অকৃপণ সুরে কেঁদে নিজ হৃদয়কে হালকা করতে গেলে উপযুক্ত জায়গা লাগে। অকৃপণতার ধাক্কায় যেন কেউ বিরক্তবোধ না করে বা প্রতিবাদী না হয়ে উঠে। কিংবা কেউ যেন কান্নার ভারী অর্থ নিয়ে বিদ্রুপ, হাসি, ঠাট্টা, তামাশা করার সুযোগ না পায়।
দিল খুলে হেসে নিজের আনন্দ প্রকাশ করতে গেলেও বাধা। কেননা, এখানেও দরকার উপযুক্ত জায়গার। খেয়াল রাখা লাগে, হাসিকে যেন কেউ বিরক্তির ভাবে না গ্রহণ করে, হাসিতে যেন কেউ অপমানবোধ না করে বসে। অথবা হাসির তোড়ে কারও দুখ-সুখের অস্ত্বিত্ব যেন হারাতে না বসে ইত্যাদি।
একান্তে লালিত হয়ে হৃষ্টপুষ্ট কথাগুলো বলতে গেলেও উপযুক্ত মানুষ বেছে নিতে হয়। নয়তো বিস্ফোরিত হয়ে ক্ষতিসাধন হতে বা অস্বাভাবিক কিছু হতে এক সেকেন্ডও লাগে না।
রোগের চিকিৎসাতে লাগে উপযুক্ত চিকিৎসক। আজকাল ধূমপান করতে গেলেও উপযুক্ত স্থান লাগে। যদিও এ চর্চাটা তেমন প্রসার লাভ করেনি। আর অ্যালকোহল পানের জন্য উপযুক্ত জায়গা তো ব্যবহার হচ্ছে সেই কবে থেকে। যদিও সবার কাছে সব পানশালা উপযুক্ত নয় বৈকি।
নিজেকে কোন পোশাকে-আশাকে মানাবে, উপযুক্ত মনে হবে- সেটাও ভাবতে উপযুক্ত মন লাগে।
কোন কথা বললে কে, কী মনে করে- সেটাও ভাবতে হয় উপযুক্ততা দিয়েই। উপযুক্ত শব্দ চয়ন, ভাষা নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই বটে।
খাওয়া-ঘুমসহ দৈনন্দিন জীবন-যাপন প্রণালী- সবকিছুই উপযুক্ত হতে হয় যার যার অবস্থান, সাধ্যানুযায়ী। কেউ পারে, কেউ পারে না।
শৌচাগারের প্রয়োজন অনুভব হলেও উপযুক্ততা বিবেচনায় আনতে হয়, সেটা হোক সম্ভব কিংবা অসম্ভব।
এতো উপযুক্ততার জট? কে ভাংবে এসব পরিপূর্ণভাবে?
দু-হাত তুলে স্যারেন্ডার...........নিরুপায়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


