
মুছরিম রিওরী!!
জাপানীদের খাদ্যাভাস সম্পর্কে আগেই বলেছি, এরা রেস্টুরেন্ট অথবা ফুড শপে খেতে পছন্দ করে, আর সব ধরনের খাবারই এখানে প্যাকে পাওয়া যায়, কিছু খাবার শুধু মাইক্রোওয়েব ওভেনে হালকা গরম করে নিলেই চলে। এদের থিম হলো রান্নার জন্য লোক আছেই (রেস্টুরেন্ট), সুতরাং নিজেদের এসব ঝামেলা করার দরকার নেই, যা আমাদের চিন্তার পুরা ১৮০ডিগ্রী বিপরীত। আর ব্যচেলররা যারা হল লাইফে আছে, এরা মাঝে মাঝে কিছু সবজি নিয়ে আসে, গরম পানিতে সিদ্ধ করে সাথে কিছু প্যাক খাবার/সস দিয়ে খায়। আমি যেখানে থাকি (ইন্টার ইউঃ সেমিনার হাউজ-কয়েকটা বিশ্বঃ জয়েন্ট ভেঞ্চার ফরেন স্টুডেন্টদের থাকার জন্য) সিঙ্গেল রুম হলেও কিচেন শেয়ার করতে হয়। যদিও এতে সমস্যা হয় না, কারন, ঐ যে বললাম, বেশির সমসয়ই এরা প্যাকেড ফুড খায়, হয়ত শনি-রবি ছুটির দিনে হালকা রান্না তাও নুডুলস/সবজি গরম পানিতে ঢেলে অথবা পনির দিয়ে ৫/১০ মিনিটের রান্না। ফলে এখানে আমরা যারা বাংলাদেশী/ইন্দোনেশিয়ানরা আছি, আমাদের রান্নার প্রনালী ওদের থেকে অনেক আলাদা ও সময় সাপেক্ষ, এজন্য যখনি আমি রান্না করি, ঐসময় ওদের কেউ থাকলে উৎসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, কি রান্না করি এত্তো সময় নিয়ে। আর মাঝে মাঝেই জিজ্ঞাসা, এটা কি ওটা কি? আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার জাপানে হলুদ ব্যবহার হয়না, সেটাও প্রশ্ন এটা কি, কেন খাও।
আমি প্রধানত তরকারি রান্না করি একবারে এক সপ্তাহের জন্য দুই আইটেম, শনিবারে সাধারনত রান্না করি। গত শনিবারে রান্না করছিলাম, ঐ সময় দেখি এক চাইনিজও রাঁধছে, আমি রান্নার সময় খেয়াল করছিলাম, মাঝে মাঝে সেও দেখছে কি করছি আমি, কারন আমাদের রান্না পুরা আলাদা, ওদের স্টাইল অনেকটা সসপ্যানে ঢালো, নাড়ো আর খাও, আর আমরাতো অনেক কিছু করি, ঐ চাইনিজের সাথে সেদিনই প্রথম দেখা, হলে কখনও দেখি নাই, সে অনেকবার তাকানোর পর কাছে আসলো, এসে বললঃ সোরে ওয়া মুছরিম রিও দেস কা? মানে এটা কি মুসলিম রান্না
চলবে------------
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



