জীবনের গল্প কিছু মানুষের কাছে আনেক ছোট, আবার কিছু মানুষের কাছে অনেক বড়। ছোট হোক বা বড় মানুষ জীবন কে সঞ্জায়িত করেছেন বিভিন্নভাবে। জীবনকে কাছ থেকে দেখার আকুতি মানুষের যেমন রয়েছে তেমনি মৃত্যুকে দেখার আকুতিও রয়েছে।
উদাহারন স্বরুপ আমরা বলতে পারি- অত্যান্ত বিপদজ্জনক জেনেও আমরা ছাদের রেলিং ঘেসে বসে থাকি, কারন আমরা মৃত্যুর অনেক কাছে গিয়ে জীবনকে জানার চেষ্টা করি। জীবনকে দেখার নানা রুপ ও রঙ আমরা নিয়ে নেই আমাদের ভাবনা থেকে। মনিষীদের জীবন সম্পর্কে মত ও ভাবনাও একে অপরের সাথে মিল খুজে পাওয়া যায় না। এ থেকে অন্তত একটি বিষয় পরিষ্কার যে জীবন সম্পর্কে মতামত মানুষের নিজেস্ব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।
বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক "হূমায়ুন আহমেদ" তাঁর বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি "শূন্য" নামের একটি রচনায় জীবনের সাথে শূন্যের এক অদ্ভুত মিল তুলে ধরেছেন। এবং বাস্তবিকই আমাদের জীবনটা একরকম শূন্যের ভিতর ঘোরপাক খায়। আমরা জন্ম নেই আসহায়ত্ত ও শূন্যতার ভিতর দিয়ে, এর পর আমরা আমাদের পারিপার্শিক পরিবেশ থেকে উপকরন সংগ্রহের মাধ্যমে আমাদের শূন্য জীবনকে পূর্ণতা দেবার চেষ্টা করি। জীবনের পূর্ণতা নানা ভাবে আসতে পারে, যেমন অর্থের পূর্ণতা,সম্পর্কের পূর্ণতা, সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার পূর্ণতা ইত্যাদি। যার একটি পরিপূর্ন ব্যাখ্যা আমরা "মাসলোর সেপানতত্বে" পেয়ে থাকি। তবে আমাদের শূন্য জীবনকে আমরা যত ভাবেই পরিপুর্নতা দেই না কেন, সব শেষে আমাদের শূন্যতেই বিলিন হতে হয়। শুধু তাই নয় জীবনকে পূর্ণতা দানের সময়ও আমরা বার বার শূণ্যতার ভিতর দিয়ে যাই। যেমন, কিছু পাবার জন্য আমরা অনেক কিছু হারাতে প্রস্তুত থাকি। হারানো আর পাবার যোগ বিয়োগের মধ্যে আবারও আমরা শূণ্যকে খুঁজে পাই।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


