somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাঙালীর এক অবিস্মরণীয় স্বপ্ন জয়ের নাম পদ্মা সেতু

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাঙালীর এক অবিস্মরণীয় স্বপ্ন জয়ের নাম পদ্মা সেতু। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর কাছে, বলা যায় হাজার বছরের স্বপ্নসেতু হচ্ছে এটি। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে বঙ্গবন্ধু সেতু কী অপরিসীম ভূমিকা রাখছে তা আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। কাজেই যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুর অনুরূপ পদ্মা নদীর ওপর নির্মিতব্য পদ্মা সেতু হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জনজীবনে কী উন্নয়ন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জনগণ যোগাযোগ ব্যবস্থার এক মহাবিড়ম্বনার শিকার বহুকাল ধরে। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পাঠে অনুধাবন করা যায় সেই বিড়ম্বনার ব্যাপ্তি ও গভীরতা কতখানি। জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি জাতির পিতার কন্যা, শেখ হাসিনা : যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান। বাঙালীর সার্বিক মুক্তি কীভাবে সম্ভব তাঁর চেয়ে বেশি কে আর অমন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন! অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে একদিন তিনি ঘোষণা করলেন পদ্মা নদীর ওপর একটা সেতু বানাবেন। কিন্তু টাকা কোথায়? নিজস্ব অর্থায়নে এতবড় একটা সেতু নির্মাণ করা তো সম্ভব নয়। তারপরও তিনি (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) স্বপ্ন আর সাহস নিয়ে নেমে পড়লেন। আড়ালে থেকেই যেন মহামতি পিতা তাঁকে সাহস দিচ্ছেন। পিতা যেমন নিরন্ন, নিরস্ত্র বাঙালীকে সশস্ত্র হবার মন্ত্রে দীক্ষা দেন, স্বাধীনতার আকাক্সক্ষায় উজ্জীবিত করেন, অনেকটা তেমন। মূলত জাতির পিতার অবিস্মরণীয় ও অবিসংবাদিত নেতৃত্বের বলে বলীয়ান হয়ে যুদ্ধ জয়ের অভিজ্ঞতাহীন বাঙালী জাতি সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে দখলদার পাকবাহিনীকে হটিয়ে দেয়, স্বদেশ মাতাকে মুক্ত করে, স্বাধীনতা লাভ করে। প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন ভাষণ ও বক্তব্য শুনে, লেখা পাঠ করে আমরা সহজে অনুধাবন করতে পারি যে, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর আপোসহীন লড়াই-সংগ্রাম, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং পিতার মতো জনগণের প্রতি অপরিসীম ভালবাসাই তাঁর সকল কাজের মূল প্রেরণা এবং সততাই তাঁর প্রধান শক্তি। কাজেই পদ্মা সেতু হবে নিজেদের অর্থের সঙ্গে বৈদেশিক ঋণসহায়তা যুক্ত করে এ সেতু নির্মাণ করা হবে। বিশ্ব ব্যাংকসহ আরও ২-১টা দাতা সংস্থা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে প্রবল আগ্রহে এগিয়ে আসে। ঋণচুক্তি সম্পাদিত হলো যথানিয়মে। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রারম্ভিক কাজ পুরোদমে শুরু হলো। একজন সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হলো, যিনি নিজেও একজন ভুক্তভোগী। অবিরাম গতিতে যাবতীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ প্রায় শেষ। এমন সময়ে সংবাদ রটানো হলোÑ পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। যে প্রকল্পে দুর্নীতি হয় সে প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করে না। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এ ঘটনা। বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

চারদিকে ছিঃ ছিঃ রব ওঠে। মুখ দেখানো যেন মুশকিল হলো। সরকারবিরোধী কতিপয় সুশীল মহাজন আর মিডিয়াবাজ বুদ্ধিজীবী তো রীতিমতো হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। পারলে সরকারের বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে আর কি।

কিন্তু আজ সময়ের পরিক্রমায় প্রকৃত সত্য বেরিয়ে এসেছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনরূপ দুর্নীতি হয়নি কিংবা দুর্নীতির প্রয়াসও ছিল না। এটা ছিল ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই পুরনো শকুন স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের এক গভীর ষড়যন্ত্র। আনন্দের বিষয় যে, কিছুদিন আগে কথিত ভুয়া দুর্নীতির অপমানজনক অপবাদ থেকে বাংলাদেশ সরকার তথা এদেশের জনগণ মুক্ত হয়েছে। কানাডিয়ান আদালত খালাস দিয়েছেন তিন কথিত অভিযুক্তকে।

