
ঝগড়া যখন চরমে ওঠে
পাশের চাচা আর চাচীতে,
হামেশাই তারা লেগে আছে
দেখি ছুরি আর কাঁচিতে ।
চাচা বলে, তুমি সব রান্নাতে
কেন দাওগো বেশি নুন,
কেন দাও খুব বেশি ঝাল
খেলে জ্বলে যায় পিলে খুন।
লাগে কেন বলো খুবই তেতো
কেন লাগে খেতে বিচ্ছিরি,
দেখেছি যখনই রাঁধো গো তুমি
বেগুন করলার ঐ চচ্চড়ি।
নিম আর বেগুন মিশিয়ে ভাজা
মুখে রোচা দায় ও ছেঁচকি,
আমাকে খালি খাওয়ানো তেতো
এই তোমার মনে প্যাঁচ কি ?
যতবার রাঁধো দেখি বার বার
মোচা কি থোরের ঘন্ট,
কষা খেয়ে খেয়ে বসে যায়
ওগো মোর এ কোকিলকন্ঠ ।
মাংসের ঝোলে দেখি চোখমেলে
জলে ঢেলে করো জলাশয়,
গামছা পড়ে হয়গো নামতে
তবু মাংস পাওয়া যে দায়।
চাচী বলে ওগো সোনা, বোঝ না তো কিছু
মাথা নাইক তোমার মোটে,
কোথায় শুনেছো বলো করলা
খেতে লাগে বেশ মিঠে ?
নিম তো কখনো হয় না চিনি
খেয়ে দেখো কেমন তিতা,
হাড় মাস মোর এখনো খাচ্ছো
এখন জ্বালাও আমার চিতা ।
মাংসের ঝোল খাবে তুমি
কি করে জল না ঢেলে,
এমন আজব বুদ্ধি তুমি
বলো গো কোথায় পেলে ?
ভালো যদি না না লাগে খেতে
আমার করা ওই রান্না,
যাও দেখো কোন পেত্নি পাওতো
তাকেই ঘরেতে আনো না।
আমাকে এবার দাও গো বিদায়
আমার আর লাগে না ভালো,
হাড়ে লাগুক বাতাস আমার
এবার লাগুক চাঁদের আলো ।
চাচা বলে সোনামনি মোর
হেঃ হেঃ মিছেই তোমায় খ্যাপাই,
তুমি থাকলে আমার পাশে,
আমার থাকে না কোন হ্যাপাই।
মাঝে মাঝে রাগাই তোমায়
দেখি মেঘ জমে ও চাঁদ মুখে,
তুমি তো আমার নয়নের মণি
আছো গো আমার এই বুকে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



