আমার বাসার বারিন্দা দিয়ে রেগুলার মনিটরিং করছি। কারণ, বাসার ঠিক পাশেই রয়েছে স্কুল। আর সেখানেই আছে নির্বাচন কেন্দ্র। সকালে উঠতে আজকে একটু দেরী হয়ে গেল। কারণ, একটাই। শীতের সময়ে এরকম বন্ধের দিনে উঠতে ইচ্ছা করছিল না।
মানুষজন ত্যাড়া ব্যাকা লাইন ধরে দাড়িয়ে আছে। দূর থেকে নির্বাচন কেন্দ্রকে কেমন যেন লংগরখানা লাগছে। মনে হচ্ছে রিলিফের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। নাগরিক অধিকার নিয়ে আমার তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই। চুরি যেহেতু করিনা, সেহেতু এখনো পুরোপুরি দেশের আদর্শ নাগরিক হয়ে উঠতে পারি নাই। গরীবের এই অক্ষমতা মার্জনীয়।
ধর্মভীরু হিসেবে আমার যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। নামাজ কালাম কোন সময় করে মাথায় হিন্দুদের মতন কালো রংয়ের তিলক পার্মানেন্টলি লাগিয়ে ফেলেছি অনেক দিন আগে থেকে। তবুও কেন জানি, জমাতরে সহ্য হয়না। ইসলামকে বাপ দাদার সম্পত্তি মনে করে। যেকোন কারণেই হোক, এরা কোন সময়ই যুদ্ধপরাধীর বিপক্ষে কিছুই বলে না। তাদের কোন সময়ই যুদ্ধের বিচার চাইতে দেখলাম না। অগণিত মানুষ হত্যা বা মাবোনদের সম্মানের দাম এদের কাছে মনে হয় নাই। আরো আছে,
রাজবাড়ীর পাংশা কলেজ ছাত্রাবাসে বিস্ফোরণ
এদিকে, বিএনপি'র লোকজন কালকে থেকেই চট্টগ্রামে টাকা বিলানো শুরু করছে। তাছাড়া আরো চুরি চামারি নির্বাচনের আগে থেকেই শুরু। নির্বাচনের পরে যে কি করবে?
চারদল প্রার্থীর আত্মীয়র গাড়ি থেকে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার
চারদলের পক্ষে টাকা বিলির অভিযোগ, ৬ জেলায় গ্রেপ্তার ১৫
টাঙ্গাইলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আটক
চৌমুহনীতে টাকাসহ বুলুর তিন সমর্থক আটক
নেত্রকোনায় চারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে শাড়ি বিতরণকালে আটক এক
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
অপর পক্ষে, আঃ লীগের কথা বার্তা কেমন যেন টাইপ। সঠিক কোন নির্ধারণ পাই না। যদিও রাজনীতি বুঝি না, তবে এটা বুঝি রাজনীতিতে নতুন জেনেরেশনের কাউকে দরকার।
একবার মনে করলাম, 'না' ভোট বোধ হয় সবচেয়ে বুদ্ধিমানের উপায়। কিন্তু, এখন দেখি অন্য উপায়। আমাদের সিটে বেশিরভাগ মানুষই অল্পশিক্ষিত/ অর্ধশিক্ষিত ও নিরক্ষর টাইপের নিরীহ মানুষ। এরা রাজনৈতিক নেতাদের থুথু উঠানো ভাষনে এখনো আন্দোলিত হয়। এই জাতীয় মানুষ দুটি জিনিস, বুঝুক বা না বুঝুক, কখনো পরিবর্তন করবে না। ক। ধর্ম ও খ। রাজনীতি। তার মানে ৫০% এর বেশি না ভোট উঠা সম্ভব নয়। উঠলেও এই একই নেতা যে আবার দাড়াবে না, তার কোন গ্যারান্টি নাই। তার মানে, এদিকেও ধরা।
দূর! বেশি ভেবে কাজ নেই। আরেকবার ঘুমানো যাক। দুপুরের দিকে ভীড় কমলে ভোটে যাওয়া যাবে। তবে, কোন যুদ্ধপরাধী দোষে দুষ্ট এমন কাউকে না। দেশ ও শহীদদের সাথে বেঈমানি করতে পারবো না।
আলোচিত ব্লগ
হাদির হত্যাকান্ড ও সরকারের পরবর্তি করণীয়!
হাদির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। সে দেশকে ভালোবেসে, দেশের মানুষকে ইনসাফের জীবন এনে দিতে সংগ্রাম করেছে। তাকে বাঁচতে দিলো না খুনিরা। অনেক দিন ধরেই তাকে ফোনে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে এসেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন
মব রাজ্যে উত্তেজনা: হাদির মৃত্যুতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ



ইন্টেরিম সরকারের শেষদিন : গঠিত হতে যাচ্ছে বিপ্লবী সরকার ?

ইরাক, লিবিয়া ও সিরিয়াকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার আন্তঃদেশীয় প্রকল্পটা সফল হতে অনেক দিন লেগে গিয়েছিল। বাংলাদেশে সে তুলনায় সংশ্লিষ্ট শক্তিসমূহের সফলতা স্বল্প সময়ে অনেক ভালো। এটা বিস্ময়কর ব্যাপার, ‘রাষ্ট্র’... ...বাকিটুকু পড়ুন
মব সন্ত্রাস, আগুন ও ব্লাসফেমি: হেরে যাচ্ছে বাংলাদেশ?

ময়মনসিংহে হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন মানুষকে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। মধ্যযুগীয় এই ঘটনা এই বার্তা দেয় যে, জঙ্গিরা মবতন্ত্রের মাধ্যমে ব্লাসফেমি ও শরিয়া কার্যকর করে ফেলেছে। এখন তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতার নামে মব সন্ত্রাস

ছবিঃ অনলাইন থেকে সংগৃহীত।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মের নাম ব্যবহার করে সংঘটিত দলবদ্ধ সহিংসতার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে তৌহিদি জনতা পরিচয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।