ফিলিস্তিনের জন্য এখনো যারা দোয়া চায় বা দোয়া করে তাদের জন্য আমার করুণা হয় এবং হাসি পায়। কাল দেখলাম ভাটিক্যানসিটিতে পপ তার সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে ফিলিস্তিনের জন্য দোয়া করছে। কিন্তু তার দোয়া তো কবুল হলো না....!!! মক্কাশরীফ, মদীনা শরীফ সহ বিশ্বের সকল মসজিদে কোটি কোটি মুসলিম রোজাদার দোয়া করছে, কই কোন পরিবর্তন তো আসল না??? আসবেও না। দোয়া কবুল করে আল্লাহ কখনো আবাবিল পাঠাবেন না। পাঠালে এই অকর্মা নির্লজ্জ বেহায়া জাতি আরো অকর্মা হয়ে যাবে। ফিলিস্তিন কেন? এর পর যদি মক্কা মদিনাও ইজরাইল দ্বারা আক্রান্ত হয় তবুও ইজরাইল ই জিতবে। কাবা শরীফ ধ্বংস করে দিলেও আল্লাহ তায়ালা আর আবাবিল পাঠাবেন না। যা করার তা মুসলমানদেরই করতে হবে। যত দিন কামান ট্যান্ক কিংবা বিমান ধ্বংসের মত পর্যাপ্ত অস্ত্র নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা না করতে পারবে ততদিন মুসলমানদের ভূমি এক এক করে হারাতেই থাকবে। কামানের সামনে গুল্টি নিয়ে মোকাবেলা করাকে তোমরা ঈমানের জোড় বলতে পারো আমি একে বোকামিই বলবো।
আমার কাছে সোজা হিসাব:
- তুমি মক্কায় কিংবা লন্ডনের মসজিদে লক্ষ টাকা খরচা করে দোয়ার ব্যাবস্থা করার চেয়ে যে বা যারা মাত্র ১০০ টাকার খাবার কিংবা ঐষধ কিনে গাজায় পাঠাবে সেই তোমার থেকে উত্তম।
-তুমি মক্কা মদীনার মসজিদের ইমাম, লাখো মানুষ নিয়ে দোয়া করতে পারো অথচ তোমার সরকারকে বাধ্যকরতে পারো না এই শিশু হত্যা বন্ধে ইজরাইলকে চাপ দিতে তাহলে তোমার চেয়ে ঢের ভাল ঐ রাশিয়ান কাফের পুতিন যে কিনা কেবল মানবতার জন্যেই ইজরাইলকে হুমকি দিচ্ছে এই গণহত্যা বন্ধ করার জন্য।
কিছু কিছু মানুষ যাদের সত্য বলার ক্ষমতা আছে, সৎ কাজের আদেশ নিষেধ করার ক্ষমতা আছে অথচ সেটা করল না আমি মনে করি তার দোয়া করার অধিকার নাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




