somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৭৫ বছর ধরে প্রতিদিন ফিলিস্তিনির নারী-শিশু- সাধারন মানুষ হত্যা-ধর্ষন করা যাবে ? কিন্তু দখলবাজ হত্যাকারী-ধর্ষকদের ফুলের টোকাও দেয়া যাবে না। এই সভ্যতার প্রয়োজন আছে কি ?

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৩ বিকাল ৪:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১৯৪৭ সাল থেকে আজ অবধি ইসরায়েল কয়েক লক্ষ সাধারন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। ফিলিস্তিনিরা কখনোই ইসরাইলের সাধারন নাগরিকদের উপড় আক্রমন করতে পারে নাই। আমরা ধরে নিতে পারি , তাদের সামর্থ ছিলো না। সাধারন ফিলিস্তিনিকে যখন মারা হয় তখন আপনারা কেউ জবাবদিহি চান না । এটা দুঃখজনক। হামাস ইসরাইলে হামলার সক্ষমতা অর্জন করেছে - এটা বিশ্ব জানতে পেরেছে এবং ইসরাইলিরাও। হামলা্য় ইসরাইলি সাধারন মানুষ মারা যাওয়া নতুন ঘটনা। এটা অবশ্যই যুদ্ধ আইন লংঘন। তবে ইসরাইলিদের তুলনায় এ ঘটনা খুবই নগন্য । বিচার দু-পক্ষের হলে- অনেক বেশী শাস্তি পাওয়ার হকদার হয়ে গেছে ইসরাইল । হামাস সামান্যই শাস্তি পাবে।
হ্যাঁ আরো একটি ব্যাপার আছে সেটা হলো হামাস যে ভুমিতে বা বসতিতে হামলা চালিয়েছে , সে জায়গাটি হামলাকারীদের পুর্বের বসতভিটা । তাদেরকে সেখান থেকে জোর পুর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে। সে কারণে বসতভিটা উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করা - অপরাধের মধ্যে পড়ে না।কারন তাদেরকে বার বার ফিলিস্তিনিরা তাদের বসতভুমি ছেড়ে দেয়ার দাবী জানাচ্ছে এবং সেটেলার রা যেখান থেকে এসেছে সেখানে চলে যেতে বলছে। এবং সেটেলারদের অবিলম্বে অন্যর বসতভিটা ছেড়ে দিয়ে চলে যাওয়া উচিৎ।
প্রতিদিন ফিলিস্তিনির নারী-শিশু হত্যা করা যাবে ! প্রতিদিন নিরাপরাধ ফিলিস্তিনি হত্যা করা যাবে !
সেনা বাহিনী দিয়ে আরো জায়গা দখল করতে থাকুক, জাতিগত বিলুপ্ত করন বা গনহত্যা চলতে থাকুক, বুদ্ধিজীবি দিয়ে আলোচনাও চলতে থাকুক। বাহ! এই চিন্তাধারা না হলে কি পশ্চিমাদের চামচা হওয়া যায়। এ ধরনের চিন্তাধারার লোকরাই মীরজাফর-মোশতাক হয়।
সেটা দেশ-বিদেশ যেখানেই হোক না কেন ?

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১৭
১৪টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এরা কারা, কী এদের পরিচয়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:৪৮


যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ঠিক তাই ঘটছে। ‘আজাদ পার্টি’ নামের একটি নতুন ভূঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে গতকাল ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে যে মিছিল এবং ঘেরাও কর্মসূচি করা হলো, তা কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫০১ নাম্বার রুম কি বিজয় নাকি লাম্পট্যর সাক্ষী।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮





মাওলানা মামুনুল হক নামের হেফাজত ইসলামের এক নেতা তার ফেসবুক ওয়ালে দীর্ঘ একটি পোস্ট লিখেছেন। তার এই পোস্টটি এক অদ্ভুত রসাত্মক ট্র্যাজেডি।

লেখাটি পড়লে মনে হয়, তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×