হেভি চেচামেচি, চিল্লাচিল্লি !! RTVর মধ্যরাতের গোলটেবিল বৈঠক শুনছি। অন্তত: হাফ ডজন বিশেষ অজ্ঞরা হাজির। তার মধ্যে ছবির নায়ক, পরিচালক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ মায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকও বাদ যাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক মন্চের মধ্যস্হানে বসে শৃংখলা বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।
বুঝতে পারলাম ব্লগার ছাড়াও আরও অনেকে জেগে থাকে আজাইরা প্যাচাল পাড়তে।
আলোচনার বিষয় গুন্ডে ছবি, ভারতীয় ছবি আমদানী ইত্যাদি ।
আলোচনার এক পর্যায়ে সাংবাদিক বললেন, ভারত থেকে যদি পেয়াজ রসুন আসতে পারে তবে ছবি আসতে অসুবিধা কোথায় ?
আমিও বলি-অসুবিধা কোথায় ?
-----------
ঘটনার শুরু- সংস্কৃতি মন্ত্রী আমাদের প্রিয় বাকের ভাই ভারতে গিয়ে আশ্বাস দিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি দেখানো হবে। আলোচনায় জানলাম এর আগে ২০১০ ও ২০১২ সালেও এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো কিন্তু সফল হয়নি। জানলাম ১৯৭২ সালে বংগবন্ধু বাংলাদেশে প্রথম ভারতীয় ছবি প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছিলেন । সেই ধারা গত ৪২ বছর ধরে বজায় ছিলো । তাই বলে কি এখন নতুন করে ভাবা যায়না।
মনে হয় বাধ সেধেছে বাংলাদেশের আজাইরা শিল্পীরা যারা এ পর্যন্ত এ শিল্পকে কোন মানসম্মত অবস্হানে আনতে পারেননি। শুনলাম আমাদের নায়করাজ রাজ্জাক এই আমদানীর বিরোধিতা করছেন। ফেসবুক ও অন্যান্য সোস্যাল নেটওয়ার্কে নাকি এ নিয়ে ক্যাচাল চলতেছে।
বাকের ভাই ভারত থেকে ফিরে এসে অবশ্য বলেছেন -এ বক্তব্য তার ব্যক্তিগত। তবে তিনি মনে করেন -প্রতিযোগিতামূলক বা্জার বাংলাদেশের ছবির মান উন্নত করতে সাহায্য করবে। কিন্তু চাষী পরিচালক এটা মানতে রাজী নন। চাষী বলছেন সিনেমাকে শিল্প হিসাবে মর্যাদা দিতে হবে, সরকারী অনুদান বাড়াতে হবে, মুক্ত বানিজ্য থেকে বাংলাদেশের ছবিকে রক্ষা করতে হবে।
প্রশ্ন উঠেছে - বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল ভারতে তো দেখানো হ্য়না। গেরিলা পরিচালক বললেন-ভারতে এখন নাকি দেখানো হচ্ছে । বাংলাদেশে টিভি চ্যানেলগুলোর পরিবেশক নাকি ভারতে এগুলো দেখানোর ব্যবস্হা নিচ্ছেন ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



