somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটু সহায়তার হাত প্রসারিত করো হে মানুষ!

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১০:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কিশোরীর নাম ফারজানা। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। চোখের সামনেই পরিবারের নয় সদস্যকে পুড়ে মরতে দেখেছে সে। বেঁচে ছিলেন শুধু তার বাবা। কিন্তু ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় গাড়িচাপায় বাবার মৃত্যুতে একা হয়ে পড়ে ফারজানা। এরপর থেকে নিঃসঙ্গ ফারজানা বেঁচে আছে অন্যের অনুগ্রহে। সামনে তার অজানা গন্তব্য। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাড়া করে ফিরে প্রতিনিয়ত।


ঘটনার পর অনেক আলোচনা-সমালোচনা ছিল। ছিল নানা আশ্বাসের ফুলঝুরি। কিন্তু সব হারানো ফারজানাকে এখন দেখার কেউ নেই। কেউ খোঁজ নেয় না তার। ২০১৪ সালের ১৪ই জুন কালশী ট্র্যাজেডির কথা স্মরণ হলে নীরবে কাঁদে এ কিশোরী। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছিলেন তার পিতা ইয়াসিন। শেষ পর্যন্ত রহস্যজনকভাবে গাড়িচাপায় তার মৃত্যু হয়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মরে মরে বেঁচে আছে ওই পরিবারের একমাত্র সদস্য ফারজানা। মা-বাবা, ভাই, বোন কেউ নেই তার। সবাইকে হারিয়ে কিশোরী ফারজানা আশ্রয় নিয়েছে খালার বাসায়। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হয়েছে বটে কিন্তু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়নি তেমন কেউ!


পুড়ে যাওয়ার পর ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ৫ মাসের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ফারজানা বাড়ি যায় । দেড় বছর পর সে আবার অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালের নতুন ১০ তলা বিল্ডিংয়ের ৮০১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি হয় । চিকিৎসা চলছে অধ্যাপক ডঃ টিটু মিয়ার তত্বাবধানে । চিকিৎসকরা বলেছেন ফারজানা এখন এস এল ই রোগে আক্রান্ত । ইতিমধ্যে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করেছেন ফারজানার খালু আসলাম শেখ । ফারজানার খালু আসলাম শেখ ধানমন্ডির একটি সেলুনের সামান্য কর্মচারী । বর্তমানে ফারজানার চিকিৎসা খরচ চালাতে পারছেন না খালু আসলাম শেখ । গত ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে ফারজানার করুন কাহিনীটি প্রথমআলো পত্রিকায় বিস্তারিত প্রতিবেদন আসে । কিন্তু দুঃখের বিযয় একজন মহিলার দেওয়া আট হাজার টাকা ছাড়া আর কেউ এগিয়ে আসেনি।
সবার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আসুন আমরা সবাই মিলে অসহায় নিঃসঙ্গ ফারজানাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসি।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-
ফারজানার খালু আসলাম শেখ:
01924 087882 (বিকাশ পারসোনাল)।
অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
Farzana akter
হিসাব নং : 8412100016335
EXIM BANK .
Ring Road . Mohammadpur Branch .

আরো বিস্তারিত জানতে কথা বলুন
সমাজসেবা কর্মী ও যষ্ঠি মধু হকার আঃ মালেকের সাথে:
০১৯২৩ ২৩৭২৮৫ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:০১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×