে আইতেই দিলাম এক লাথি, 'তুই বান্দর থাকবি বান্দরের মত, বান্দর হইয়া মানুষের বিচারক হইবি কেন?'
বান্দররে দিয়া লম্ফ জম্ফ সম্ভব,বান্দর দিয়া বান্দরামী সম্ভব। নৃত্যকলা বা নৃত্যকলার বিচার সম্ভব না।
এ.টি.এম শামসুজ্জামান বলেছেন জিয়াউর রহমান মনেপ্রাণে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। বাইচান্স মুক্তিযোদ্ধা।
বাই চান্স মুক্তিযোদ্ধা আবার কি? মক্তিযোদ্ধারা যখন জীবন বাজি রেখে যুদ্ধের ময়দানে লড়ছিলেন তখন এই এ.টি.এম শামসুজ্জামানেরা কি করছিলেন? এফডিসিতে বইয়া বইয়া নায়িকার সাথে ওপেন টু বাইস্কোপ. নাইন টেন তেইশ কোপ খেলতে ছিলেন। আইজ এরা আইছে মুক্তিযোদ্ধের সার্টিফিকেটে দিতে কে বাই চান্স মুক্তিযোদ্ধা আর কে ফুল মুক্তিযোদ্ধা।
একজন মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেম নিয়া শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধ বিরোধী প্রশ্ন তোলতে পারে, কোন মুক্তিযোদ্ধা বা দেশপ্রেমিক দ্বারা এমন প্রশ্ন তোলা সম্ভব না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



