somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধীদের ঢালাওভাবে শেখ মুজিবুর রহমান এক বাদশাহী ফরমান জারি করে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যে দলটি মৃতপ্রায় অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছিল সেই জামায়াতে ইসলামীকে আবার চাঙ্গা করল কে? তাদেরকে একটা রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়ানোর শর্ত তৈরি করল কে? আওয়ামী লীগ কি এই দায় অস্বীকার করতে পারে? যুদ্ধাপরাধীদের ঢালাওভাবে শেখ মুজিবুর রহমান এক বাদশাহী ফরমান জারি করে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, যে জন্য তার আমলে যুদ্ধাপরাধের ক্ষত কাঁচা থাকা অবস্থাতে অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি হয়নি। ১৯৯৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকলেও তার কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার তাদের কোনো বিচার করেনি। তারা নিরাপদেই ছিল। ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারা ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট বাঁধার কারণে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করে জামায়াতে ইসলামীকে তাদের রাজনৈতিক প্রচারণার দুই নম্বর টার্গেট নির্ধারণ করে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে যেভাবে জামায়াতে ইসলামীকে বিরাট বড় প্রতিপক্ষ খাড়া করে তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু করেন তাতে তাদের লাভ ছাড়া ক্ষতি হয়নি। বাস্তবত এর দ্বারা জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে বড় আকারে লাভবান হয়েছে। সরকার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, বিচারের জন্য তারা নিজেদের সুবিধামত ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে এবং বিচার চলছে। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ, তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন, তাদের ঘরানার বুদ্ধিজীবীর দল, এমনকি তাদের মন্ত্রী-এমপিরা যেভাবে রাস্তায় নেমে, মানববন্ধন করে, আধ ঘণ্টা-দশ ঘণ্টার ‘দীর্ঘ’ গণঅনশন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করে তারা জামায়াতের বিরুদ্ধে দিনের পর দিন জমজমাট ‘আন্দোলন’ করে এসেছেন তাতে জামায়াতকে তাদের প্রকৃত শক্তির তুলনায় অনেক বড় করে হাজির করে তারা সামনে এনেছেন। এভাবে আওয়ামী লীগের থেকে প্রচার লাভ করতে করতে তারা নিজেদের অর্থশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিণত হয়েছে এক রাজনৈতিক শক্তিতে।



................দেশে আজ যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে ঠেলে কোনদিকে নিয়ে যাচ্ছে এ চিন্তায় দেশের সর্বস্তরের জনগণ এখন আতঙ্কিত। জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে তারা যে নতুন খেলা এখন শুরুৃ করছে তার পরিণাম যে দেশ ও জনগণের জন্য আরও ভয়াবহ হবে এই সম্ভাবনার কালো মেঘ এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশকে আচ্ছন্ন করছে।
======================
কমেন্টস এর পর সুত্র উল্লেখ করবো।
৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি বড়দের গল্প - ছোটরাও পড়তে পারে

লিখেছেন মুনতাসির, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫০

বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি দাঁড়ানো সম্ভব নয়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৫


ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×