অথচ পরিতাপের বিষয় : এ দেশের কতিপয় স্বার্থান্বেষীর ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন আমার দেখা মতে, একজন অসাধারণ দায়িত্বনিষ্ঠ, সৎ ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ সৈয়দ আবুল হোসেন। তাঁকে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অপবাদ মাথায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে দুঃখজনকভাবে সরে যেতে হয়! সেই সময় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একজন মধ্যম সারির কর্মকর্তা হিসেবে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁকে খুব কাছে থেকে দেখার। তাঁর নিরন্তর শ্রম, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, নাওয়া-খাওয়া-ঘুম হারাম করে দেয়া, প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের প্রতি তাঁর গভীর দায়বদ্ধতা দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছি। পদোন্নতি পেয়ে আমি যখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে বদলি হয়ে যাই, একই ভবনে ছিলাম বলেই তখনও দেখেছি তাকে কী নিমগ্ন ছিলেন পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজে।

বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে ২০১০ সালে অক্টোবর মাসে আমি রাজশাহী বদলি হয়ে যাই। মাঠপর্যায়ে কাজের ধরন একটু ভিন্ন প্রকৃতির। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার একজন মাঠকর্মী হিসেবে রাজশাহী বিভাগের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছি, আর অবাক হয়ে দেখছি বরেন্দ্র এলাকার নিরন্তর পরিশ্রমী মানুষের অফুরন্ত প্রাণপ্রাচুর্য, এ মাটির ফসল দেয়ার শক্তি ও সম্ভাবনাকে। এ মাটিই আমাদের প্রধান সম্পদ, যে মাটি ১৬ কোটি মানুষের আহার জোগাচ্ছে। একের পর এক ফসল দিচ্ছে। দিচ্ছে নানা রকম ফলাদি ও শাকসবজি। মানুষ না খেয়ে নেই। বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতার বাংলাদেশকে কেউ দাবায়া রাখতে পারবে না। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে আমরা মাঠ প্রশাসনের কর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি দেশের মানুষের জন্য। এমন এক সময়ে বিশ্বব্যাংক ও তার এ দেশীয় সহচর ষড়যন্ত্রীরা পদ্মা সেতু প্রকল্পে তথাকথিত দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে রীতিমতো দেশজুড়ে হৈচৈ ফেলে দেয়। সরকার ও উন্নয়নবিরোধী গোষ্ঠী, বিশেষ করে মিডিয়া তো ঘুম হারাম করে মাঠে নামে। একপর্যায়ে সরকারও মুখ রাখতে সৈয়দ আবুল হোসেন সাহেবকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিলেন। কিছুদিন পর সেই দায়িত্ব থেকেও তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বলার আর প্রয়োজন নেই যে, আবুল হোসেন সাহেব স্বাভাবিকভাবে মর্মাহত হলেন। অনেকটা আড়ালে চলে গেলেন।

কিন্তু অনমনীয় বিশ্বব্যাংক; ২০১২ সালের ২৯ জুন পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে তাদের ঋণ সহায়তা প্রত্যাহার করে নেয়। ষড়যন্ত্রী মহল আর কিছু মিডিয়া তো রীতিমতো সরকারকে তুলোধুনা করতে থাকে। রাতের বেলায় টকারদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। এতে দেশবাসীর মতো আমিও খুব কষ্ট পেয়েছি, হতবাক হয়েছি। পদ্মা সেতু বুঝি হবে না! কী থেকে কী হয়ে গেল!

