somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কি ইঙ্গিত দিলেন অর্থমন্ত্রী?

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মন্ত্রিসভায় নতুন বেতন স্কেল অনুমোদনদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২১ লাখ চাকরিজীবীর বেতন বাড়ছে। নতুন স্কেলে প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। আর ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। এখন সরকারি চাকুরেরা সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা ও সর্বনিম্ন ৪ হাজার ১০০ টাকা মূল বেতন পান।

বেতন বৃদ্ধি করার পর যদিও সচিবালয় থেকে নিম্ন শ্রেনীর কর্মচারী মহলে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। যদিও তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে শিক্ষকদের বেতন স্কেল নিয়ে।

জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বাদে দেশের ৩৭টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার শিক্ষার্থীকে পড়ানো প্রায় ১৩ হাজার ৮০০শিক্ষক ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে প্রায়শ থাকছেন রাজ পথে। সম্প্রতি তাদের বেতন-মান বৃদ্ধি করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়েছেন।

অপরদিকে শিক্ষকদের বিষয়ে পত্র পত্রিকাগুলো অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি আগে আশার বাণী শুনিয়ে আসছিলেন। তবে আজ (০৮।০৯।১৫) হঠাৎ করেই বলে বসলেন আর কোনো বেতন কাঠামো হবে না।

তিনি বললেন, দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী জ্ঞানের অভাবে আন্দোলন করছেন। তাঁদের কর্মবিরতির কোনো যুক্তি নেই। তাঁরা জানেনই না যে নতুন বেতন কাঠামোতে তাঁদের জন্য কী আছে, কী নেই। ‘আমার জানা নেই, কোথায় তাঁদের মর্যাদার হানি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের করাপ্ট প্র্যাকটিস নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। প্রত্যেকেই এখানে সহজেই অধ্যাপক হয়ে যান। সহযোগী অধ্যাপকদের তাঁরা খেয়াল খুশিমতো পদোন্নতি দেন। দেখা গেছে, নিচে ১০ জন প্রভাষক; কিন্তু ওপরে এক হাজার অধ্যাপক। এটা কিছু হলো? শুধু ওপরে পদোন্নতি হবে, এটা ঠিক না।’

বিষয়টি মন্ত্রিসভা কমিটিকে জানানো হবে—এমনটা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, ‘আমলাতন্ত্রকে আমরা যেভাবে ম্যানেজ (পরিচালনা) করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফদেরও সেভাবে নিয়ন্ত্রণ করব।’

অর্থমন্ত্রীর তার কথায় যে ইঙ্গিত দিলেন তার প্রতিক্রিয়াতে কি করেন শিক্ষক সমাজ এখন তাই দেখার বিষয়। সেক্ষেত্রে মেনে নেওয়া মানে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরাসরি সরকারের হস্তক্ষেপে যাওয়া আর কঠোর আন্দোলন মানে দেশের উচ্চ শিক্ষার বেহাল দশা আর সককারে নতুন অস্বস্থি।

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/625867
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতামত পোস্ট: ২২ সালে লিখেছিলাম: যে শঙ্কা ছিলো তা আজকের বাস্তবতা

লিখেছেন অর্ক, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



আমাদের কওমি জননী সত্যি কি অসাম্প্রদায়িক? হলে কতোটা? প্রশ্ন থাকলো সবার কাছে। তেতুল হুজুর মাওলানা শফি খুব ভক্তিভরে তাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছিলেন। এমনি এমনি তো আর নয়। অত্যন্ত মহব্বত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×