গণ জাগরণ মঞ্ছ নিয়ে সরকারের দ্বিমূখী আচরন প্রকাশ হয়ে পড়েছে। যারা আওয়ামীলিগকে দীর্ঘ দিন চিনেন তারা অনেকেই বলেন, আওয়ামীলীগের রাজনীতি বোঝার সাধ্য দেশের জনগন তো দূরের থাক অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদরাই বুঝতে পারেননা অনেক সময়। আর তরুণ প্রজন্ম যারা রাজনীতি থেকে দূরে তারা রাজনীতির মারপ্যাচ অনেকেই বোঝেননা
আওয়ামীলিগ কখনো এককার্ডে খেলেনা। এক ইস্যুতে একাদিক পথ তারা খোলা রেখে। তাতে তারা অধিকাংশ সময় দেশবাসীকে ধোকা দিয়েছে। এইবার ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক ইস্যুকে তারা ডাইভার্ট করেছে এই কৌশলে।
যার সর্বশেষ স্বীকার হল গণ জাগরন মঞ্চ। গণজাগরন মঞ্চ কে সরকার ব্যবহার করছে এটা দিবালোকের মত সত্য। এতে আমার আপত্তি নাই, রাজনৈতিক দল তার সুবিধা নিতেই চাইবে। কিন্তু দ্বিমূখী আচরন নিয়ে কথা বলার অবকাশ আছে।
শাহবাগের আন্দোলনকে সরকার আরো বহুদিন রাখবে, সহযোগিতা করবে। এতে তাদের স্বার্থ আছে। শাহবাগ দিয়ে মিডীয়ার ফোকাস টেনে নিয়েছে, এতে তত্ত্বধায়ক, হলমার্ক, শেয়ার মার্কেট, আবুল ও পদ্মা, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, আইসিএল গ্রপ, ইলিয়াস আলি গুম সহ হাজারো ইস্যুকে চাপা দিতে পেরেছে।
তাই এটা চলুক তারা চাইবে, সহযোগিতা করবে স্বাভাবিক
তার প্রমান চট্টগ্রামে সমাবেশ বাতিল। হেফাজতে ইসলামকে সরকারের এত ভয় পাওয়ার কারন কি? এর পুর্বে সারাদেশে মসজিদ থেকে মুসল্লিরা যখন রাস্তায় নেমেছিল তখনও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্র হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে তারা বের হতে পারেনি পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারনে।
এখন এমন কি হল সরকার হেফাযত ইসলামকে এত তেল মারতেছে? কারণ আর কিছু নাই, শাহবাগের নেতাদের বুঝানো সরকার ছাড়া তারা অচল। এতে শাহবাগ মঞ্চ আরও বেশি করে আওয়ামী নির্ভর হবে, তবে সরকার মঞ্চকে রাখবে। কারন এটা তাদের দরকার, এটা দিয়েই সকল ইস্যু ধামাচাপা দেওয়া ও অন্তত আরও কয়েক মাস চালিয়ে চাওয়া সরকারের লক্ষ্য।এই খেলা শাহবাগের উদীয়মান হঠাত নেতৃত্ব পাওয়া নেতারা বুঝতে পারেননি।
এখনো হয়ত বুঝতেছেননা বা বুঝলেও কিছু করার নেই।
আপাতত তারা রাজনৈতিক গুটির চাল। এটা ইতিহাসে নতুন নয়। আগেও আরো এমন অনেক ভাল উদ্যোগ এমনি ভাবে বেদখল হয়েছে। লাভের গুড় পিপড়া খেয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



