
প্রলুব্ধ আমি নাকি জাগতিক মঙ্গল গ্রহাক্রান্ত,
উত্তর দিকে হুপিং-কাশির দাগ অন্য দিকে প্রেম ব্যামো;
রোহিঙ্গা নাকি দিব্যি আছে শুনেছি হুম, বুঝেছি;
এদিকে কারফিউ অন্যদিকে জনতা জ্যাম ক্লান্ত।
একের পর এক সময় গজায় আগাছায়,
একের পর এক বারে মরে রোদ ছায়ায়,
একের পর এক নিউরন শীতল হঠাও আস্ফালন;
এ কেমন বিকেল ভীষণ চঞ্চল নিশ্চল।
হিন্দু বধূ, মরচে ধরা, হঠাৎ সাদা ক্যানভাসে আকা,
যাক, বেচেই গেল সিঁদুর কেনার টাকা চিরুনি শাঁখা,
শুকনো খরে দেবতা পুরছে ওই দোরে কি সুরে?
রোহিঙ্গা আজ দিব্বি আছে, বাঙ্গাল কাঙ্গাল মরে।
ভেতরটা কাঁপে, কাঁপায় কে যেন কোথায় হেথায়;
ভেতরটা ভাবছে, ভাবায় কোথায় যে ঠাই,
আগােছালো বিছানা আধা-কাপ জল টলমল,
মরা ঝাঁটা লক্ষ্মী ছাড়া বেটি মাকাল ফল।
রাস্তায় জ্যাম সয়ে যায় ক্ষয়ে যায় প্রতিদিন;
বৃষ্টি জল, ডাস্টবিন ফিন ফিন, চিন চিন;
পতাকা গাড়ী , টকশো, বাহ; ভো ভো পোঁপোঁ,
মাথার ভেতর পকেট ঘোরে, ঘোরে ঘোরে, ওরে ওরে।
তোরা আর ভাবি-সনা আর ভাবাই-সনা;
যেন তেন, কেন কেন, অহেতুক যাতনা;
ওরা চলে ,ওরা বলে, তুই চল, থাকি-সনা;
উড়ে যা, উড়ে যাই, থামিসনা প্লিজ থামিসনা।
অতপর: উড়তে উড়তে আবার পাক খেতে খেতে সেই একই জায়গায়।
নিশুতি রাত, কবরস্থানের গলি। ২৩ সফর ১৪৩৯
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


