somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অধ্যাপক ইউনুস: প্রভুভক্তির স্বীকৃতি মিললো অবশেষে

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অবশেষে শিকে ছিড়লো। এতদিন লাগলো এটি ঘটতে সেটি বিস্ময়কর! তবে ব্যতিক্রম হয়নি এটা স্বস্তিদায়ক। গ্রামীন ব্যাংকের কর্ণধার অধ্যাপক ইউনুস নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। না পেলে তার প্রতি বিরাট অবিচার করা হতো। পুজিবাদের এক ঘোরতর দূর্দিনে তিনি পুজিবাদ কে দেখিয়েছেন নতুন আশার আলো। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শ্রম শোষণের এক নবতর পথ নির্মান করেছেন সাফল্যের সাথে। হয়ে উঠেছেন শোষকদের ত্রাতা। পুরস্কারটা পেতে একটু বেশি সময়ই লাগলো!
অনেক দিন আগে র্কাল মার্কস নামের একজন দার্শনিক একটি বৈষম্যহীন সমাজ খুজে ফেরার তাড়নায় পুজিবাদের ক্ষয়ের বেশ কিছু দিক খুজে বের করেছিলেন। শ্রম শোষনের চুড়ান্ত মাত্রায় জমে যাওয়া পুজি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল তার মধ্যে অন্যতম। মার্কস পরবর্তীকালে এ সমস্যা নিয়ে পুজিবাদীদের মধ্যে দুটি বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত হয়ে গেছে। বাজার খোজা ও বিনিয়োগ করা নিয়ে। সমঝোতা করার জন্য বানানো হলো বিশ্বব্যাংক যাতে বড়ো ভাইরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া ফ্যাসাদ না করে আপোষের ভিত্তিতে শোষণ-লুটপাট করতে পারে ছোটদের ওপর; তা নিশ্চিত করাই ঐ ব্যাংকের কাজ। জন্মলগ্ন থেকেই সে নিষ্ঠার সাথে পালন করছে তার ওপর অর্পিত দ্্বায়িত।্ব তারপর কতো ঘাটের জল কতো দিকে গড়ালো! অত কথা বলতে গেলে আসল কথাই বলা হবেনা।
সমসাময়িককালে পুজিবাদ আবারো যখন যুদ্ধ, বৈষম্য আর অমানবিকতার পর্বতসম ভাবমূর্তি নিয়ে প্রায় নুয়ে পড়তে যাচ্ছে, শোষণের মূল ক্ষেত্র তৃতীয় বিশ্ব নিয়ে পলিসির ক্রাইসিস কাটাচ্ছে, স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন প্রোপাগান্ডা অন্তসার শুন্য বলে প্রমানিত হয়েছে এবং ল্যাটিন আমেরিকাসহ তৃতীয় বিশ্বের মানুষ পুজিবাদের অনিবার্যতা যুদ্ধ এবং ক্ষুধা থেকে মুক্তি খুজছে তখনই আর্বিভুত হলেন একজন পয়গম্বর, ত্রাতা। যিনি চমৎকার সব মুখোশের আড়াল তৈরি করে পুজিবাদ দিলেন এক রঙীন, উজ্জল চেহারা। তার মতবাদের নাম ক্ষুদ্র ঋন। দরিদ্রের আসল পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটিয়েই তার শ্রম শোষন সম্ভব হয় এই মতবাদে। সুদ আর বন্ধকীর ওাদে আটকে ফেলে পুজিবাদের মুঠোর মধ্যে পুরে নেয়া যায় নিরন্ন-অভাবী মানুষকে। সবচেয়ে বড়ো সুবিধা এই যে , এ ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচনের কোন সুযোগ তৈরি হয়না। বাহ, এই তো চাই। যে পয়গম্বর পুজিবাদের ত্রাতা হয়ে আসলেন তিনি আমাদেরই অধ্যাপক ইউনুস।
ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে খুব আড়ম্বর হবে নি:সন্দেহে। তাতো হবেই.........

বাবু বলেন চুদির ভাই,
আমরা আল্লাদে ভেসে যাই।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মৃত ১১০ জনকে জীবিত ফিরিয়ে আনুন

লিখেছেন চাঙ্কু, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ ভোর ৪:০৬



খুব সিম্পল একটা সামাজিক আন্দোলন - কোটা সিস্টেম সংস্কার করে একটা ফেয়ার কোটা সিস্টেম রাখা। আহামরি অন্য কোন দাবীও নাই যা সরকারের পক্ষে রাখা সম্ভব না। শিক্ষামন্ত্রী বা সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদালতের রায়ে কি সমাধান আসবে? কি হতে পারে বর্তমান অবস্থায়:

লিখেছেন সরলপাঠ, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ সকাল ১১:৪৯

কোটা সংস্কার নিয়ে আজকের অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ মূলত সরকারের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্তের ফল। গত কয়েকদিনে ২০০ এর অধিক মানুষকে হত্যার জন্যে সরকারই দায়ী। বর্তমান অবস্থায় সরকারের জন্যে সহজ কোন পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কোমলমতি "কোটা পরিবর্তনের" আন্দোলন করেনি!

লিখেছেন সোনাগাজী, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ বিকাল ৪:৩৬



**** কোর্ট কোমলমতি ফেইসবুকারদের "মোয়া" ধরায়ে দিয়েছে: কোটার ৯৩% নয়, ১৯৩% চাকুরীও যদি কোমলমতিদের দেয়া হয়, তারপরও ৪০ লাখ শিক্ষিত বেকার থাকবে; কারণ, কোটার শতকরা হার বাড়োনো হয়েছে কোমলমতিদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে ইন্টারনেট আসার আগে, এই পোষ্টটা সরিয়ে নেবো। (সাময়িক )

লিখেছেন সোনাগাজী, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ৮:০৯



ভোলার মানুষজনের ১টা শান্ত্বনা আছে, উনারা সামান্য পয়সা দিয়েও মাঝে মাঝে ইলিশ পেয়ে থাকেন; অনেকে বিনা পয়সায়ও পেয়ে থাকেন মাঝে মাঝে; ইহা ব্যতিত অন্য কিছু তেমন নেই; ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×