২০১২ সালের ৭ জুলাই। দিনটির কথা আমি কখনও ভুলব না। রাজশাহী থেকে নওগাঁ হয়ে জয়পুরহাট যাচ্ছি প্রেসক্লাবের সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধন করতে। গাড়িতে ৪-৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। যেতে যেতে পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছি। পদ্মা সেতু ছাড়া তেমন আর কোন খবর চোখে পড়ছে না। মনটা খারাপ হয়ে গেল আবার। কিন্তু মন খারাপ করে তো লাভ নেই। যেতে যেতে কর্মব্যস্ত জনপদ দেখছিÑ অবারিত মাঠজুড়ে ফসলের পর ফসল। মানুষজন সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত। বঙ্গবন্ধুর ডাকে এ দেশটা স্বাধীন করেছেন এ দেশের মানুষ। লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন দেশের জন্য। যারা প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করেছেন, জীবন দিয়েছেন তাদের অধিকাংশই ছিলেন গ্রামের সামান্য লেখাপড়া জানা কিংবা নিরক্ষর সাধারণ মানুষ। এ নিরক্ষর মানুষদের দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে সশস্ত্র যুদ্ধ করে আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি, চীন ও আমেরিকার মতো পরাশক্তির বিরোধিতা সত্ত্বেও আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। আজ আমরা কোটি কোটি মানুষ শিক্ষিত, অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও একটা সেতুর পয়সার জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে হাত পাততে হলো! উপায় ছিল না। গরিব দেশ বলে কথা। একাত্তর সালে আমরা আরও গরিব ছিলাম। মানুষজন ঠিকমতো তিনবেলা খেতে পারত না। পরনে ভাল মতো কাপড়ও ছিল না। দেশ এখন আর স্বাধীনতার আগের মতো দরিদ্র নয়। পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করা হবে! খুব আনন্দের কথা। নিজের টাকায় সম্ভব নয় বলে হাত পেতেছি তথাকথিত দাতা সংস্থার কাছে। ভাল কথা। কিন্তু দুর্নীতি নয়, দেয়া হলো দুর্নীতির ষড়যন্ত্র করার মতো হাস্যকর অপবাদ। কোনভাবে সুস্থ বিবেকে মানা যায় না। যেখানে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছেন জাতির পিতার কন্যা, যিনি সতত উচ্চারণ করেন সততাই শক্তি সেখানে এটা কী করে সম্ভব! কোন ক্রমেই হতে পারে না। এসব ভাবতে ভাবতে জয়পুরহাটে পৌঁছলাম দুপুর ১২টা নাগাদ। জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে একটা মিটিং-এ অংশ নিলাম। দুপুরের খাবারের পর গেলাম জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে। আমার সঙ্গে জেলা প্রশাসকসহ জেলার অন্যান্য অফিসার ও স্থানীয় নেতারা ছিলেন। প্রেসক্লাবের দু’তলার সম্প্রসারিত ভবন আমাকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরুর আগে আমার সামনে দেখি কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা.. জাতীয় ও স্থানীয়। প্রথম পাতায় আবারও চোখে পড়ে পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতিবিষয়ক রং মেশানো রঙিন খবর। মেজাজটা আমার খারাপ হয়ে গেল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, গৌরবজনক ঘটনাবলী, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়াসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের প্রসঙ্গ বলতে বলতে পদ্মা সেতু নিয়ে কথা তুললাম। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে কাজ করার স্মৃতিচারণ করলাম। দৃঢ়ভাবে বললাম : বিশ্বব্যাংকের এ অভিযোগ ভিত্তিহীন। একদিন মিথ্যা প্রমাণিত হবে ইনশাল্লাহ। জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, ১৬ কোটি মানুষের ৩২ কোটি হাত আর বরেন্দ্রের মাটি থাকে ইনশাল্লাহ আমাদের টাকাতেই আমরা পদ্মা সেতু বানাব। সেই সক্ষমতা আমরা ইতোমধ্যে অর্জন করেছি। এ দেশটা স্বাধীন করতে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন, সেই দেশ আমাদের অনেক দিয়েছে, কিন্তু দেশকে আমরা কিছুই দিতে পারিনি, এবার দেবার একটা সুযোগ এসেছে : সরকার চাইলে পদ্মা সেতুর জন্য আমি আমার এক মাসের বেতন দিয়ে দেব। এর ৩-৪ দিন পরের ঘটনা। আমাকে হুমকি দিয়ে একটা বেনামি চিঠি এলো জয়পুরহাট থেকে, আমি যেন এ ধরনের কথা আর উচ্চারণ না করি। জয়পুরহাটে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালী চেতনাবিরোধী লোকজনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। স্বাভাবিকভাবে আমার বক্তব্য তাদের মনোপুত হয়নি। এমন আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করে আমি রাগে চিঠিটা ছিঁড়ে ফেলে দিই।

তারপরের ইতিহাস তো সবাই জানেন। এর কিছুদিন পরই প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিলেন পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে আমাদের নিজস্ব অর্থে। যা এখন করা হচ্ছে। পদ্মার কর্মযজ্ঞ দেখতে প্রতিনিয়ত দেশী-বিদেশী অনেকেই প্রকল্প এলাকায় আসছেন। কয়েক মাস আগে গণমাধ্যমের অনেক বন্ধুসহ পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে পদ্মা সেতুর কাজ দেখতে গিয়ে বুকটা আনন্দে ফুলে ওঠে। পদ্মা সেতুর জন্য আমরা গর্ব করতে পারিÑ বিশ্বকে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা আজ দেখিয়ে দিয়েছেন যে, আমরাও পারিÑ বাংলাদেশ পারে, বাঙালী পারে। সত্যিই তো পদ্মা সেতু আমাদের অহঙ্কার ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু যেমন দেশের উত্তরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনে গতি ও সমৃদ্ধি দিয়েছে, পদ্মা সেতুও সেভাবে দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়ন ঘটাবে। সব শেষে পদ্মা সেতুর জন্য একটা যুতসই নাম প্রস্তাব করে এ লেখার ইতি টানতে চাই পদ্মা সেতুর নাম রাখা যেতে পারে বাংলা সেতু। একদিকে ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’, অন্যদিকে ‘বাংলা সেতু’, যা আমাদের গৌরব ও অহঙ্কারের প্রতীক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:২৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×